ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হচ্ছে, সোয়াব ‘ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার’ পর্যন্ত নেয়া হয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে। এই ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার একটি পর্দা যা কিনা মস্তিষ্কে জীবাণুর প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখে।

কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা যে নমুনা নেয়ার জন্য নেয়া সোয়াব নাকের ভেতর দিয়ে ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার পর্যন্ত পৌঁছে। মূলত এটা কী এবং কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে ধারণা না থাকায় এমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি।

ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার শক্তভাবে তৈরি একটি স্তর, যা কিনা রক্তে চলাচল করা অণুগুলোকে মস্তিষ্কে প্রবেশে বাধা দেয়। যেখানে আবার অক্সিজেন ও পুষ্টির মতো জিনিসগুলোকে যাওয়ার অনুমতি দেয়। এদিকে নাকের মাঝে প্রবেশ করা একটি সোয়াব স্টিককে ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ারে পৌঁছার জন্য টিস্যুর একাধিক স্তর ভেদ করতে হয় এবং হাড়ের মধ্যে ড্রিল করতে হবে।

ব্রিটিশ নিউরোসায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি মেম্বার ড. লিজ কোল্টহার্ড বলেন, জোরপূর্বক কতগুলো টিস্যু ও হারের স্তর না ভেঙে সোয়াব কখনো ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ারে পৌঁছতে পারে না। আমাদের নিউরোলজি প্র্যাকটিস অনুসারে সোয়াবের ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতা নেই।

বিবিসি