চলতি বছরের শুরুর দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে কভিড-১৯ ছড়াতে থাকে। তখন থেকেই ত্বকবিজ্ঞানীরা কিছু রোগীর ত্বকে সন্দেহজনক কিছু লক্ষণ দেখতে পান: লাল কিংবা রক্তবর্ণ পায়ের বুড়ো আঙুল, চুলকানি ও গোটা, আঙুলে ফোস্কা পড়া এবং পা ও হাতজুড়ে ফিতার ন্যায় প্যাঁচানো লাল র‌্যাশ।

কিন্তু ত্বকের এসব সমস্যা কি সত্যিই নভেল করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত? আরো অনেক কারণও তো এর পেছনে থাকতে পারে। নিউইয়র্কের ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার মেডিকেল সেন্টারের ডার্মাটোলজির প্রফেসর ডা. আর্ট পাপিয়ার বলেন, ‘অনেক ভাইরাসঘটিত সংক্রমণ ত্বকে র‌্যাশ তৈরি করতে পারে। কাজেই যখন আপনি এসব ঘটনার কথা উল্লেখ করবেন তখন আপনার কাছে দরকারি আরো কিছু তথ্য থাকতে হবে। র‌্যাশ ওঠার সপ্তাহখানেক আগে থেকে কি রোগীকে ওষুধ দেয়া শুরু হয়েছিল? সম্ভাব্য আর কোনো কারণ থাকতে পারে কি?’

ত্বকের এই র‌্যাশ ও বিবর্ণতা অনেক রোগীরই রক্তে ক্লট তৈরি করতে পারে এবং চিকিৎসকরা মহামারী শুরুর পর থেকেই কিছু রোগীর রক্তে অস্বাভাবিকভাবেই ক্লট দেখছেন।

বিশ্বব্যাপী চিকিৎসক ও গবেষকরা কভিড-১৯ রোগীদের ত্বকে র‌্যাশ ওঠার কথা স্বীকার করেছেন। কভিড-১৯ কখনো কখনো আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করে। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির মুখপাত্র ড. সিমাল দেসাই বলেন, প্রদাহের ক্ষেত্রে ত্বক খুবই স্পর্শকাতর।

গত মাসে যুক্তরাজ্যের লন্ডন কিংস কলেজের গবেষকরা ত্বকে কিংবা পায়ের আঙুলে র‌্যাশ ওঠাকে কভিড-১৯-এর অন্যতম উপসর্গ হিসেবে অভিহিত করেন। তারা দেখতে পেয়েছেন, করোনাভাইরাসে পজিটিভ ৮ দশমিক ৮ শতাংশ রোগীরই ত্বকে র‌্যাশ ওঠা ছিল একমাত্র উপসর্গ।

সিএনএন