নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সারা বিশ্বে তীব্র মাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে। একের পর এক দেশ এই ভাইরাসের কারণে সংকটপূর্ণ অবস্থা পার করছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ ভাইরাস মোকাবেলা করতে হলে প্রয়োজন যত বেশিসংখ্যক লোককে পরীক্ষার আওতায় আনা যায় তার চেষ্টা করা। কারণ পরীক্ষার মধ্য দিয়েই এই ভাইরাসের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। সেটি করা সম্ভব হলে আক্রান্ত রোগীকে শনাক্ত করে আলাদা করা যাবে। তবে ভারতের মতো দেশে দুদিনের জন্য বন্ধ করা হয়েছে র্যাপিড টেস্ট কিটের ব্যবহার। মূলত কিটে ত্রুটি থাকায় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ এ পরামর্শ দিয়েছে দেশের সব রাজ্যকে।
এরই মধ্যে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে একটি দল পাঠানো হয়েছে, যাতে ত্রুটিপূর্ণ কিটগুলো শনাক্ত করা যায় এবং তা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠিয়ে দেয়া যায়।
কাউন্সিলের প্রধান রমন আর গঙ্গাখেদকার বলেছেন, পজিটিভ স্যাম্পলগুলোর ফলে অনেক বেশি তারতম্য দেখা যাচ্ছে। যে কারণে তা তদন্ত করে দেখা দরকার। এ তদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কিটগুলো ব্যবহার করা হবে কিনা, তা জানানো হবে।
এর আগে ভারতের একটি রাজ্যের পক্ষ থেকে কিটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যেখানে বলা হয়, কিটগুলো আদৌ সঠিক ফল দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসা যাচ্ছে না। আর তার পরই মূলত কিট পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এর আগে গত সপ্তাহে ভারতে র্যাপিড টেস্টিং কিটের ব্যবহার শুরু হয়। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই কিট কেবল পর্যবেক্ষণের কাজ করবে।
ডসএনএন





