সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্রিটেনে কভিড-১৯ পরীক্ষা করা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। যদিও সরকার বলছে, আগের চেয়ে পরীক্ষা সক্ষমতা এখন বেশি। তাহলে সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে? আগের চেয়ে পরীক্ষার চাহিদা বেড়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেটা কতটা বেড়েছে, তা পরিষ্কার নয়। এটা সঠিকভাবে জানা শক্ত যে কত লোক বুকিং দেয়ার চেষ্টা করেছিল এবং পরীক্ষা করাতে সক্ষম হয়নি।

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া শরত্কালের শুরু থেকেই করোনাভাইরাসের লক্ষণের মতো শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। এটাও দেশটির পরীক্ষা ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে আরেকটি উদ্বেগ হলো প্রাসঙ্গিক লক্ষণ না থাকলেও মানুষ পরীক্ষার জন্য আবেদন করছে। দেশটির স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক দাবি করেছেন, পরীক্ষা করাতে চায় এমন এক-চতুর্থাংশ মানুষের কোনো লক্ষণ নেই। যদিও সংখ্যাটি আনুষ্ঠানিক গণনা নয় বলে পরে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যজুড়ে সোয়াব পরীক্ষা কেন্দ্র ও কর্মীদের কোনো অভাব নেই। তার পরও দেশটির প্রায় ৪০০টি টেস্টিং সেন্টারের মধ্যে একটিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়াও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার বলছে, পরীক্ষার ক্ষমতা আগের চেয়ে বেশি। এটা সত্য। সর্বশেষ পরিসংখ্যানগুলো বলছে, দিনে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজারটি নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস ও অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার ঘটনা দ্রুত বাড়ছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই আগামীতে আরো বেশি মানুষ পরীক্ষার আবেদন করবে। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ডেটা রিসার্চ একটি বিশ্লেষণে সতর্ক করেছে, বার্ষিক কাশি ও জ্বরে ভোগা ৮০ শতাংশ মানুষও যদি পরীক্ষার আবেদন করে তাহলে পরীক্ষা সক্ষমতা ছাড়িয়ে যাবে।

বিবিসি