নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতালিতে আরও এক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে মিলানের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ওই বাংলাদেশী মারা যান। এদিন এই বাংলাদেশীসহ ১৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে ইতালিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৯১১ জন।
করোনায় মৃত প্রবাসী বাংলাদেশীর নাম লোকমান হাওলাদার (৩০)। লোকমান হাওলাদারের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনিতে। দেশে তার স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। মিলানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিক আব্দুল বাসিত দোলই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে করোনাভাইরাসে ইতালিতে ১০ বাংলাদেশীর মৃত্যু হলো। তার মৃত্যুতে ইতালিতে বাংলা কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) ইতালিতে ২ হাজার ৪৫২ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এনিয়ে দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৩৯ জন। যা করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের অর্ধেক।
ইতালির সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪০২ জন। এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ২১ হাজার ২১৬ জন।
এদিকে করোনা লকডাউন শিথিলের পর ইতালিতে দীর্ঘ দুই মাস পর কাজে ফিরেছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। সোমবার (৪ মে) থেকে উৎপাদন শিল্প, নির্মাণ খাত ও পাইকারি দোকান পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ইতালিতে। তবে আগামী ১৮ মে থেকে বাণিজ্যিক কিছু অংশ, প্রদর্শনী, জাদুঘর, প্রশিক্ষণ টিম, ক্রীড়া ক্ষেত্র এবং গ্রন্থাগার খোলার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
লকডাউন শিথিল করা হলেও করোনা প্রতিরোধে দেশটিতে বিধিনিষেধ মেনে চলছে জনজীবন। ঘরের বাহিরে ও গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকল জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
আগামী ১৮ মে থেকে ইতালিতে খুলে দেওয়া হতে পারে মসজিদ, গীর্জা, মন্দিরসহ সকল উপসনালয়গুলো।
ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি থেকে
করোনায় মৃত প্রবাসী বাংলাদেশীর নাম লোকমান হাওলাদার (৩০)। লোকমান হাওলাদারের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনিতে। দেশে তার স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। মিলানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিক আব্দুল বাসিত দোলই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে করোনাভাইরাসে ইতালিতে ১০ বাংলাদেশীর মৃত্যু হলো। তার মৃত্যুতে ইতালিতে বাংলা কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) ইতালিতে ২ হাজার ৪৫২ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এনিয়ে দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৩৯ জন। যা করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের অর্ধেক।
ইতালির সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪০২ জন। এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ২১ হাজার ২১৬ জন।
এদিকে করোনা লকডাউন শিথিলের পর ইতালিতে দীর্ঘ দুই মাস পর কাজে ফিরেছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। সোমবার (৪ মে) থেকে উৎপাদন শিল্প, নির্মাণ খাত ও পাইকারি দোকান পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ইতালিতে। তবে আগামী ১৮ মে থেকে বাণিজ্যিক কিছু অংশ, প্রদর্শনী, জাদুঘর, প্রশিক্ষণ টিম, ক্রীড়া ক্ষেত্র এবং গ্রন্থাগার খোলার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
লকডাউন শিথিল করা হলেও করোনা প্রতিরোধে দেশটিতে বিধিনিষেধ মেনে চলছে জনজীবন। ঘরের বাহিরে ও গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকল জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
আগামী ১৮ মে থেকে ইতালিতে খুলে দেওয়া হতে পারে মসজিদ, গীর্জা, মন্দিরসহ সকল উপসনালয়গুলো।
ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি থেকে





