যুক্তরাজ্য সরকার এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের কভিড-১৯ পরীক্ষা করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। মহামারীর শুরুর দিকে দেশটি প্রতিদিন ১ হাজার পরীক্ষা দিয়ে শুরু করে দ্রুতই সেটা তিন হাজারে উন্নীত করে। যদিও কয়েক সপ্তাহ বেশ ধীরগতিতে চলেছে এ পরীক্ষা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘পরীক্ষা, পরীক্ষা, পরীক্ষা’
মন্ত্রটিকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দেয়া হয়নি।
অনেকের বিশ্বাস, পরীক্ষায় দেরি করা ভয়ানক ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে। যদিও কেয়ার হোমগুলোতে আরো বেশি পরীক্ষার সুযোগ থাকত, তবে আরো বেশি মানুষকে বাঁচানো যেত। স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা আক্রান্ত হয়ে কোনো লক্ষণ ছাড়া অনেক রোগীর মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিয়েছে। সুতরাং পরীক্ষা করে আগেই তাদের আলাদা করতে পারলে তাদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যেত। পরীক্ষার পরিসর বাড়লেও কেয়ার হোমগুলো বলছে, তারা তাদের কর্মী ও বাসিন্দাদের পরীক্ষার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে।
বর্তমানে নতুন লক্ষ্য হলো, লকডাউন শিথিল করার পর পুরো জনসংখ্যার যার প্রয়োজন, তাকেই পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হবে। এটা দ্রুত করার চেষ্টা করতে হবে, যদিও এটা এখনো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এরপর সংক্রমিত ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ করা লোকদের সন্ধান করে দ্রুত আলাদা করে ফেলতে হবে।
যুক্তরাজ্যের সরকার কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ তৈরি করেছে এবং অনুসন্ধানের জন্য ১৮ হাজার সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে এখনো এটা স্পষ্ট নয় যে এগুলো কীভাবে টেস্টিং সিস্টেমের সঙ্গে কাজ করবে। যদি টেস্টিং ও ট্রেসিং ব্যবস্থা কার্যকর না হয় তবে লকডাউন শিথিলের ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ হতে বাধ্য। এক লাখ মানুষকে পরীক্ষার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারলেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখনো আসেনি।
বিবিসি





