কৃষিই কৃষ্টি! কৃষির স্থানান্তরের ইতিহাস কমবেশি সবারই জানা। ব্রিটিশ শাসনামলে কৃষি উৎপাদন খুবই কম ছিল এবং তার প্রধান কারণ ছিল অপর্যাপ্ত উপকরণ ব্যবহার। কৃষকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অপ্রতুলতায় কৃষিতে প্রযুক্তি সুবিধা ছিল না বললেই চলে। এছাড়া কুসংস্কার, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং কৃষিতে স্বল্প বিনিয়োগের ফলে কম উৎপাদন ও খাদ্য ঘাটতি ছিল চরম হতাশার। পাকিস্তান আমলে বড় বড় জোতদারের হাতে বেশির ভাগ কৃষিজমির মালিকানা থাকায় কৃষি উৎপাদন বাড়েনি। ষাটের দশকে পৃথিবীতে সবুজ বিপ্লব শুরু হলেও কেবল উন্নত জাতের কিছু ধান আবাদ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে আধুনিক উপকরণ ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত, সেজন্য দেশে খাদ্য ঘাটতি এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা বিরাজমান ছিল অঙ্গাঙ্গীভাবে। অভাব মোকাবেলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের নিয়ে ভাবতেন। ভাবতেন কীভাবে এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন আনা যায়। তিনি কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১০০ বিঘা জমির বেশি একক মালিকানায় রাখা যাবে না মর্মে আইন প্রণয়ন করে বড় জোত ভেঙে ফেলেন এবং কৃষকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির খাজনা মওকুফের বিধান জারি করেন। শুরু হয় কৃষির রূপান্তরের কার্যকর প্রক্রিয়া। সার, বীজ, সেচ সুবিধা প্রদানের ফলে কৃষক কৃষিকাজে মনোনিবেশ করে। ভর্তুকির ব্যবস্থা করে দেশের কৃষকদেও সহায়তা প্রদান এবং কৃষি বিজ্ঞানীদের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তির আবিষ্কার এবং তা ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করায় দেশের কৃষি দ্রুত অগ্রসর হতে থাকে। ১৯৭১-৭২ সালে ৩০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি থাকলেও ১৯৭২-৭৩ সাল থেকে খাদ্য উৎপাদন উৎসাহিত হতে থাকে এবং তার প্রধান কারণ তত্কালীন কৃষিবান্ধব সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা।

দেশে বর্তমান মোট খামারির সংখ্যা ১ কোটি ৫১ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৩টি, যার মধ্যে ক্ষুদ্র (০.০৫-২.৪৯ একর), মাঝারি (২.৫০-৭.৪৯ একর) ও বড় (৭.৫০+ একর) কৃষি খামারের সংখ্যা যথাক্রমে ১ কোটি ২৮ লাখ ১২ হাজার ৩৭২টি, ২১ লাখ ৩৬ হাজার ৪১৫টি এবং ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬টি। স্বাধীনতার অব্যবহিত সময়ে ১৯৭৭ সালে ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় কৃষি খামারির সংখ্যা ছিল যথাক্রমে প্রায় ২৮ লাখ ৫৭ হাজারটি, ২ লাখ ৬ হাজার ৯০০টি এবং ৫ হাজার ৩০০টি (বিবিএস কৃষি বর্ষগ্রন্থ ১৯৭৯-৮০, পি-৬৯৯)। সময়ের পরিক্রমায় বহুগুণ বেড়েছে ক্ষুদ্র চাষী এবং বর্গাচাষীর সংখ্যা। মূলত যাদের এক একর বা তার কম আবাদযোগ্য জমি রয়েছে তাদেরকে প্রান্তিক চাষী বলা হয়। খামারের আকার বিবেচনায় ক্ষুদ্র চাষীই প্রান্তিক চাষী। বর্তমান সময়ে বর্গাচাষীরা বড় খামারিদের কাছ থেকে নগদ টাকায় ফসলি জমি বর্গা নিয়ে তাতে এমনভাবে তাদের শ্রম নিয়োগ করে, যাতে প্রতি একক জায়গায় সর্বোচ্চ পরিমাণ বীজ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করে উৎপাদন করে সারা বছরের খাবার নিশ্চিত করে। এতে বড় এবং প্রান্তিক কৃষক উভয়েই লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের মোট উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সমস্যা একটাই, প্রান্তিক চাষাবাদে একক উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রের প্রয়োগ বেড়ে যাওয়ায় স্বল্প জমিতে সেগুলো ব্যবহার করতে অসুবিধা হচ্ছে, অর্থাৎ চাষাবাদে যন্ত্র ব্যবহারের অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষি বিজ্ঞানীরা এখন নজর দিচ্ছেন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে। স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা সেবা প্রদানকারীদের (এলএসপি) সহায়তায় প্রান্তিক কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার উৎপাদন বাড়াবে এবং সুপার মার্কেটের প্রসার লাভ করায় ভবিষ্যতে প্রান্তিক কৃষি খামারের একত্রীকরণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

১৯৭২ সালে একজন কৃষি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ছিল ৩ দশমিক ৯০ টাকা, যা ১৯৭৪-৭৫ সালে ছিল ৭ দশমিক ২৪ টাকা (বিবিএস ১৯৮২, পি-৫১১)। তখন এক কেজি মোটা চালের দাম ছিল ৬ দশমিক ২৫ টাকা অর্থাৎ একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দিয়ে এক কেজির বেশি চাল কেনা যেত না। বর্তমানে একজন কৃষি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৪৫৩ টাকা (খাবার ব্যতীত) এবং এক কেজি মোটা চালের দাম ৪২ টাকা অর্থাৎ একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দিয়ে সাড়ে ১০ কেজি চাল কেনা যায়। সময়ের বিবর্তনে শ্রমের দাম অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে (বিবিএস কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০১৯-২০, পি-৫১৭)। কৃষি শ্রমিকের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জোত কৃষি পরিচালনা ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য হওয়ায় প্রান্তিক চাষীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৯৭৭-৭৮ সালে চলতি মূল্যে মোট জিডিপি ছিল ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬৫ মিলিয়ন টাকার এবং জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল ৫৩ শতাংশ (বিবিএস ১৯৮২, পি-৫৩২-৫৩৩)। সত্তর দশকের ওই সময়ে জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল ৭৭ হাজার ৫৭৪ মিলিয়ন টাকা। আর ২০১৮-১৯ সালে চলতি মূল্যে মোট জিডিপি ছিল ২ কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ৮২৬ মিলিয়ন টাকার এবং জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল ১৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, যার অর্থ হচ্ছে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষির অবদান হলো ৩৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৭ মিলিয়ন টাকা। গত ৪১ বছরে কৃষির জিডিপি বেড়েছে মোট ৪৩ দশমিক ৬৬ গুণ। উল্লিখিত তথ্য এটা পরিষ্কার করে যে, সময়ের পরিক্রমায় কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রধান কারণ কৃষির স্থানান্তর এবং কৃষিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

১৯৭২-৭৩ সালে ক্রপিং ইনটেনসিটি ছিল ১৪৪ দশমিক ৯৫, যা ২০১৭-১৮ সালে হয়েছে ১৯৫। ক্রপিং ইনটেনসিটির বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, অপেক্ষাকৃত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা একই জমিতে আগের তুলনায় বেশি ফসল উৎপাদন করছি। এতে কৃষিজমির ব্যবহার উপযোগিতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে শস্যাবর্তন (ক্রপ রোটেশন) এবং শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে ক্রপ ইনটেনসিটি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, যে লক্ষ্যে সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

১৯৭৭ সালে নিজের জমি নিজে আবাদ করত এমন জোতদারের সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৮০০ জন, যা মোট জোতের ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। নিজের জমি অন্যের ব্যবস্থাপনায় আবাদ করত এমন জোতদারের সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৮২ হাজার জন, যা ছিল মোট জোতের ৩৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। নিজস্ব কাম বর্গাচাষীর সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৩০০ জন, যা ছিল মোট জোতের ৩১ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং বর্গাচাষীর সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ জন, যা ছিল মোট জোতের ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ (বিবিএস কৃষি বর্ষগ্রন্থ ১৯৭৯-৮০, পি-৬৯৫)। কৃষিশুমারি ২০০৮ মোতাবেক নিজের জমি নিজে আবাদ করে এমন জোতদারের সংখ্যা ১ কোটি ৮৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮৭ জন (৬৫ দশমিক ২৯ শতাংশ), নিজস্ব কাম বর্গাচাষীর সংখ্যা ছিল ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮২ জন (২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ) এবং বর্গাচাষীর সংখ্যা ছিল ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ৬৯৪ জন, যা মোট জোতের ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। উল্লিখিত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সময়ের বিবর্তনে বর্গাচাষীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। অনেকে এটাকে ভূমিহীন সম্প্রদায়ের বৃদ্ধি হিসেবে দেখতে চাইবে, কিন্তু এটাকে প্রান্তিক চাষীদের এক ধরনের সুযোগ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। জোতদারদের আয় বৃদ্ধি, শিক্ষার প্রসার, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে আগ্রহ বৃদ্ধিতে জোত কৃষি ভেঙে প্রান্তিক কৃষি হবে—এটাই তো স্বাভাবিক।

১৯৭৭-৭৮ সালে একরপ্রতি বোরো ধান চাষাবাদে খরচ হতো ১ হাজার ৭৯০ টাকা আর ফসল বিক্রি থেকে আয় হতো ২ হাজার ৩৩৬ টাকা। অর্থাৎ আয়-ব্যয় অনুপাত ছিল ২.৩ (বিবিএস কৃষি বর্ষগ্রন্থ ১৯৭৯-৮০, পি-৬৫৩), যার অর্থ হলো বোরো ধান উৎপাদনে ১ টাকা খরচ করলে আয় হতো ২.৩ টাকা। বোরো ধান চাষাবাদ সে সময় লাভজনক ছিল। বর্তমানে একরপ্রতি বোরো ধানের উৎপাদন খরচ ৩৮ হাজার ৪৪৫ টাকা আর ফসল বিক্রি থেকে আয় হয় ৪৩ হাজার ৫৪১ টাকা, অর্থাৎ আয়-ব্যয়ের অনুপাত ১.১৩। চলতি ও স্থির খরচ বিবেচনায় ওই অনুপাত হয় শূন্য দশমিক ৮৪ (ব্রি রিপোর্ট, ২০১৯)। যা থেকে সহজেই বোঝা যায়, ধান উৎপাদন কৃষকের জন্য এখন আর লাভজনক নয়। আমাদের দেশের জমি, আবহাওয়া, পানি ধান উৎপাদনে সহায়ক হওয়ায় দীর্ঘদিনের অভ্যাসবশত উৎপাদন কৌশল আয়ত্তে থাকায়, প্রধান খাদ্য হিসেবে ধানের নিজস্ব চাহিদা থাকায় এবং বিকল্প শস্য উৎপাদন সহজবোধ্য না হওয়ায় কৃষকরা ধান চাষাবাদ অব্যাহত রাখছে। ইদানীংকালে ধান চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য বিকল্প শস্য উৎপাদনের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

একটি বিষয় পরিষ্কার, জোত কৃষির পরিবর্তন হওয়ায় কৃষিতে বাণিজ্যিকীকরণ হয়েছে এবং তা অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। জিডিপিতে কৃষির মোট অবদান বেড়েছে, তবে অর্থনীতির অন্যান্য সেক্টরের উন্নয়ন হওয়ায় কৃষির শতাংশিক অবদান কমেছে, যা অর্থনৈতিক বিবেচনায় কাঙ্ক্ষিত। প্রান্তিক কৃষির উৎপাদিকা বেশি, কারণ কৃষক ভাইয়েরা এখন উন্নত বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক, আগাছানাশক এবং বেশি বেশি পরিচর্যা করে এবং উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু করেছে। প্রান্তিক চাষাবাদে কৃষিতে বৈচিত্র্য এসেছে এবং দ্রুত শস্য বহুমুখীকরণ সম্ভব হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট চাষীরা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে পেরেছে, যার মাধ্যমে তাদের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পূর্বের তুলনায় উন্নত জীবনযাপন করতে পারছে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কৃষিতে পরিবর্তন এবং স্থানান্তর প্রয়োজন ছিল, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। কৃষির অবদান বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে কৃষিতে উন্নত প্রযক্তির (আইওটি, বিগ ডাটা, আইসিটি, এআই, ড্রোন, হাড্রোফনিক্স ইত্যাদি) ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। এগুলোর পাশাপাশি কৃষকের প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধা প্রদান, কৃষিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য সরবরাহ সহজপ্রাপ্য করা প্রয়োজন। কৃষিকে কম শিক্ষিত লোকের পেশায় রেখে দিলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ব এতে কোনো সন্দেহ নেই। যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগ্রহী প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুব সমাজকে কৃষিকাজে উৎসাহিত করতে পারলে আজকের কৃষি হবে বাণিজ্যিক কৃষি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের কৃষি। বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবেলার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করতে সমর্থ হবে—এ প্রত্যাশা নিশ্চিতভাবে করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ের দূরদর্শী অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি এগিয়ে যাবে দুর্বারগতিতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে তাদের হাতকে শক্তিশালী করি।

 

ড. মো. সাইদুর রহমান: অধ্যাপক, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ এবং পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়