দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ নারীরা যেভাবে ভূমিকা রেখেছেন তাকে কয়েকটি দিক থেকে দেখা যায়: কৃষি খাতে নারীর অবদান, গ্রামীণ অকৃষি খাতে নারীর অংশগ্রহণ, শিশুদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা, শিল্পায়নে শ্রমের জোগান দিয়ে শিল্প খাতের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে নারীর অবদান, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নানা রকমের সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ। এছাড়া উদ্যোক্তা হিসেবে নারীর আবির্ভাব গ্রামীণ অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমান প্রবন্ধে নানা খাতে গ্রামীণ নারীদের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রম জরিপ ২০১৬-১৭-এর হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের শ্রমবাজারে কর্মে নিয়োজিত ৬ কোটি ৮ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৩১ ভাগ নারী। এ নারীদের ৭৫ ভাগই বাস করে গ্রামে। গ্রামীণ নারীর ৭২.৬ ভাগ আছে কৃষিতে, ১১.৫ ভাগ কাজ করে গ্রামীণ শিল্পে এবং ১৫.৯ ভাগ কাজ করে গ্রামীণ সেবা খাতে। গ্রামাঞ্চলে কৃষিতে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৪৫ ভাগই নারী। কৃষিকাজের নানা পর্যায়ে নারী অবদান রাখা সত্ত্বেও কৃষক হিসেবে নারীর মূল্যায়ন খুব কমই হয়। অথচ দিনে দিনে শস্য কৃষি ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল পালন কৃষির এমন নানা দিকে নারীর অবদান ক্রমাগত বাড়ছে।

কৃষি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বাড়ছে। কৃষির উপখাত যেমন হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন এবং এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রমশই বেশিসংখ্যক নারী সংযুক্ত হচ্ছে। ফলে খাদ্যনিরাপত্তায় নারীর সরাসরি অংশগ্রহণ বাড়ছে। শস্য কৃষিক্ষেত্রে ফসলের বীজ সংরক্ষণ, ফসল তোলা, মাড়াই করা, ফসল সংরক্ষণ ইত্যাদিতে সরাসরি অংশ নেয় নারী। কৃষিঋণের সম্প্রসারণের সাথে সাথে নারীরা বাণিজ্যিক কৃষিতে বেশি বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে। তবে এটাও ঠিক কৃষিতে নারীর অবদানের একটা বড় অংশই অস্বীকৃত। এমনকি জমির মালিকানা না থাকায় কৃষক হিসেবে যে কার্ড দেয়া হয় (সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধার জন্য), তা সাধারণত পুরুষরাই পেয়ে থাকেন।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি থেকে শিল্পনির্ভর কাঠামোর দিকে যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে তার প্রভাব গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ লক্ষণীয়। ফলে কৃষি ছাড়াও অকৃষি খাতে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমশ বেড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জরিপ অনুযায়ী দেশে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের মধ্যে ৬৫ ভাগ গ্রাম এলাকায় আর বাকি ৩৫ ভাগ শহর এলাকায় কাজ করেন। এ ধরনের যত প্রতিষ্ঠানে আছে তাতে কর্মরতদের ২৩ ভাগ হচ্ছে নারী আর ৭৭ ভাগ পুরুষ। স্বাধীনতার পর থেকে পাঁচ দশকে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অকৃষি খাতের গুরুত্ব বাড়ার পাশাপাশি এই খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ কর্মসূচির মূল সুবিধাভোগী নারীরা হওয়ায় অকৃষি খাতে নারীর অংশগ্রহণ অনেক বেড়েছে। আবির্ভূত হয়েছে অনেক মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নীরবে ভূমিকা পালন করে গেছে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে নানা রকম অর্থনৈতিক কর্মে নিয়োজিত নারীরা। গ্রামীণ নারী নিয়োজিত হয়েছে হস্তশিল্পসামগ্রী উৎপাদন ও বিপণনে, নানা রকম কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে, দর্জির কাজ কিংবা কাপড়েরে ব্যবসায়, এমনকি চায়ের স্টল কিংবা মুদি দোকান ইত্যাদি ব্যবসায়ও মেয়েরা অংশ নিচ্ছে। আবার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় মেয়েরা ভূমিকা রাখছে।

গ্রামীণ অনেক নারী বাজারভিত্তিক সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ না নিলেও এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রেখে। শিক্ষাদানে নিয়োজিত হয়েছে বহু শিক্ষিত গ্রামীণ নারী। একইভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তারা অবদান রেখেছে। অন্যদিকে এ দেশের উন্নয়নে সুস্থ-সবল শিক্ষিত নাগরিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গ্রামের নারীরা নীরব ভূমিকা রেখেছে তাদের সন্তানদের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এনে এবং স্কুলে পাঠিয়ে। স্বাস্থ্য খাতে গ্রামীণ নারীদের সচেতনতা বিশেষ করে শিশুদের ঠিকমতো টিকা দেয়ার কারণে দেশে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে তা ভূমিকা রেখেছে। যেখানে ১৯৮০ সালে শিশুমৃত্যুর হার ছিল প্রতি হাজারে ২০৪, তা ২০১৬ সালে এসে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ৩৪ জন।

কন্যাশিশুর জন্য শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি গ্রামীণ নারীদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এই শিক্ষিত নারীরা নিজেদের যেমন নানা অর্থনৈতিক কাজে নিযুক্ত করেছে তেমনি যারা আয়হীন গৃহকর্মে নিযুক্ত থেকেছে তারাও শিক্ষিত হওয়ার কারণে সংসারের আয়-ব্যয়, সঞ্চয়, শিশুদের শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে অবদান রাখতে পেরেছে। তবে গ্রামীণ নারীকে শহরের তুলনায় অনেক বেশি প্রতিবন্ধকতা সহ্য করতে হয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য।

এ দেশের বিভিন্ন এনজিওর কাজে নারী সুবিধাভোগী পছন্দ করার মূল কারণ হলো নারীরা অর্থ কাজে লাগায় ভালোভাবে এবং তারা সঞ্চয় করে বেশি। আবার তারা তাদের খাদ্যের চাহিদা মিটে গেলে যে অর্থ থাকে তা সন্তানের লেখাপড়া ও চিকিৎসায় কাজে লাগায় সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই নীরব বিপ্লবে গ্রামীণ নারী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে নারীরা সরাসরি অংশগ্রহণ করে। গ্রামের রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মেরামত ইত্যাদি কাজে নারীরা অংশ নেয়। তবে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কায়িক পরিশ্রমের কাজে নারী শ্রমিকদের মজুরি পুরুষের তুলনায় অনেক কম।

বিগত দুই দশকে, বিশেষ করে নানা রকম ঋণ সহায়তার সুযোগ তৈরি হওয়ার ফলে গ্রামীণ নারীরা অনেকেই উদ্যোক্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সরকারের রিফাইন্যান্সিং স্কিমের আওতায় গ্রামীণ নারীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি আছে, যা ঋণ প্রদানের মাধ্যমে নারীকে নানা রকম ব্যবসা-বাণিজ্যের উৎসাহ দিচ্ছে। এক্ষেত্রে অবশ্য নারীর উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতে প্রায়ই পুরুষের সহায়তা নিতে হয়। নারীবান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে গ্রামীণ উদ্যোক্তা নারীর ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার আরো বেশি সম্ভব।

বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষা করছে গ্রামীণ নারীর কুটির শিল্পে প্রস্তুত নানা পণ্য। বাঁশ, বেত, কাঠের সামগ্রী কিংবা নকশি কাঁথা থেকে শুরু করে নানা রকম খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুত, চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন—এসব কাজে নিযুক্তদের আয় যেমন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে দেশীয় ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সহায়তা করছে। এসব পণ্যের চাহিদা এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যথেষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এভাবেই কৃষি শিল্প সেবা খাতে সরাসরি অবদান রেখে চলেছে নারীরা। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গ্রামীণ নারীর অংশগ্রহণ যতটা বেড়েছে তার চেয়ে আরো অনেক বেশি বাড়ানো সম্ভব। যেমন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ কর্মসূচির আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেয়ার কথা বলা থাকলেও পারিবারিক ও সামাজিক বাধা এবং দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেক নারী এ সুবিধা নিতে পারেন না। এক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রচার-প্রচারণা ইত্যাদিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণের গুরুত্ব বিশেষভাবে বোঝানো দরকার।

গ্রামীণ নারী কেবল গ্রামীণ শিল্প কিংবা সেবা খাতে অবদান রাখছে তা কিন্তু নয়, শহরাঞ্চলে গড়ে ওঠা নানা শিল্পে বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে শ্রমের জোগান দিচ্ছে গ্রাম থেকে আসা নারীরাই। সত্তরের দশকের শেষভাগ থেকে তৈরি পোশাক খাতের যে উত্থান আমরা লক্ষ করেছি তা মূলত এ দেশের নারী শ্রমিকদের শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত অগ্রগতি। এ দেশের পোশাক খাতে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রায় ৬০ ভাগই নারী। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তৈরি পোশাক খাতে মোট শ্রমিকের ৮০ ভাগ ছিল নারী। এখনো গ্রাম থেকে আসা এই নারী শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমেই বিশ্বে তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে যেসব নারী কাজ করছে তাদের অনেকেরই পরিবারের সদস্য রয়েছে গ্রামে। শহরে কর্মরত এসব নারী শ্রমিকের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ প্রবাহিত হচ্ছে শহর থেকে গ্রামীণ অর্থনীতিতে। এভাবে গ্রামীণ নারী শহরে অবস্থান করে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে সহায়তা করছে।

তৈরি পোশাক ছাড়াও শহরাঞ্চলের আরো বিভিন্ন রকম শিল্প যেমন ইলেকট্রনিক শিল্প, প্লাস্টিক শিল্প, চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন ইত্যাদি বিভিন্ন কলকারখানায় গ্রাম থেকে শহরে এসে অংশ নিচ্ছে বিপুলসংখ্যক নারী। আবার শহরের সেবা খাতেও গ্রামীণ নারীর অংশগ্রহণ সুস্পষ্ট। যেমন বিউটি পার্লারের নারী শ্রমিকদের বড় অংশই গ্রাম থেকে শহরে এসে কাজ করছে। কিংবা শহরের বিভিন্ন গৃহে গৃহকর্মী হিসেবে মজুরির বিনিময়ে কাজ করে গ্রাম থেকে আসা নারীরাই।

দেশের অর্থনীতিতে গ্রামীণ নারীদের অবদান ব্যাপক হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লক্ষ করব, নারী তার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিজের ইচ্ছায় পূর্ণাঙ্গভাবে করতে পারে না। ধর্মীয় রক্ষণশীলতা, নিরাপত্তার অভাব, নারীবান্ধব অবকাঠামোর অভাব নারীকে প্রতিনিয়ত অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত হওয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। আবার পশ্চাত্পদ এলাকা যেমন—চরাঞ্চল, হাওড় কিংবা পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত নারীরা এখনো রয়েছে অনেক পিছিয়ে। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা যেসব এলাকায় আছে সেখানেও কৃষি খাতে নারীর অবদান অনেক থাকলেও অকৃষি খাতে তাদের অগ্রযাত্রা খুবই সীমাবদ্ধ। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনীতিতে গ্রামীণ নারীরা যে অবদান রেখেছে তা গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত শক্ত করতে যেমন সাহায্য করেছে, তেমনি তৈরি পোশাকসহ শিল্প খাতের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত ওরে সার্বিকভাবে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ নারীর যে অবদানগুলোর কথা অতি সংক্ষেপে ওপরে উল্লেখ করা হলো তা নিম্নলিখিতভাবে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রভাবিত করছে। প্রথমত, মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ নারীরা অবদান রাখছেন শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে তারা সরাসরি কাজে অংশ নিয়ে সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে। তৃতীয়ত, দেশের প্রধান রফতানি পণ্যসহ অন্যান্য বিভিন্ন শিল্পের প্রয়োজনে শ্রমের জোগান দিয়েছে গ্রামীণ নারীরা। তাতে শিল্পোৎপাদন বেড়েছে, কর্মসংস্থান ও মাথাপিছু আয় বেড়েছে। চতুর্থত, ক্ষুদ্র ঋণ প্রোগ্রামের আওতায় গ্রামের নারীরা ঋণ নিয়ে নানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সংযুক্ত হয়েছে, আবার এসব কর্মসূচির আওতায় সঞ্চয় করে দেশের মোট সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। সর্বোপরি গ্রামীণ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি দেশের সার্বিক উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছে।

বাংলাদেশের অত্যাশ্চর্য উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অনুঘটক আসলে নারী। একটু ভেবে দেখলেই আমরা বুঝব বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের নারী বিশেষ করে গ্রামীণ নারী কী করে এ দেশের উন্নয়নের ভিতকে শক্ত করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এ দেশের আগামী দিনের উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন তাদের অধিকার সংরক্ষণ ও সুযোগ বাড়ানোয় বেশি বেশি মনোযোগ দিতে হবে।


ড. নাজনীন আহমেদ: বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো