প্রযুক্তির উত্কর্ষে মানুষের জীবনযাত্রা হয়েছে অনেক উন্নত ও আধুনিক। সেই সঙ্গে বেড়েছে কর্মব্যস্ততাও। এছাড়া প্রাত্যহিক জীবন হয়েছে অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর। দেড় যুগ আগেও ফ্রিজ, টিভি, মোবাইল ফোনের মতো প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহার বিলাসিতা মনে করা হতো। কিন্তু এ আধুনিক যুগে এসব আর বিলাসী পণ্য নয়, বরং অত্যাবশ্যকীয়। বর্তমানে মোবাইল ফোন যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যাংকিং লেনদেন, সরকারের ইউটিলিটি বিল পরিশোধসহ মানুষের অসংখ্য জরুরি সেবাধর্মী কাজকে অনেক সহজ করেছে। মানুষ এখন মোবাইল ফোন ছাড়া এক মুহূর্তও চলার কথা ভাবতে পারে না। এদিকে কর্মজীবীদের জন্য প্রতিদিন পরিবারের বাজার করা ও প্রতি বেলায় খাবার রান্না করাও খুবই কষ্টসাধ্য ও ঝামেলাপূর্ণ। এসব থেকে মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে ফ্রিজ। মানুষ এখন পুরো সপ্তাহের বাজার একসঙ্গে করে সহজেই ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারছে। কর্মব্যস্ত গৃহিণীর রান্নাবান্নার কাজও সহজ করেছে। এদিকে কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন সাংসারিক জীবনে বিনোদন উপভোগের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে টেলিভিশন। মোদ্দা কথা, এ আধুনিক যুগে ফ্রিজ, টিভির মতো ইলেকট্রনিক পণ্য বিলাসী নয়, বরং খুবই জরুরি পণ্য।

গত দেড় দশকে বাংলাদেশে ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার বা এসি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডারসহ বিভিন্ন হোম ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বেড়েছে কয়েক গুণ। দেড় যুগ আগেও এসব ছিল বিলাসী পণ্য। সে সময় রাজধানী ঢাকা ও জেলা শহরগুলোর হাতে গোনা খুব কম বাসাবাড়িতে ফ্রিজ, টিভি ব্যবহার করতে দেখা যেত। তখন দেশের ইলেকট্রনিক পণ্যের বাজারও ছিল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। একচেটিয়া আধিপত্য ছিল আমদানিকারকদের। ফলে ফ্রিজের দামও ছিল সাধারণ শ্রেণী, পেশা ও আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তবে ওয়ালটন ২০০৮ সাল থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফ্রিজ উৎপাদন শুরুর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই আমদানিনির্ভর সেই বাজারের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। সাশ্রয়ী দামে উচ্চপ্রযুক্তির গুণগতমানের পণ্য তৈরি করে ওয়ালটন অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রাহকদের আস্থা জয় করে নেয়। সেই সঙ্গে হয়ে ওঠে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক জায়ান্ট। এক দশক আগে দেশের বাজারে বছরে ফ্রিজ বিক্রি হতো প্রায় ১০ লাখ। যা এখন দ্বিগুণেরও বেশি। গত বছর দেশে ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ২৭ লাখ। এর মধ্যে ওয়ালটন ২০ লাখেরও অধিক ফ্রিজ বিক্রি করেছে।
গত এক দশকে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে কয়েক গুণ। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসেই রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে রেমিট্যান্সকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সেই সঙ্গে দেশে বিদ্যুতায়িত এলাকার পরিধি বেড়েছে বহুগুণে। গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নও হয়েছে ব্যাপক হারে। এখন গ্রামে মাটির রাস্তা দেখা যায় না বললেই চলে। ফলে একসময়ের শুধু কৃষিনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্রও বদলেছে ত্বরিত গতিতে। গ্রামে এখন নতুন নতুন অনেক ব্যবসায়িক খাত তৈরি হয়েছে। আর বিদেশে গিয়ে কাজ করছেন আগের চেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ। তারা দেশে পাঠাচ্ছেন বিশাল অংকের রেমিট্যান্স। সব মিলিয়ে জাতীয় অর্থনীতির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও বেড়েছে অর্থের ব্যাপক প্রবাহ। গ্রামীণ মানুষের রুচি, পছন্দ, অভ্যাস ও চাহিদার ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সেই সঙ্গে জীবনযাত্রার মানও হয়েছে উন্নত। পাশাপাশি দেশের মানুষের দেশীয় পণ্যের প্রতি আস্থাও এ পণ্য দুটির ব্যবহার বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা নিয়েছে। গত কয়েক দশকের ব্যবধানে দেশের ইলেকট্রনিকস বাজারে আমদানিনির্ভরতা থেকে দেশেই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে ভোক্তাদের দেশীয় পণ্যের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস না থাকলে বাজার সম্প্রসারিত হতো না। আর গ্রামের মানুষের কাছে এ পণ্য দুটি পৌঁছাতে কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে কিস্তি সুবিধা। এককালীন একটি বড় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে এ কিস্তি সুবিধা বেশ কার্যকর ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে। ফলে মানুষ তার প্রয়োজনীয়তা মেটাতে এ পণ্য দুটি কিনছে। তাই তো ওয়ালটনের মতো দেশীয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি উচ্চ গুণগত মানের বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য অনেক সহজলভ্য হওয়ায় গ্রামাঞ্চলে ফ্রিজ, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এখন গ্রামের প্রত্যেকের হাতে আছে মোবাইল ফোন। বিশেষ করে, ওয়ালটন ও অন্যান্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোন সাশ্রয়ী দামে পাওয়ায় গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে অনেক গুণ। আর এ স্মার্টফোনের মাধ্যমে তাদের হাতেও পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট সেবা। স্মার্টফোন সহজলভ্য হওয়ায় করোনা মহামারীর সময়েও শহর ও গ্রামের সব শিক্ষার্থীই অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রায় ৯৩ শতাংশ পরিবার এখন বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। ফলে বিদ্যুৎ সুবিধার বৃদ্ধি এবং মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে ইলেকট্রনিক দ্রব্যের চাহিদা বেড়েছে। ফলে ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবারে টেলিভিশন আছে। এর মধ্যে গ্রামে প্রায় ৪০ শতাংশ পরিবারে টেলিভিশন রয়েছে, যা শহরে প্রায় ৭৪ শতাংশ। অন্যদিকে দেশের প্রায় ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবারে রেফ্রিজারেটরের ব্যবহার রয়েছে। এর মধ্যে গ্রামের প্রায় ২৮ শতাংশ এবং শহরের প্রায় ৫৮ শতাংশ পরিবারে রেফ্রিজারেটরের ব্যবহার রয়েছে।
গ্রামীণ মানুষের আয়ের উেসর ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। কৃষি খাতের গুরুত্ব হারিয়ে এখন অকৃষি খাত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে গ্রামীণ পরিবারের আয়ে। গ্রামীণ পরিবারগুলোতে আর্থিক সংগতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিবিএসের ‘রিপোর্ট অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল স্ট্যাটিসটিকস ২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশের গ্রামীণ পরিবারের বার্ষিক আয় এখন প্রায় ২ লাখ ২ হাজার ৭২৪ টাকা। ফলে প্রতি মাসে আয় প্রায় ১৬ হাজার ৮৯৩ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাত থেকে ৩৮ দশমিক ২১ শতাংশ ও অকৃষি খাত থেকে প্রায় ৬১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অকৃষি খাতের অবদান বৃদ্ধির পেছনে বড় অবদান রেখেছে রেমিট্যান্স। এ খাতটির মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলোতে আর্থিক সংগতি ও একসঙ্গে বড় অংকের টাকার সংস্থান হচ্ছে। টেলিভিশন কিংবা রেফ্রিজারেটর বা ইলেকট্রনিক পণ্য কিনতে হলে এককালীন একটি বড় অংকের টাকা প্রয়োজন হয়। সেই টাকার সংস্থানে রেমিট্যান্স এক ধরনের ভূমিকা নিচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ইএমআই বা কিস্তি সুবিধার কারণে মানুষের পক্ষে পণ্য কেনা সহজলভ্য হয়েছে।

বাংলাদেশে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক মানের একমাত্র কম্প্রেসর কারখানা স্থাপন করেছে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫তম এবং এশিয়ার অষ্টম কম্প্রেসর উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ওয়ালটন জার্মান প্রযুক্তিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির কম্প্রেসর ও এর আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ তৈরি করছে। এসব কম্প্রেসর ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ ইরাক, তুরস্ক, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রফতানিও করছে। এছাড়া ওয়ালটন বাংলাদেশে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, লিফট বা এলিভেটর তৈরির পূর্ণাঙ্গ কারখানা স্থাপন করেছে। তৈরি করছে আন্তর্জাতিক মানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার, এলইডি ও স্মার্ট টিভি, এয়ার কন্ডিশনার, লিফট, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটারসহ অসংখ্য উচ্চপ্রযুক্তির পণ্য। বানাচ্ছে মাদারবোর্ডও। স্থাপন করেছে দেশের সর্ববৃহৎ আরএনডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) সেন্টার। ওয়ালটন শুধু এ খাতের কয়েক হাজার কোটি টাকার আমদানি ব্যয়ই কমায়নি; দেশে দ্রুত অগ্রসরমান ও সম্ভাবনাময় এক নতুন শিল্প খাতেরও বিকাশ ঘটিয়েছে। পাশাপাশি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত পণ্য রফতানি করছে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে। আয় করছে বিশাল অংকের বৈদেশিক মুদ্রা। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি করছে আরো উজ্জ্বল।

ওয়ালটন দেশে আমদানি বিকল্প ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক ও আইসিটি পণ্য উৎপাদন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় বাংলাদেশ আজ এ খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পণ্য উৎপাদনে ওয়ালটনের মূলনীতি হচ্ছে ‘ফিট ফর অল’। অর্থাৎ ওয়ালটন সব শ্রেণী, পেশা ও আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে সাশ্রয়ী দামে স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চমানের ফ্রিজ, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। দেশে তৈরি এসব প্রযুক্তি পণ্যের সুফল গ্রামের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গ্রামের ৩০-৪০ জন ক্রেতার একটি গ্রুপ করে মাসিক সহজ কিস্তি সুবিধায়ও পণ্য বিক্রি করছে ওয়ালটন প্লাজা। যা ওয়ালটনের নিজস্ব সেলস আউটলেট। সারা দেশে ওয়ালটন প্লাজা আছে প্রায় ৪০০টি। তাই এখন শুধু শহরাঞ্চলেই নয়, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামেও ঘরে ঘরে ফ্রিজ, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য ব্যবহার হচ্ছে। গ্রামের ছোট চায়ের দোকানে বসেও মানুষ এখন এলইডি টিভি দেখছেন ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানীযর আস্বাদ নিচ্ছেন।

প্রযুক্তির উত্কর্ষ সাধিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে ফ্রিজ, টিভি, এসির মতো ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি পরিবর্তিত হচ্ছে অতিদ্রুতই। প্রযুক্তির উত্কর্ষের সঙ্গে ক্রেতার অভ্যাস, রুচি, পছন্দ ও চাহিদা পরিবর্তিত হচ্ছে। এখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের হাতে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে যাওয়ার ফলে তারা এখন ইলেকট্রনিক পণ্যের লেটেস্ট প্রযুক্তি সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। আর তাই প্রযুক্তির এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন লাইনে সর্বাধুনিক মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি সংযোজন করে যুগোপযোগী পণ্য তৈরি করা এ শিল্পের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অনেকেই। অবশ্য ওয়ালটন এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে না। কেননা দেড় যুগ আগেই ওয়ালটন এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। মেধাবী ও দক্ষ প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে ওয়ালটনের রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ। ফলে প্রযুক্তির উত্কর্ষের সঙ্গে সহজেই তাল মিলিয়ে ক্রেতাদের হাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উচ্চ গুণগতমানের যুগোপযোগী পণ্য তুলে দিচ্ছে ওয়ালটন। বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ওয়ালটন পণ্য পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে পূরণ হয়ে গিয়েছে। এবার ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সেরা পাঁচটি গ্লোবাল ইলেকট্রনিক ব্র্যান্ডের তালিকায় উঠে আসার চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন।

ভোক্তা হচ্ছে পণ্যের প্রাণ। তাই ভোক্তার রুচি, পছন্দ, অভ্যাস ও চাহিদাকে অবশ্যই সম্মানের সঙ্গে প্রাধান্য দিতে হবে। ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় তারা কী ও কেমন মানের পণ্য চাচ্ছে এবং কত দামে ওই পণ্যটি কিনতে আগ্রহী এসব বিষয় বুঝতে হবে। বিশেষ করে ফ্রিজ, টিভি, এসির মতো প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারীদের এসব দিক বিবেচনা করেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে। কেননা প্রযুক্তিপণ্যের ভোক্তারা তুলনামূলক বেশি সচেতন। ইলেকট্রনিক খাতের বেশির ভাগ ক্রেতাই পণ্য কেনার আগে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের প্রযুক্তি, গুণগতমান, বিক্রয়োত্তর সেবা ও দাম যাচাই করে থাকেন। তারা সাশ্রয়ী দামে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও আধুনিক ডিজাইনের ভালো মানের পণ্য দিচ্ছে এমন ব্র্যান্ডকেই বেছে নেন। ওয়ালটন শুরু থেকেই ভোক্তার এসব চাহিদা সুনিপুণভাবে পূরণ করে আসছে। ওয়ালটন সাশ্রয়ী দামে উচ্চ গুণগতমানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের অসংখ্য মডেলের পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার পাশাপাশি দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে অল্প সময়ের মধ্যেই ভোক্তাদের মন ও আস্থা জয় করে নিয়েছে। অর্জন করে নিয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক বাজারের শীর্ষস্থান।

মো. হুমায়ুন কবীর: নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড চিফ কো-অর্ডিনেটর, মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্ট 

ওয়ালটন গ্রুপ