বদরুদ্দীন উমর উপমহাদেশের অন্যতম মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ ও রাজনীতিক। তিনি ১৯৩১ সালের ২০ ডিসেম্বর বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর করার পর উমর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি ও সংস্কৃতি পত্রিকার সম্পাদক। দেশভাগ, পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি নিয়ে তিনি বিপুল পরিমাণ গবেষণামূলক প্রবন্ধ, ও গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার তিন খণ্ডের গবেষণা গ্রন্থ ‘পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’ এ দেশের রাজনৈতিক সাহিত্যে স্মরণীয় একটি গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। ভাষা আন্দোলনে সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকার ভূমিকা নিয়ে তার মূল্যায়ন শুনেছেন আনিকা মাহজাবিন

ভাষা আন্দোলনে সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকার ভূমিকাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

তৎকালীন সময়ে তমদ্দুন মজলিস নামে যে ইসলামী সংগঠনটি ছিল, ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। শুধু ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলাটা যথেষ্ট নয়, কারণ ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিল তমদ্দুন মজলিস। তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগেই তখন রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল।

আজাদী ও আরো দু-একটি পত্রিকা ছাড়া এ আন্দোলনের পক্ষে তখন সংবাদমাধ্যমে বড় কোনো সমর্থন ছিল না। তমদ্দুন মজলিসের পত্রিকা ছিল ‘সাপ্তাহিক সৈনিক’। এ পত্রিকার ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল তখন। এ পত্রিকায় শুধু যে ভাষা আন্দোলনসংক্রান্ত প্রতিবেদনই ছাপা হতো, তা নয়; দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েই এতে বিস্তারিত প্রতিবেদন ছাপা হতো। যেমন ’৪৮-এর পর ১৯৫০ বা ১৯৫১ সালে সারা দেশে যে খাদ্যের অভাব ছিল, বিশেষ করে ১৯৪৯ সালে যে দুর্ভিক্ষের অবস্থা ছিল, সেসব নিয়ে খুবই মূল্যবান প্রতিবেদন সাপ্তাহিক সৈনিকে ছাপা হতো। সাপ্তাহিক সৈনিক যতটা গুরুত্বের সঙ্গে এসব প্রতিবেদন ছাপাত, সেভাবে অন্য কোনো পত্রিকায় হতো না। শুধু একটি ব্যতিক্রম ছিল সিলেট থেকে প্রকাশিত মাহমুদ আলী সম্পাদিত পত্রিকা ‘নও-বেলাল’।

নও-বেলাল কোনো সংগঠনের মুখপত্র ছিল না। মাহমুদ আলী একসময় ছিলেন আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সেক্রেটারি, পরে তিনি ন্যাপের সভাপতি হয়েছিলেন। ১৯৪৮ থেকে ‘৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনে সাপ্তাহিক সৈনিক ও সাপ্তাহিক নও-বেলাল পত্রিকা দুটো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আমার দিক থেকে আমি বলতে পারি, এ দুই পত্রিকা যদি হাতে না পেতাম তাহলে ভাষা আন্দোলন নিয়ে পরবর্তী সময়ে যে কাজ করেছি, সেটা অপূর্ণ থেকে যেত। কাজেই বলা যেতে পারে, এ দুই পত্রিকা আমার কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক হয়েছিল।

সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন শাহেদ আলী। শাহেদ আলী অল্প বয়সে একজন সাহিত্যিক হিসেবে কিছুটা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ছোট গল্প লিখতেন। তার ‘জিবরাইলের ডানা’ নামে একটি বিখ্যাত গল্প আছে। একটা বইও আছে ছোট গল্পের ‘জিবরাইলের ডানা’ নামে। তিনি পড়াশোনা করা ব্যক্তি ছিলেন, লেখার হাতও ভালো ছিল। তিনি একজন সংগঠকও ছিলেন। তার নিজের এলাকা ছিল সিলেটের সুনামগঞ্জ। নিজের এলাকায়ও তার যথেষ্ট প্রভাব ছিল। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহেদ আলী। সেদিক থেকে বলা চলে, উনি একজন ভালো রাজনীতিবিদও ছিলেন। খুব বেশি লেখালেখি তিনি করেননি কিন্তু যেটুকু করেছিলেন, সেটুকু যথেষ্ট কাজে এসেছিল তখনকার দিনে। তবে এখানে বলা দরকার, শাহেদ আলী পরের দিকে সৈনিকের সম্পাদকের পদ ত্যাগ করেছিলেন। তারপর সৈনিকের সম্পাদক হয়েছিলেন আবদুল গফুর। তিনিও তমদ্দুন মজলিসের একজন নেতা ছিলেন। তমদ্দুন মজলিসের তিনজন নেতা ছিলেন। আরেকজন আবুল কাসেম সাহেব। তিনি ছিলেন প্রধান ব্যক্তি। শাহেদ আলীর পর আবদুল গফুর সৈনিকের সম্পাদক হয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে যখন ভাষা আন্দোলন হয়, আমার মনে হয় তখনই আবদুল গফুর সম্পাদক ছিলেন। তারা দুজনেই যোগ্যতার সঙ্গে এ পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন।

তবে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে ১৯৪৮ সালে তমদ্দুন মজলিসের যে ভূমিকা ছিল, ’৫২ সালে ততখানি ছিল না। কারণ ১৯৪৮ সালে আওয়ামী লীগ ছিল না, অন্য কোনো দলও সংগঠিত ছিল না। সংগঠিত দলের মধ্যে তখন একমাত্র তমদ্দুন মজলিসই ছিল। এ কারণে তাদের ভূমিকা তখন উল্লেখযোগ্য ছিল। কিন্তু ’৫২ সালে যখন আন্দোলন হলো তখন আওয়ামী লীগ একটা সংগঠন হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ভাষা আন্দোলনে তাদের খুব বড় ভূমিকা না থাকলেও একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা ছিল। তাদের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল তখন যুবলীগ। তারা কমিউনিস্ট পার্টি দ্বারা বেশ প্রভাবিত ছিল। যুবলীগের যারা নেতা ছিলেন, তারা সবাই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বলা যায়, যারা সংগঠিত দল ছিল, যুবলীগ তখন তাদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যদিও এটা বলা যাবে না যে কোনো একটা দল বা কোনো একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের পরিচালক বা স্রষ্টা ছিল কিংবা একদম নেতৃস্থানে ছিল। কিন্তু তুলনামূলকভাবে বলতে হলে যুবলীগ সে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন যুবলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অলি আহাদ।

১৯৫২ সালে তাদের নিজেদের কোনো পত্রিকা ছিল না, কিন্তু এ দুই পত্রিকা সৈনিক এবং নও-বেলাল ভাষা আন্দোলনে খুব জোর সমর্থন করেছিল। ভাষা আন্দোলনের পরে তমদ্দুন মজলিসের সাংগঠনিকভাবে ভূমিকা কমে এলেও সৈনিক পত্রিকার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’ ৪৮ সালে যেমন ছিল, ’৫২ সালেও তেমনি ছিল। কাজেই বলা যেতে পারে, এ দুই পত্রিকা সাপ্তাহিক হলেও ভাষা আন্দোলনে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সৈনিকের সঙ্গে সঙ্গে আমি যে নও-বেলালের কথা বলছি, এটা বলা দরকার। কারণ এ পত্রিকা একটা মফস্বল থেকে বের হতো। কিন্তু এর ভূমিকা সে সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটা একটা সাপ্তাহিক, জাতীয় পত্রিকার মতো বের হতো। এ পত্রিকাকে উপেক্ষা করার মতো কিছু নেই। কিন্তু এটার কথা কেউ বলে না। কারণ সেটা তো তখনকার দিনে কোনো সাংগঠনিক পত্রিকা ছিল না। সৈনিকের তুলনায় হয়তো কিছুটা কম ছিল, কিন্তু নও-বেলাল গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং তথ্যের দিক থেকে খুবই সমৃদ্ধ ছিল। যেটা আমি বললাম, আমি ভাষা আন্দোলনের ওপর বই লেখার তথ্যের ক্ষেত্রে সৈনিক থেকে যেমন, নও-বেলালের থেকেও তেমনই খুব বড় রকম সাহায্য পেয়েছিলাম।

সাপ্তাহিক সৈনিকে তো আপনিও লিখেছেন...

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় আমার চিন্তা অন্য রকম ছিল। তখন আমি একজন ইসলামপন্থী ছিলাম এবং সেজন্যই আমি তমদ্দুন মজলিসের সদস্য হয়েছিলাম। যদিও আমি সদস্য হিসেবে খুব একটা সক্রিয় ছিলাম না, কিন্তু তাদের সঙ্গে আমি ছিলাম। সে সময় আমি লেখালেখিও করতাম। কিন্তু সেগুলো সব ওই ইসলামপন্থী লেখাই ছিল। ভাষা আন্দোলনের সময়ে সৈনিকে কিছু লিখিনি। দু-একটা প্রবন্ধ ছিল, কিন্তু তার সঙ্গে এসব আন্দোলনের সম্পর্ক ছিল না। আসলে ১৯৫৪ সালে আমার চিন্তার পরিবর্তন হলো। বিশ্বাস চলে যাওয়ার পর অনেকদিন আমি কিছু লিখিনি। ফিলোসফি কনফারেন্সে গেলে লিখতাম কিছুটা, কিন্তু সেগুলো তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। আমি তারপর অনেকদিন বিরতি দিয়ে ১৯৬৩ সালে আবার লিখতে শুরু করলাম। ‘সাম্প্রদায়িকতা’ লিখলাম। আমি বলেছি এ সাম্প্রদায়িকতা লেখা থেকে আমার লেখকজীবনের আসলে শুরু। এর আগে যত লেখা আমার হয়েছে ’৬৩ সালের আগ পর্যন্ত আবোল-তাবোল হিসেবে সবই বাতিল করা হলো।

ভাষা আন্দোলনের সময়ে যেটা সবাই জানে যে তারা সরকারের বিরোধিতা করেছিল। আসলে কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার এর বিরোধী ছিল। তারা তো শুধু উর্দুকে করতে চেয়েছিল রাষ্ট্রভাষা। যেহেতু এখানকার প্রাদেশিক সরকারের নিজের কোনো মেরুদণ্ড ছিল না আর সবই ছিল কেন্দ্রের অধীনস্থ এবং পা চাটা, তারাও কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিরোধিতা করেছিল। আন্দোলনে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল, ব্যাপকভাবে গ্রেফতার করেছিল। তবে ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখার জন্য কোনো লেখককে শাস্তি দিয়েছিল, এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই। একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে পাকিস্তান অবজারভারের সম্পাদকের ক্ষেত্রে। আন্দোলনের প্রথম দিকে খাজা নাজিমউদ্দীন এসে পল্টন ময়দানে বক্তৃতা করার পরে ভাষা আন্দোলন শুরু হলো। তখন পাকিস্তান অবজারভারের সম্পাদক ছিলেন আবদুস সালাম সাহেব। তিনি এক স্টুপিড সম্পাদকীয় লিখেছিলেন, সে সম্পাদকীয় লিখে ইসলামের খলিফা হজরত ওসমানের সঙ্গে নাজিমউদ্দীনের তুলনা-টুলনা করে ইত্যাদি বলেছিলেন। এটা প্রকাশিত হওয়ার পরে মুসলিম লীগ মহল বিবৃতি দিতে শুরু করল সব—‘এই পত্রিকা ব্যান করো’। কাজেই দু-একদিনের মধ্যেই সরকার পাকিস্তান অবজারভারকে ব্যান করেছিল।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রকাশের জন্য সংবাদপত্র কিংবা লেখকদের উপর নিপীড়ন হয়েছিল কেমন?

সংবাদপত্রের ওপর অনেক অত্যাচার হয়েছে ভাষা আন্দোলনে, কিন্তু লেখার জন্য কোনো লেখককে তারা ধরেছে বা কোনো নির্যাতন করেছে বলে আমার জানা নেই।

ভাষা আন্দোলনের সময়টাতে দেখা না গেলেও মোনেম খান যখন আইয়ুব খানের গভর্নর ছিল এখানে, তখন লেখালেখির ক্ষেত্রে সে খড়্গহস্ত ছিল। আমি নিজে তার ভিকটিম। তবে এটাও বলা দরকার সে সময় লেখালেখি সেভাবে কেউ করেনি। আমি ছাড়া কেউ করেনি। এ দেশের স্বাধীনতা, আন্দোলন নিয়ে অনেক রকম কথা হয় কিন্তু এ কথা কেউ বলে না। ওই সময় পাকিস্তান সরকারের যে শাসন ও সাংস্কৃতিক লাইন, আমিই তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম। লেখালেখি করেছিলাম। সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অনেক প্রবন্ধ লিখেছি। এগুলো তিনটে বইয়ের মধ্যে আছে। সে কারণে মোনেম খান আমার ওপর খড়্গহস্ত ছিল। কারো বিরুদ্ধে তার কোনো ক্ষোভ ছিল না। একমাত্র আমার বিরুদ্ধে ছিল। সে সময় ভাইস চ্যান্সেলরকে চাপ দিয়ে অনেক কিছু করার চেষ্টা করেছে কিন্তু করতে পারেনি, কারণ ভাইস চ্যান্সেলর শামসুল হক আমার চাকরি খেতে রাজি ছিলেন না। তখন মোনেম খান বলল, আমি নাকি ভারতের এজেন্ট। রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। শামসুল হক তাকে বলেছিলেন যে এ রকম কিছু হলে তাকে সেফটি অ্যাক্টে ধরুন। ইউনিভার্সিটিতে কোনো আইন নেই যে লেখালেখির জন্য কাউকে ধরা হবে।

সে সময় মোনেম খান আমার ওপর বিরূপ হয়ে এমন সব কাজ শুরু করল যে আমি নিজেই বিরক্ত হয়ে চাকরি ছেড়ে দিলাম। এটা ১৯৬৮ সালের কথা। এ রকম কোনো কিছু ’৫২ সালে ছিল না। তবে মোনেম খানের সময় হয়েছিল। আরেকটা কথা বলা দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিকসের অধ্যাপক আবু মাহমুদের ওপরও হামলা করেছিল মোনেম খান। আমি অনেক বড় পরিসরে কাজ করেছিলাম। ওনারা ততটা করেননি। আবার আবদুর রাজ্জাক সাহেব লেখালেখি না করলেও কথা বলতেন। তার ওপরও বিরূপ ছিল মোনেম খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ দুই শিক্ষকের ওপর মোনেমের রাগ ছিল। রাজ্জাক সাহেবের চাকরি খেয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরকে দিয়ে আর এনএসএফের (ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফেডারেশন) ছেলেদের দিয়ে আবু মাহমুদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। তারপর ডক্টর অধ্যাপক আবু মাহমুদের নিজেই রিজাইন দিয়ে চলে যান। এ তিনজনের মাঝে সবচেয়ে বিখ্যাত কেস ছিল আমার। অনেকভাবে নির্যাতন করেছিল। এ রকম কিছু ’৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় মুসলিম লীগ সরকার করেনি।