আলীহোসাইন আকবরআলী। নেতৃত্বে আছেন দেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলসের (বিএসআরএম) চেয়ারম্যান হিসেবে। ১৯৭২ সালে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি শেষ করার পর বিদেশে উচ্চবেতনের চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তার বাবা আকবরআলী আফ্রিকাওয়ালার পরামর্শেই। ১৯৭৭ সালে হাল ধরেছেন ইস্পাত খাতে নিজের পারিবারিক ব্যবসার। কারখানায় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের পর ১৯৮৫ সালের মধ্যে পুরো দায়িত্বভার তার হাতে তুলে দেন বাবা। এ শুরুটা একটা প্রতিষ্ঠানেরই পরিবর্তন আনেনি, বরং বদলে দিয়েছে দেশে ইস্পাত খাতের দিকপ্রকৃতি। ইউরোপ থেকে যন্ত্রপাতি এনে ১৯৮৭ সালেই দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশক্তির ৬০ গ্রেড রড তৈরির পদক্ষেপটি তারই নেয়া। আর এভাবেই প্রায় ৪৪ বছর নিজের মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে একের পর এক পরিবর্তন এনে সমৃদ্ধ করেছেন দেশের ইস্পাত খাতকে। শীর্ষ লৌহ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুগের পর যুগ ভারী শিল্প খাতের নেতৃত্ব দিয়ে আসার এই পথপরিক্রমার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রাশেদ এইচ চৌধুরী

ইস্পাত খাতের কোনো প্রতিষ্ঠানের কথা বলতে গেলে প্রথমেই নামটি আসে বিএসআরএমের। শুরুর গল্পটি শুনতে চাই।

শুরুটা ১৯৫২ সালে নাসিরাবাদে রড তৈরির কারখানা ‘ইস্ট বেঙ্গল রি-রোলিং মিলস’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। তখন থেকেই এটি অবদান রেখেছে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নির্মাণ শিল্প ও এর প্রবৃদ্ধিতে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর শিল্পকে জাতীয়করণ করা হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই বিএসআরএমের কারখানাটি উদ্যোক্তা-পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আর এই ৬৯ বছর ধরে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, গবেষণা, উদ্ভাবন সবই করা হয়েছে এ ইস্পাতকে ঘিরেই।

ব্যবসা পরিচালনায় একটি শক্ত ভিত তৈরি করতে বিজনেস ফিলোসফি
কতটা জরুরি বলে মনে করেন? এক্ষেত্রে আপনাদের কোনো ফিলোসফি রয়েছে কিনা...

একটা ব্যবসা কতটা সময় এবং কীভাবে টিকে থাকবে সেটা ব্যবসা পরিচালনায় ফিলোসফি কেমন সেটির সঙ্গে অনেক বেশি সম্পর্কিত। এটা একটা সফল ব্যবসার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ইস্পাতের মানোন্নয়নই আমাদের বিজনেস ফিলোসফি। এ খাতটা এমন যে এখানে বিনিয়োগ অনেক বড়, কিন্তু মুনাফার হার সে তুলনায় কম। বিএসআরএম তাই প্রবৃদ্ধি হিসাব করে এগোবে, কিন্তু কোয়ালিটি নিয়ে কখনো আপস করবে না। নতুন প্রজন্মের আগমনে সামনে চলার পথও এ নীতিতেই চলবে। এজন্য দক্ষতার উন্নয়ন ঘটাতে কাজ করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। উৎপাদন সক্ষমতা, নতুন প্রযুক্তি আনা ছাড়াও শ্রমিকদের দক্ষ করে তুলতে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ ও কর্মী এনে প্র্যাকটিক্যালি কাজ শেখানো হয় কারখানায়। ফলে তারা আবার ফিরে গেলেও আমাদের কর্মীরাই কাজ চালিয়ে নিতে পারেন। এভাবে প্রশিক্ষিত কর্মীরা একটা সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন ইস্পাত কারখানায় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সব ক্ষেত্রেই এটা অনুসরণ করা হয়। আমার বড় ছেলে আমীর আলীহোসাইন পড়াশোনা শেষ করে ২০০০ সাল থেকে বিএসআরএমে যোগ দেন। তাকে কিন্তু শিক্ষানবিশ কর্মী হিসেবেই যোগদান করতে হয়েছে। পরে ধাপে ধাপে দক্ষতা অর্জনের পর সে বর্তমানে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে। ব্যবসা টিকিয়ে অথবা এগিয়ে রাখতে বিষয়গুলো বড় গুরুত্ব বহন করে। একটি ভালো ব্যবসায়িক দর্শন থাকলে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও সঠিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনড় থাকা যায়।

এক যুগে ইস্পাত শিল্পে উৎপাদনের তালিকায় যুক্ত হয়েছে একের পর এক নতুন বিশেষায়িত রড। বৈচিত্র্যের পাশাপাশি পণ্য উৎপাদনেও রূপান্তর ঘটিয়েছে বিএসআরএম...

সময়ের সঙ্গে মূলত নতুন প্রযুক্তি পরিচয় করিয়েছি ভোক্তা বাজারে। লৌহ শিল্পে প্রবৃদ্ধি ও চাহিদার সঙ্গে তাল রেখে স্থাপন করেছি নতুন কারখানা। আমরা দেশে কোল্ড-টুইস্ট স্টিল বার (রড) ১৯৮৪ সালে এনেছি। এর তিন বছর পরই প্রথম ৬০ গ্রেড রড উৎপাদন ও বাজারজাতে গেলাম। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম স্টিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশের ইস্পাত শিল্পে বিলেটের একটি সংকট তৈরি হয়। তার পরের বছরই আমরা বিলেট কারখানা স্থাপন করলাম সংকট নিরসনে। কারখানায় ২০০৬ সালে সাশ্রয়ী নির্মাণের উপযোগী মাইক্রো-রিইনফোর্সড ওয়্যার রড আনা হয়েছে। ২০০৮ সালে প্রথম তৈরি করা হলো ৬০ গ্রেডের চেয়ে আরো বেশি শক্তির ৫০০ গ্রেড রড। দেশে উচ্চশক্তির রড তৈরির বিবেচনায় এটা বেশ বড় পরিবর্তন। ২০০৯ সালেই আরো বৃহত্তর উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিলেট কারখানা ‘বাংলাদেশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি’ স্থাপন করা হলো। সুউচ্চ স্থাপনা, টানেল, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সেতু নির্মাণে ৮০ গ্রেডের বিএসআরএম ম্যাক্সিমা আনা হয়েছে ২০১৫ সালে। আবার এলাকাভিত্তিক স্টাডি করে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার জন্য তৈরি হলো ‘আলটিমা’। উপকূলীয় অঞ্চলের সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণের উপযোগিতা বিবেচনায় লবণাক্ততা ক্ষয়রোধী রড ‘সেঞ্চরা’ তৈরি করেছি। এভাবে আধুনিক প্রযুক্তি এনে এবং উন্নত ইস্পাতপণ্য উৎপাদন করে দেশের স্থাপনা শিল্পকে যুগোপযোগী ও নিরাপদ করতে কাজ করে যাব। আমরা বিশ্বব্যাপী মান নির্ধারণের সর্বশেষ সংস্করণের একই কাতারে নিজেদের পণ্যকে রাখতে পেরেছি। ইউরোপ, আমেরিকাসহ উন্নত দেশগুলোর আন্তর্জাতিক মান অর্জন ছাড়াও বিএসআরএম উন্নত বিশ্বের শীর্ষ মানসম্পন্ন কারখানার মধ্যে আছে।

ব্যবসা পরিচালনা কিংবা এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করছেন?

ব্যবসার খরচ কমাতে না পারাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের ব্যবসায় খরচ অনেক বেশি। উৎপাদনে আমরা দক্ষতা বেশ ভালো পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। এখন শিল্পের কাঁচামাল আনার ফ্রেইট, বন্দরের হ্যান্ডলিং, লাইটারিং কস্ট, অভ্যন্তরীণ পরিবহন সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ন ক্ষেত্রগুলোতে দক্ষতা নিশ্চিত করতে পারলে ইস্পাত খাতের প্রবৃদ্ধিতে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। শিল্পের স্বার্থে কর কাঠামোকে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে আনা প্রয়োজন। ন্যূনতম কর ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। ব্যবসা লোকসান করলেও কর দিতে হবে, এটা তো হতে পারে না। করনীতি এতটাই জটিল যে এটা সবার বোধগম্য নয়। করনীতি সহজ ও সময়োপযোগী করাটা শিল্পের বিকাশেই জরুরি। এছাড়া শিল্প বিকাশ ত্বরান্বিত করতে কালচার অব ইনোভেশন ও কালচার অব কোয়ালিটি—এ দুটি নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবেশ থাকাটা জরুরি। দেশের পলিসি ইমপ্রুভ হলে শুধু বিএসআরএম নয়, আরো অনেক ভালো কোম্পানি গড়ে উঠেছে যারা আরো ভালো করতে সক্ষম হবে। প্রডাক্টের কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে তদারকি সংস্থাগুলোর ভূমিকা বাড়াতে হবে।

সময়মতো শিল্পের কাঁচামাল হাতে না পাওয়ায় ব্যবসার খরচ ও চাপ বৃদ্ধি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোক্তারা প্রশ্ন তোলেন। শিপিং কোম্পানিগুলোর অনাগ্রহের কারণে বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টিও অভিযোগ আকারে তুলে ধরা হয়।

আমাদের বুঝতে হবে যে ইস্পাত খাত হলো লজিস্টিকস অরিয়েন্টেড বিজনেস। শুধু দুটি ঈদের কথাই যদি উদাহরণ হিসেবে ধরি, দেখা যাবে ছুটি শেষে পণ্যের ছাড়করণ কার্যক্রমে কতটা চাপ তৈরি হয়। বন্দরের সক্ষমতা এমনভাবে তৈরি করে রাখতে হবে, যেন ৩০ শতাংশ বার্থ সবসময় খালি থাকে। এটাই হওয়া উচিত। এমন পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে জাহাজ এসে এখানে অপেক্ষায় থাকতে না হয়। পাশের দেশের চেয়ে আমাদের ফ্রেইট অনেক বেশি। প্রাকৃতিকভাবেই আমাদের দেশে সমুদ্রপথে যোগাযোগের যে সুবিধা বিদ্যমান তাতে বিদেশী শিপিং কোম্পানিগুলো এখানে আসার জন্য উদগ্রীব থাকার কথা ছিল। কিন্তু তারা জাহাজ এনে বসিয়ে রাখতে হয় বিধায় আসতে চায় না। যারা আসছে জাহাজ অতিরিক্ত সময় বসে থাকার কারণে তার বদলে অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে চলে যাচ্ছে। দেশের জলসীমায় জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় যত বাড়ে তত শিল্পের ক্ষতি, ভোক্তার ক্ষতি এবং সর্বোপরি দেশের ক্ষতি।

রফতানি বাড়াতে তৈরি পোশাকের বিকল্প পণ্য খুঁজে বের করার কথা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। ইস্পাতপণ্যের এক্ষেত্রে কতটুকু সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন?

উৎপাদন দক্ষতায় এখন আমরা যেখানে আছি তাতে ইস্পাতপণ্য রফতানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা তৈরির সম্ভাবনা চমৎকার। বিশেষ করে পাশের দেশ ভারতসহ মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকার মতো দেশগুলোতে খুব দ্রুতই রফতানিতে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইনিশিয়াল ইনসেনটিভ দেয়া হলে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হতে পারে। বিদেশে দেশের ইস্পাতপণ্য একবার অভ্যস্ত করাতে পারলে পরবর্তী সময়ে এ সহযোগিতা প্রত্যাহার করে নিলেও অসুবিধা হবে না।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিদেশে ব্যবসার সুযোগ নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে। এ তালিকায় বিএসআরএমের নামও রয়েছে।

উৎপাদনমুখী কোনো একটা কোম্পানি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। যেমন ভারত ও হংকংয়ে বিএসআরএম (হংকং) লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপন করে চীন ও আশপাশ এলাকা থেকে কাঁচামাল, পণ্য ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানি, আমদানীকৃত পণ্য দ্রুত পরিদর্শন প্রভৃতি সহজ করতে। কেনিয়ায় ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সেটা সরকারের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে।

নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরেও সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমে নিজেকে যুক্ত রেখেছে বিএসআরএম...

পণ্যের গুণ-মানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক সবাই প্রতিষ্ঠানটিকে যেন নিজেদের বলে মনে করতে পারে সে বিষয়ে সজাগ থেকেছি সবসময়। সততা ও প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিও লক্ষ রেখেছি আমরা। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সাধ্যমতো থাকতে চাই। মহামারীর এ সময়ে চেষ্টা করেছি যতটা পারি পাশে থাকতে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার জন্য নাসিরাবাদে কারখানার পেছনে স্কুল গড়ে তুলেছি। সেখানে ৫০০-এরও অধিক ছেলেমেয়ে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করছে। যারা মেধাবী, তাদের পরে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়ার ব্যবস্থা করছি। যশোরে গরিব মেয়েদের জন্য চালু করেছি প্রশিক্ষণকেন্দ্র। এসব পদক্ষেপ আর এর বাস্তবায়ন এখন সবচেয়ে ভালো লাগা কাজ করছে।

নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনেক ওলটপালট ঘটে গেছে। শিল্পনির্ভর অর্থনীতির ধারা অব্যাহত রাখা ছাড়াও স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন...

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পণ্যের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও খরচ কমানো জরুরি। দারিদ্র্য বিমোচনে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। এখানে বেসরকারি খাতের বড় ভূমিকা রয়েছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও বাণিজ্য সহজ করে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তাদেরও চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো অ্যাড্রেস করে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। অর্থনীতিকে বড় করতে ম্যানুফ্যাকচারিং বরাবরই মুখ্য ভূমিকা রাখছে। শ্রমঘন বাংলাদেশের জন্য ম্যানুফ্যাকচারিং খাতনির্ভর হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য শিল্পোৎপাদনে যথাযথ পদ্ধতি উন্নয়ন করে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।