দিন দিন ক্যান্সারের প্রকোপ দেশে বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও নারীরা যে ক্যান্সার নিয়ে আক্রান্ত হয় ও মারা যায় সেটা হলো স্তন ক্যান্সার। আমাদের দেশের নারীরা দ্বিতীয় যে ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয় তা হলো জরায়ু ক্যান্সার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৯০ শতাংশ মেয়েকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনবে, ৭০ শতাংশকে স্ক্রিনিং করতে হবে এবং ৯০ শতাংশকে খারাপ অবস্থা হলে সেই চিকিৎসাও দিতে হবে। আমাদের দেশে ক্যান্সার আক্রান্তের তুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না।

আমাদের দেশে প্রতি বছর লাখ লাখ রোগী ভারতে চিকিৎসা নিতে যায়। কিন্তু বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যেখানে বর্তমানে সব ধরনের চিকিৎসা হয়।

সবচেয়ে বড় কথা ক্যান্সার নিয়ে রোগীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। যাতে ক্যান্সার হওয়ার আগে বা খারাপ অবস্থা হওয়ার আগে ধরা পড়ে। নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার যদি প্রাথমিক অবস্থায় ধরা যায় তাহলে তা পুরোপুরি নিরাময় করা যাবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর টিভি চ্যানেল আছে, পত্রিকা আছে, এগুলোর মাধ্যমে ক্যান্সার বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। জরায়ু ক্যান্সার হলে কী ধরনের লক্ষণ তা বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাহায্যে মানুষকে জানাতে হবে। জরায়ু ক্যান্সার ধরা পড়লে তার চিকিৎসা সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়েই হয়। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালেও এ রোগের চিকিৎসা আছে। এটা একটা ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার। এখানে অ্যাওয়ারনেস স্ক্রিনিং থেকে শুরু করে সার্জারি সব আছে। সারা বিশ্বের আধুনিক লেভেলের অপারেশনের মতো সেই অপারেশন এখানে হয়।