ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার দেশের অন্যতম বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল। হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করে ২০২১ সালে। তিন বছর ধরে হাসপাতালটি সফলতার সঙ্গে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এ তিন বছরে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে ক্যান্সার আক্রান্ত সর্বোচ্চ রোগী এসেছে ঢাকা বিভাগের (৬৬ শতাংশ)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ (১৬ শতাংশ) । এরপর যথাক্রমে রয়েছে খুলনা (৪ শতাংশ), রাজশাহী (৪ শতাংশ), সিলেট (৪ শতাংশ), রংপুর (৩ শতাংশ) ও বরিশাল বিভাগ (৩ শতাংশ) ।
হসপিটাল বেইজড ক্যান্সার রেজিস্ট্রিv (এইচবিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়ে বেঁচে আছেন এমন রোগীর সংখ্যা ৭৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে ওভারিয়ান বা ডিম্বাশয় ক্যান্সার, এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার, টেস্টিকুলার ক্যান্সার, সারকোমা ক্যান্সার, লিম্ফোমা ক্যান্সারের চিকিৎসা নেয়া শতভাগ রোগী বেঁচে আছেন। এছাড়া এ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ, ফুসফুস ক্যান্সারে শতকরা ৪২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, মলাশয়ের ক্যান্সারে ৫০ শতাংশ, এইচঅ্যান্ডএন ক্যান্সারে ৫০ শতাংশ রোগী বেঁচে আছেন।
ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে সফলতার সঙ্গে ৫৫৯ সার্জারি সম্পন্ন করেছে যেগুলোর সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন (এসএসআই) হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ। জার্নাল অব পপুলেশন থেরাপিউটিক্স অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজির গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে ভারতের এসএসআই হার ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এনএইচএস নর্থামব্রিয়া হেলথকেয়ার অনুসারে যুক্তরাজ্যের এসএসআই হার ১ থেকে ৫ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে এসএসিই হার দশমিক ৫ থেকে ৩ শতাংশ (আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের)।
ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে সার্জারির পর অ্যাভারেজ লেন্থ অব স্টে (এএলওএস) ২ দশমিক ৮। অপরদিকে বাংলাদেশের অন্যান্য হাসপাতালে এর পরিমাণ ৩ দশমিক ৪ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক হাসপাতালে এর হার ২ দশমিক ৯। এ পরিসংখ্যানটি ২০২৩ সালের মার্চ থেকে অক্টোবরের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। হাসপাতালটির সঙ্গে বিশ্বের আরো ১৭টি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতালের তুলনা করা হয়েছে।
এ হাসপাতালে সম্পন্ন হচ্ছে এমন ১০টি প্রধান সার্জারি হলো জেনারেল অ্যান্ড ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি, হেড-নেক ও ইএনটি (নাক-কান ও গলা) সার্জারি, ওরাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারি, গাইনি ও গাইনি অনকোসার্জারি, অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারি, কলোরেক্টাল সার্জারি, অর্থোপেডিক সার্জারি, ইউরোলজি সার্জারি ও প্লাস্টিক সার্জারি।





