এ বছর ক্যান্সার দিবসে আমাদের প্রতিপাদ্য বিষয় ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ। অর্থাৎ ক্যান্সার চিকিৎসাটি হতে হবে একটি সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা বা বৈষম্যহীন ব্যবস্থা। ক্যান্সারের অনেকগুলো ধরনের মধ্যে হেড-নেক ক্যান্সার একটি আলাদা ধরন। বাংলাদেশে হেড-নেক ক্যান্সার রোগী বেশি। কারণ এ অঞ্চলের মানুষ ধূমপান, তামাক ইত্যাদি বেশি মাত্রায় গ্রহণ করে। এ অবস্থায় আমাদের গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। অ্যালকোহল, তামাক ও ধূমপান থেকে বিরত থাকা, মুখ ও মুখগহবর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আমাদের দেশে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানে হেড-নেকের চিকিৎসা করা হয়।
হেড-নেক ক্যান্সারের একটি চিকিৎসা হচ্ছে সার্জারি। তবে ক্যান্সার চিকিৎসাকে আমরা মাল্টিগ্রুপ ট্রিটমেন্ট বলে থাকি। চিকিৎসকদের একটি বোর্ড থাকবে এবং সেখানে সিদ্ধান্ত হবে কোন রোগীর কী চিকিৎসা করতে হবে। আমাদের ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিউমার বোর্ড আছে। এখানে দক্ষ সব চিকিৎসক আছেন। সেই সঙ্গে আমাদের সাইকোলজিস্ট ও নিউরোলজিস্টও আছেন।
ক্যান্সার চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
আমাদের ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল। এখানে হেড-নেক চিকিৎসা করতে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে তা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের দেশে ক্যান্সার চিকিৎসা এখন অনেক উন্নতমানের।





