গুরুতর অসুস্থ হলেও চিকিৎসক তার চিকিৎসা ততক্ষণ পর্যন্ত শুরু করতে পারেন না, যতক্ষণ না রোগ নির্ণয় করা যায়। আর রোগ নির্ণয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এর জন্য হাসপাতালের ল্যাব অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ল্যাব সেবা উন্নত মানের না করা গেলে চিকিৎসাও উন্নত মানের করা সম্ভব নয়। কারণ সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা না গেলে সঠিক চিকিৎসা প্রদান সম্ভব নয়। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় অত্যন্ত যত্নসহকারে এবং আন্তর্জাতিক সব গাইডলাইন মেনে। বিভিন্ন রোগ-জীবাণু পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রিপোর্ট প্রদান করার আগে বারবার তা বিশ্লেষণ করেন প্যাথলজি চিকিৎসকরা, নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার অঙ্গীকারবদ্ধ। রোগ নির্ণয়ের জন্য একটি আদর্শ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যেসব সুবিধা থাকার দরকার তার সবই আছে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে। এ হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে থাকা প্রতিটি যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং বিদেশ থেকে আমদানীকৃত। এছাড়া রয়েছে দক্ষ টিম। রোগীর স্যাম্পল কালেকশন থেকে শুরু করে রিপোর্ট ডেলিভারি পুরো প্রসেসটি অত্যন্ত যত্ন সহকারে করে থাকেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। ফলে বিভিন্ন রোগ ও ক্যান্সার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্রুত মানুষের আস্থা অর্জন করেছে হাসপাতালটি। এছাড়া যেসব হাসপাতাল অনেক জটিল পরীক্ষা দেশের বাইরের ল্যাবগুলোয় পাঠিয়ে থাকে সেই ধরনের অনেক জটিল পরীক্ষা ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে করা হয়ে থাকে। যার ফলে এখানে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সময় বেঁচে যায়, সেই সঙ্গে ভোগান্তিও কমে যায় অনেকটা। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ল্যাবরেটরি আন্তর্জাতিক মান অর্জনের সনদ পেতে আন্তর্জাতিক সব গাইডলাইন অনুসরণ করছে। আন্তর্জাতিক মান অর্জনে এরই মধ্যে CAP Accrediation সনদ পেতে রেজিস্ট্রেশন করেছে হাসপাতালটি। CAP স্বীকৃতি হলো বিশ্বব্যাপী পরীক্ষাগারের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে স্ট্যান্ডার্ড বা গোল্ড মার্ক হিসেবে পরিচিত। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে রয়েছে ল্যাবরেটরিতে হিস্টোপ্যাথলজি, হেমাটোলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, সেরেলজি ও ইমিউনোলজি, ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি এবং মাইক্রোবায়োলজির মতো পূর্ণাঙ্গ বিভাগ। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আমাদের ল্যাবরেটরি আধুনিক ও সেরা। তাই ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের ল্যাব সেবার ওপর বিশ্বাস রাখা যায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে।
গুরুতর অসুস্থ হলেও চিকিৎসক তার চিকিৎসা ততক্ষণ পর্যন্ত শুরু করতে পারেন না, যতক্ষণ না রোগ নির্ণয় করা যায়। আর রোগ নির্ণয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এর জন্য





