মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। এমন সময়ে বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেবে সরকার। এতে বেসরকারি খাতের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি হবে। গতকাল প্রস্তাবিত বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেছেন মেট্রোপলিটন চেম্বর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান।

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের কম গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাতে খরচ কমানো দরকার। ভ্যাট আর শুল্ক ব্যবস্থা এগুলো অটোমেশন করা দরকার। কালো টাকা সাদা করার ব্যাপারে যে সুযোগ দেয়া হয়েছে এটা আমরা কখনো সমর্থন করিনি। সাধারণ যারা করদাতা তারা দেবেন ৩০ শতাংশ, আর এখানে ১৫ শতাংশে সব কালো টাকা সাদা করে ফেলার সুযোগ দেবেন। এটা আমরা ভালোভাবে দেখি না।’

কামরান টি রহমান বলেন, ‘এখন যারা কর দেন তাদের ওপরই খালি চাপ দিলেই ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বাড়বে না। যেভাবে ওনারা রেভিনিউ দেখাচ্ছেন তাতে ৮ শতাংশের মতো হবে। এটা আরো বাড়াতে হবে। ওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে কম ট্যাক্স জিডিপি রেশিও আমাদের। এটা তো সামনে ১৮-১৯ শতাংশের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এটার কাছেধারেও নেই আমরা।’ নন-লিস্টেড কোম্পানির ক্ষেত্রে আয়কর কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি কেউ কোনো নগদ লেনদেন করে ৫ লাখ টাকার বেশি বা সারা বছরে ৩৬ লাখ টাকার বেশি তাহলে সেটা সাড়ে ২৭ শতাংশ হয়ে যাবে।’

 এখন আমাদের অর্থনীতির ৮০ শতাংশই ইনফরমাল খাত। এ অবস্থায় আমাদের তো নগদ লেনদেন হবেই। কারণ সব খরচ তো অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়। অনেক লেনদেনই নগদে হয়। ফলে সবার জন্য এটা তো প্রযোজ্য হতে পারে না।’