ইদানীং বাজারে নানা ধরনের ওয়াটার পিউরিফায়ার এসেছে। পরিশ্রুত পানি পাওয়ার জন্য এখন সেসবের ওপরই মূলত ভরসা করেন অনেকে। কিন্তু বাড়িতে নতুন ওয়াটার পিউরিফায়ার কিনতে গিয়ে সমস্যায়ও পড়তে হয়। হরেক রকমের মডেলের মধ্যে কোনটি ভালো, তা হঠাৎ দেখে বোঝা বেশ মুশকিল। একেকটির একেক রকম গুণের কথা শোনা যায়। বিজ্ঞাপন দেখলে আরো গুলিয়ে যায় সব। তাহলে কোন পিউরিফায়ারটি বাড়ির জন্য ঠিক হবে, তা বুঝবেন কী করে?

  পানির মান: যে অঞ্চলের জন্য ফিল্টার কিনছেন, সে জায়গার পানির মান কেমন, তা দেখে তবেই ফিল্টার পছন্দ করুন। যদি কারো বাড়ি শিল্পাঞ্চলের আশপাশে হয়, তাহলে সে অঞ্চলের পানিতে ধাতুর পরিমাণ বেশি থাকা স্বাভাবিক। কেনার সময় সে কথা মাথায় রাখুন। 

  প্রক্রিয়া: প্রতিটি ফিল্টার কার্যকারিতার দিক থেকে আলাদা। যেমন ‘রিভার্স অসমোসিস’, ‘অ্যাক্টিভেটেড কার্বন’, ‘ইউভি’ এসব বিষয় সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। তারপর নিজের প্রয়োজন অনুয়ায়ী পিউরিফায়ার পছন্দ করুন।

  প্রতিদিনের ব্যবহার: প্রত্যেক বাড়ির সদস্যসংখ্যা আলাদা। সে অনুযায়ী পানি খরচের পরিমাণও কমবেশি হয়। কোনো পিউরিফায়ার একদিনে গড়ে কত লিটার পর্যন্ত পানি পরিশোধন করতে পারে, তা দেখে ফিল্টার পছন্দ করুন। 

  খরচ: কোনো যন্ত্রই একটানা কাজ করে যেতে পারে না। তার রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। কেনার আগে জেনে নিন, নির্দিষ্ট কিছু সময় অন্তর এ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কেমন খরচ হতে পারে। যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে গেলে তা বাজারে পাওয়া যায় কিনা, তা-ও জেনে রাখা জরুরি। 

  শংসাপত্র: যন্ত্রের গুণগত মান কেমন, তা বিচার করে সে যন্ত্রকে সরকারিভাবে একটি বৈধ শংসাপত্র দেয়া হয়। এ শংসাপত্র পেতে গেলে যন্ত্রটিকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কেনার আগে সেসব বিষয়ে জেনে রাখতে পারলেও ভালো।