বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত করবে কিনা, সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইইউ নিজস্বভাবেও ‘এভরিথিং বাট আর্মস’ (ইবিএ) বাণিজ্য ব্যবস্থার জন্য তিন বছরের একটি পরিবর্তনকালীন সুবিধা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা যদি ২০২৬ সালেই বহাল থাকে, তাহলে বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে। আর জাতিসংঘ যদি উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়, তাহলে ইইউর পরিবর্তনকালীন সুবিধার কারণে বাংলাদেশের রফতানি ২০৩২ সাল পর্যন্ত সুরক্ষিত থাকবে।
আমি ধারাবাহিকভাবে এ উত্তরণ পিছিয়ে দেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের অর্থনীতিতে গভীর অভ্যন্তরীণ, নিয়ন্ত্রক ও রাজস্ব সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য এ অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। এ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হলেও এটি আমাদের দেশে কীভাবে পরিবর্তন হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে।
এ প্রক্রিয়াকে নিরাপদে এগিয়ে নিতে আমাদের দুটি পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখতে হবে। একটি হলো আমাদের বর্তমান শিল্প ভিত্তির বাস্তবতা এবং অন্যটি হলো প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সীমার কৌশলগত লক্ষ্য।
প্রথম দৃষ্টিকোণ: বাস্তববাদী অবস্থান—ভিত্তি সুরক্ষা ও জিএসপি প্লাস ফাঁদ এড়ানো
বাস্তববাদী দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের শ্রমঘন ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোকে সুরক্ষা দিতে হবে। এসব শিল্প লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত, যার মধ্যে প্রধান হলো তৈরি পোশাক (আরএমজি)। পাশাপাশি চামড়া ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণের মতো অন্যান্য খাতের প্রতিও সক্রিয় মনোযোগ রাখতে হবে।
অনেকে জিএসপি প্লাসকে আমাদের পরবর্তী স্বাভাবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জিএসপি প্লাস একটি কার্যকর বিকল্প নয়।
বাংলাদেশের বিপুল রফতানি পরিমাণের কারণে ইইউর কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আমরা দ্রুত চলে যাব এবং এর ফলে বাণিজ্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহার হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে জিএসপি প্লাসের উৎসবিধিতে কঠোর ‘ডাবল ট্রান্সফরমেশন’ শর্ত রয়েছে, যা আমাদের স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থা সর্বক্ষেত্রে পূরণ করতে সক্ষম নয়। ফলে আমাদের প্রধান রফতানি খাত স্থায়ীভাবে শুল্ক ধাক্কার ঝুঁকির মধ্যে থাকবে।
তাই আমাদের মনোযোগ একতরফা সুবিধার ওপর নির্ভরতা থেকে সরে একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) দিকে যেতে হবে। উভয় পক্ষেরই প্রস্তুতিমূলক মূল্যায়ন ও যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই থেকে বাস্তব আলোচনায় এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। সময় এমন একটি বিষয়, যা বাংলাদেশ কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে পারে না।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে সাধারণত ৭ থেকে ১০ বছর সময় লাগে। তাই সম্ভাব্য পরিবর্তনকাল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাতে বাণিজ্য সুবিধায় কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেজন্য যত দ্রুত সম্ভব বাস্তব ও সুনির্দিষ্ট এফটিএ আলোচনা শুরু করার উদ্যোগ নিতে হবে।
ভবিষ্যতের একটি এফটিএ কার্যকর করার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে এ বর্ধিত সময়কে কাজে লাগিয়ে আমাদের চারটি দীর্ঘদিনের প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ সংস্কার করতে হবে:
বাণিজ্য উদারীকরণ ত্বরান্বিত করা: রফতানির পথে অভ্যন্তরীণ প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং কাঁচামালের আমদানি শুল্ক কমানো।
আর্থিক খাত সংস্কার: ব্যাংক খাতে কঠোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণের সমাধান করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি প্রণয়নের সক্ষমতা শক্তিশালী করা।
করজাল সম্প্রসারণ: বিদ্যমান করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে সক্রিয় করদাতার সংখ্যা বাড়িয়ে বাংলাদেশের নিম্ন কর-জিডিপি অনুপাত উন্নত করা।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে কমপ্লায়েন্স উন্নীত করা: পরিবেশগত মান ও শ্রমিক নিরাপত্তা আইন সংস্কার করে ইউরোপীয় বাজারের কঠোর বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।
জ্বালানি সংকট: এফডিআইয়ের জন্য একটি নকশা
বাণিজ্যের সক্ষমতা বাড়াতে হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা মোকাবেলা করতে হবে: বর্তমানে আমাদের বিদ্যমান শিল্পগুলোর প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত জ্বালানিই নেই।
আমাদের শিল্পাঞ্চলগুলো জ্বালানি সরবরাহ ও গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। শক্তিশালী অবকাঠামোগত ভিত্তি ছাড়া আমরা উচ্চ প্রযুক্তির উৎপাদন বাড়াতে বা আমাদের সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিতে পারব না। সামনে এগিয়ে যেতে হলে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল কী, তা স্পষ্ট করা জরুরি।
ভবিষ্যৎ বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগকে (এফডিআই) কার্যকরভাবে আশ্বস্ত ও আকৃষ্ট করতে রাষ্ট্রের জ্বালানি সমাধান হতে হবে বাস্তবসম্মত, পূর্বানুমানযোগ্য, স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও আন্তর্জাতিক চাহিদা অনুযায়ী টেকসই। নির্ভরযোগ্য জ্বালানি গ্রিড নিশ্চিত করাই হলো সেই বাধ্যতামূলক ভিত্তি, যার ওপর আমাদের সব বাণিজ্য ও উৎপাদন পরিকল্পনা নির্ভর করে।
দ্বিতীয় দৃষ্টিকোণ: স্বপ্নদ্রষ্টার দৃষ্টিতে—তথ্যভিত্তিক বাস্তবতা থেকে উচ্চতর আকাঙ্ক্ষা
বাস্তববাদী দৃষ্টিকোণ যেখানে আমাদের ভিত্তিকে সুরক্ষা দেয়, সেখানে বড় লক্ষ্যগুলোকে আমাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চ সীমা তৈরি করতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণ আমাদের প্রচলিত অর্থনৈতিক মডেলের বাইরে যাওয়ার একটি সুযোগ। বিশ্বকে প্রমাণ করার এটাই সময় যে বাংলাদেশ শুধু সস্তা শ্রম, কম খরচের উৎপাদন ও কম মুনাফার পণ্য উৎপাদনের দেশ নয়, এর সক্ষমতা আরো অনেক বেশি।
শুধু স্বপ্ন দেখা আমার ধরন নয়। আমি একজন বাস্তববাদী, যিনি কঠিন তথ্য, অর্থনৈতিক সূচক ও পরিমাপযোগ্য বাস্তবতার ওপর নির্ভর করেন। দেশে সরাসরি ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে। কিন্তু জুলাইয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিকন্ডাক্টর বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার পর আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। সেখানে উচ্চ প্রযুক্তি নিয়ে উপস্থাপনা, উদ্ভাবনের ভিত্তি এবং বাংলাদেশের জন্য যে সুস্পষ্ট পথরেখা তুলে ধরা হয়েছে, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ মোস্তফা হোসেনের বক্তব্যই আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাদের উপস্থাপনার প্রতি এতটা আন্তরিক ও নিবিড় মনোযোগ দেখাটিও উৎসাহব্যঞ্জক ছিল। ব্যবসায়ী সমাজের অনেকের মধ্যে যে একই ধরনের জরুরি অনুভূতি ও বিপুল আগ্রহ রয়েছে, সেটিই যেন এর মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
অতীতে আমি প্রায়ই বলেছি, দেশের উন্নয়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু এ সেমিকন্ডাক্টর উদ্যোগে আমি শেষ পর্যন্ত একটি সত্যিকারের দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে পেয়েছি।
প্রযুক্তিগতভাবে স্বনির্ভরতার জন্য রাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা নিয়ে উপদেষ্টার বিশ্বাসযোগ্য ও আন্তরিক বক্তব্য শোনার পর সম্প্রতি পারডু ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক হোসেনের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তিনি ‘সিলিকন রিভার’ উদ্যোগ নিয়ে তার দৃঢ় আশাবাদ তুলে ধরেন। তাদের সম্মিলিত পথরেখা প্রযুক্তিগত বাস্তবতার ওপর এত গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত যে তা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে। আমাদের আলোচনার মধ্য দিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি, সত্যিকার অর্থে বিকশিত হতে হলে একটি জাতিকে বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই পথে এগিয়ে যেতে যেতে নিজেদের আরো উন্নত করার সাহস রাখতে হয়।
ওষুধ শিল্প এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মানে জটিল ও উচ্চ মূল্যের পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। এ সফলতার রেকর্ড একটি শক্তিশালী উদাহরণ। এটি দেখায়, সেমিকন্ডাক্টর খাত গড়ে তোলাও পুরোপুরি সম্ভব। কারণ প্রয়োজনীয় কারিগরি শৃঙ্খলা ও মেধাবী জনশক্তি আমাদের কর্মীদের মধ্যেই রয়েছে। এ ভিত্তি যখন আমাদের আছে, তখন একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের করতেই হবে: ভারত ও মালয়েশিয়া যে প্রযুক্তিগত সাফল্য অর্জন করেছে, আমরা কেন তা পুনরাবৃত্তি করতে পারব না?
ভারত সফটওয়্যার ও আইটি সেবার ওপর শক্তিশালী বৈশ্বিক অবস্থান তৈরি করেছে। অন্যদিকে মালয়েশিয়া মূল্য সংযোজনের সিঁড়ি বেয়ে চিপ প্যাকেজিং, পরীক্ষা ও ইলেকট্রনিকস সংযোজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ‘সিলিকন রিভার’ উদ্যোগের লক্ষ্যও একই ধরনের পথরেখা তৈরি করা, যেখানে চিপ ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উন্নত ইলেকট্রনিকসকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় উদ্ভাবন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
লক্ষ্যভিত্তিক কর প্রণোদনা ব্যবহার, সেমিকন্ডাক্টর প্রকৌশলে ব্যাপক বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন প্লাটফর্মের মাধ্যমে অংশীদারত্ব গড়ে তুলে আমরা বাংলাদেশকে সরাসরি বৈশ্বিক উচ্চ প্রযুক্তির সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত করতে পারি।
গুরুত্বপূর্ণভাবে, আমি চাই উচ্চ প্রযুক্তির এ উন্নয়নে ইইউও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক, যেমন অতীতে ইবিএ সুবিধা আমাদের আরএমজি খাত গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিল। বর্তমান খণ্ডিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ইউরোপের নিজস্ব কৌশলগত সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যপূর্ণ করার বিষয়টি বিবেচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেমিকন্ডাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি খাতে বিশ্বব্যাপী আরো বেশি বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার তৈরি করা ইইউর জন্য অত্যন্ত বিচক্ষণ পদক্ষেপ হবে। প্রচলিত বাণিজ্য সুবিধা থেকে সহযোগিতামূলক প্রযুক্তি অংশীদারত্বের দিকে অগ্রসর হওয়ার মাধ্যমে ইইউ নিজেদের সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশে শিল্পের নতুন উচ্চতর সক্ষমতার যুগও সূচনা করতে পারে।
বাংলাদেশকে ইউরোপের নজরে আনা
এ দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবে দৃশ্যমান করার একটি বড় সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে। আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম। ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের নজরে বাংলাদেশকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরার জন্য এ ফোরামই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।
এ আয়োজনকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের কাছে বাংলাদেশের প্রচলিত ধারণা পরিবর্তন করতে হবে। বাংলাদেশকে শুধু কম খরচের কারখানা হিসেবে না দেখে প্রযুক্তি হস্তান্তর, সবুজ উৎপাদন ও ডিজিটাল অবকাঠামোর জন্য একটি আকর্ষণীয় ও উচ্চফলনশীল বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরতে হবে।
সমন্বয়ের জায়গা
বাস্তববাদ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোকে সুরক্ষিত করতে অবিলম্বে বাধ্যতামূলক এফটিএ আলোচনা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে কর ব্যবস্থার কাঠামো সংস্কার এবং দুর্বল জ্বালানি গ্রিডের সমস্যার সমাধান করতে হবে।
আগামী এপ্রিলের ফোরামকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পারলে ঐতিহ্যবাহী শিল্পে একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে আমাদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে উচ্চ প্রযুক্তির উদ্ভাবকদের জন্যও বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।










