২০১৮ সালে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের শুরু থেকেই লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড (এলএএফএল) গ্রাহকদের নতুন নতুন আর্থিক পণ্য এবং বিশ্বমানের পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটি এর ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে ক্ষুদ্র, কুটির ও এসএমই ব্যবসার জন্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সব ধরনের আর্থিক সমাধান দিতে কাজ করছে এবং শিগগিরই মোবাইলের মাধ্যমে দেশের শহর ও মফস্বল এলাকায় বসবাসকারী স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীকে জামানত ছাড়াই ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করতে যাচ্ছে। তাছাড়া কভিডের সময়কালে ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো যে ধাক্কার সম্মুখীন হয় তা কাটিয়ে উঠতে স্বল্প সুদে পুনঃঅর্থায়নের ব্যবস্থাও করছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অবকাঠামো তহবিলের জন্য নির্বাচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হওয়ার পর এলএএফএল টেলিযোগযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রফতানি খাতসহ বিভিন্ন বৃহৎ প্রকল্পে সফলভাবে অর্থায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নতুন খোলা শাখাগুলোতে মধ্য আয়ের গ্রাহকদের জন্য যানবাহন ঋণ ও আবাসন ঋণ সুবিধা নিয়ে আসার মাধ্যমে খুচরা পরিসরগুলোতেও প্রবেশ করেছে। কৃষি খাতকে সহায়তার উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে করে লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স তার ঋণ পোর্টফোলিওর উল্লেখযোগ্য একটি অংশ দেশব্যাপী কৃষক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর জন্য বিস্তৃত করার মাধ্যমে একটি টেকসই ব্যবসায়িক মডেল নিশ্চিত করতে পারে। ব্যবসার সূচনালগ্ন থেকে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এলএএফএলের লাভের অংশ থেকে অনুদান দিয়ে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোকে সমর্থন করছে।
শ্রীলংকার রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক পিপলস ব্যাংকের সঙ্গে দেশের স্বনামধন্য শিল্পগ্রুপের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো লংকান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের ৭৭ শতাংশের মালিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বাকি ২৩ শতাংশ শেয়ার ব্যক্তি মালিকানায় রয়েছে। কোম্পানিটির বাংলাদেশী অংশীজনের মধ্যে রয়েছে সামিট গ্রুপ, র্যাংগস গ্রুপ, অ্যালায়েন্স গ্রুপ, মাসকো গ্রুপ ও গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরন্সের মতো প্রতিষ্ঠান।





