আমদানিনির্ভর জ্বালানি, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য অস্থিরতা, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ বাস্তবতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের বিকল্প নেই।
স্বল্পমেয়াদে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ, নেট মিটারিং, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে শক্তি-দক্ষ প্রযুক্তি এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নীতিগত প্রণোদনা ও সহজ অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা জরুরি।
মধ্যমেয়াদে দেশীয়ভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম উৎপাদন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার করতে হবে। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতাও কমবে।
দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি স্মার্ট, প্রযুক্তিনির্ভর ও নিম্ন কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে সৌর, বায়ু, বায়োমাস, শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তি এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎসের সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত হবে। সরকারের দূরদর্শী নীতি, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সমন্বয়ই বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, টেকসই ও আত্মনির্ভর জ্বালানি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
শকিল আলম চাকলাদার: পরিচালক, এম.ই.পি গ্রুপ










