জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি এবং সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির আলোকে কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ ওয়ালটনের সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করছি আমরা। এর পাশাপাশি জিরো কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্পও বাস্তবায়ন করেছি।

এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে ২২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রুফটফ সোলার প্লান্ট, গ্রাউন্ড মাউন্টেড সোলার প্লান্ট এবং দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং বা ভাসমান সোলার প্লান্ট, যা ওয়ালটনের বিদ্যুৎ চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করছে। পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডেও যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া বর্জ্য ও আবর্জনা থেকে স্টিম উৎপাদন ও ব্যবহার, ইটিপি থেকে শতভাগ পানি পুন‍র্ব্যবহার, রেইন ওয়াটার সংরক্ষণ ও ব্যবহার করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের এসব উদ‍্যোগের ফলে অর্জিত কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রাও আয় হচ্ছে।

মোট কথা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ও পণ্য উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব কারখানা, নবায়নযোগ্য ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সবুজ শিল্পায়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রাতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি অনন্য নজির সৃষ্টি করছে ওয়ালটন।

এসএম মাহবুবুল আলম: ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি.