জুলাই চেতনা নিয়ে যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর ভয়াবহ রূপও প্রত্যক্ষ করা গেছে। গণমাধ্যমের ওপর হামলা নতুন নয়। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে অপশাসনের বোঝা গণমাধ্যমকে বহন করতে হয়েছে। এ সময় অনেক গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, অফিসে হামলা হয়েছে, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা যতদিন থাকবে, এ লড়াইও চলবে। সাংবাদিকতা একটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও মহৎ পেশা, যেখানে প্রতিদিনই অজানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। সে বাস্তবতা জেনেই সাংবাদিকরা এ পেশায় এসেছেন।
জুলাই চেতনার নামে সহিংসতা, মধ্যরাতে পত্রিকা অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা নজিরবিহীন এবং দেশের জন্য কলঙ্কজনক। এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে জুলাই চেতনাকে সম্মান জানিয়ে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে হবে। এ চ্যালেঞ্জ শুধু রাজনৈতিক দল বা সরকারের নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াবের এ কনভেনশন থেকে একটি কমিউনিটি ও ইশতেহার প্রণয়ন করে তা সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের কাছে তুলে ধরা হবে। এরপর রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন কড়ায়-গণ্ডায় মূল্যায়ন করা হবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই চেতনা—সবকিছুই এ লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত।










