২০২৪ সালে প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্সের এ বাজারে আপনার ব্যাংকের অংশীদারত্ব কেমন ছিল?
সাউথইস্ট ব্যাংক প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ২০২৪ সালে আমাদের ব্যাংক মোট ৫৩৯ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে, যা দেশের মোট রেমিট্যান্সের ২ শতাংশের বেশি। এ সাফল্য ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, প্রবাসী গ্রাহকদের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে সম্ভব হয়েছে।
এ অংশীদারত্ব আরো বাড়ানোর জন্য আপনাদের পরিকল্পনা কী?
সাউথইস্ট ব্যাংক রেমিট্যান্স সেবা বৃদ্ধিতে ২০২৫ সালে নতুন নতুন গন্তব্যে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেসব প্রস্পেক্টিভ লোকেশনে এখনো আমাদের অংশীদারত্ব তৈরি হয়নি, সেসব নতুন এবং উদীয়মান গন্তব্য চিহ্নিত করে সেখানে কার্যক্রম শুরু করার মাধ্যমে সেবার বিস্তৃতি ঘটানো হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা এজেন্ট ব্যাংকিং ও সাব-ব্রাঞ্চ বা উপশাখা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি উন্নত অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেলের (এডিসি) মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় রেমিট্যান্স সেবা পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জন আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। গ্রাহকরা যাতে সহজেই আমাদের এটিএম বুথ, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে রেমিট্যান্সসহ অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেজন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালে সাউথ আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠিত আমাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সাউথইস্ট এক্সচেঞ্জ কোম্পানি" এরই মধ্যে রেমিট্যান্স আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ এক্সচেঞ্জ হাউজকে প্রতিবেশী দেশগুলোয় সম্প্রসারণ এবং নতুন গন্তব্যে এক্সচেঞ্জ হাউজ খোলার পরিকল্পনা আমাদের সম্মানিত বোর্ডের কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তাছাড়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা এজেন্ট হাউজগুলোর সঙ্গে আমাদের নিবিড় ড্রয়িং ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমও রেমিট্যান্স আহরণকে আরো গতিশীল করছে। সাউথ আফ্রিকার মতো দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং স্থানে এক্সচেঞ্জ কোম্পানি স্থাপন এবং সফলভাবে পরিচালনা আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স সেবা আরো বিস্তৃত ও সহজলভ্য করতে এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা নতুন সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে সাউথইস্ট ব্যাংকের সঙ্গে ২৬টি এক্সচেঞ্জ হাউজের চুক্তি রয়েছে, যা আমাদের রেমিট্যান্স আহরণ কার্যক্রমকে আরো সহজ ও কার্যকর করে তুলছে। এ এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীরা সহজেই তাদের অর্থ সাউথইস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে পাঠাতে পারেন। আমরা ভবিষ্যতে এ তালিকায় আরো নতুন এক্সচেঞ্জ হাউজ যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
প্রবাসীদের জন্য আপনার ব্যাংকে কী ধরনের আমানত ও ঋণ প্রডাক্ট রয়েছে?
সাউথইস্ট ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে আমাদের ব্যাংকে ওয়েজ আর্নার্স পেনশন সেভিংস স্কিম নামে একটি জনপ্রিয় স্কিম রয়েছে, যা প্রবাসীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। এ স্কিমের মাধ্যমে প্রবাসীরা সহজে সঞ্চয় করতে এবং তাদের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে পারছেন। এছাড়া আমাদের সাউথইস্ট এক্সচেঞ্জ কোম্পানির (সাউথ আফ্রিকা) মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য সেভিংস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ রয়েছে। এ সেবাগুলো প্রবাসীদের অর্থ সঞ্চয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুযোগ করে দিচ্ছে।
আমাদের ব্যাংক রেমিটারদের জন্য আরো উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে কন্ট্রাকচুয়াল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ নিয়োগ করেছে, যারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আমাদের ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে সহায়তা প্রদান করে। প্রবাসীদের জন্য নতুন ঋণ পণ্য চালুর বিষয়টি আমাদের বিবেচনাধীন রয়েছে। এ ঋণ পণ্যগুলো তাদের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এবং পরিবারের জন্য আরো ভালো সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সাউথইস্ট ব্যাংক প্রবাসীদের আর্থিক সুরক্ষা ও ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের জন্য আরো নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
কেন আপনাদের ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীরা বেশি নিরাপদ মনে করবেন?
সাউথইস্ট ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স সেবা সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমাদের ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবার কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যা প্রবাসীদের আস্থা অর্জনে ভূমিকা রাখে—
রেমিট্যান্স ডেস্ক অফিসারদের বিশেষায়িত সেবা: আমাদের ব্যাংকে রেমিট্যান্স সেবা পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা রেমিট্যান্স ডেস্ক রয়েছে। দ্রুত ও নির্ভুল সেবা প্রদানের লক্ষ্যে রেমিট্যান্স ডেস্ক অফিসারদের দক্ষতা উন্নত করতে আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকি।
বিস্তৃত ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক: সাউথইস্ট ব্যাংকের রয়েছে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যার মধ্যে রয়েছে ১৩৫টি শাখা, ২২টি উপশাখা, ১৩৮টি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা। ফলে গ্রাহকরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও সহজেই রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারেন।
বিদেশ থেকে অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা: আমাদের এক্সচেঞ্জ কোম্পানির মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য সেভিংস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ রয়েছে। এ সেবাগুলো প্রবাসীদের অর্থ সঞ্চয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুযোগ করে দিচ্ছে।
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) সঙ্গে চুক্তি: বিকাশ ও নগদের মতো জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে। ফলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স খুব দ্রুত ও নিরাপদে গ্রহীতার কাছে পৌঁছায়।
নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সেবা: আমাদের ব্যাংকের আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে রেমিট্যান্স পাঠানোর এবং গ্রহণের প্রক্রিয়া খুবই নিরাপদ। প্রতিটি লেনদেনের সময় আমরা গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করি।
এ বিশেষ সুবিধাগুলো প্রবাসীদের জন্য আমাদের ব্যাংককে একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলেছে। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে।
প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে সরকার কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন?
রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। তবে অনেক প্রবাসী এখনো অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে অর্থ পাঠাচ্ছেন, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। এ জন্য আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব রাখতে চাই—ওয়েজ আর্নার্সদের সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা, রেমিট্যান্স পাঠানো ও উত্তোলন প্রক্রিয়া আরো সহজীকরণ, ওয়েজ আর্নার্সদের বাংলাদেশে অবস্থানরত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা, প্রত্যেক ওয়েজ আর্নার্সদের বিদেশে যাওয়ার আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বাধ্যতামূলক করা, অবৈধ অভিবাসীদের অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশে বিদ্যমান দূতাবাসের মাধ্যমে দেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করা অবৈধ, অভিবাসীদের বৈধ করণে সরকারি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা ইত্যাদি।
ব্যাংক থেকে রেমিট্যান্সের অর্থ উত্তোলনে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। রেমিট্যান্স পাঠানো ও উত্তোলন প্রক্রিয়া আরো সহজতর করতে কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করেন?
রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রবাসীরা তাদের পাঠানো অর্থ উত্তোলনে গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ তোলেন। এ ধরনের হয়রানি প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর আগ্রহ কমিয়ে দেয়, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই রেমিট্যান্স পাঠানো ও উত্তোলনের প্রক্রিয়া সহজতর ও গ্রাহকবান্ধব করার জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ। গ্রাহকদের সেবার মান উন্নত এবং হয়রানি কমানোর মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব, যা রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরো গতিশীল করবে।
এ জন্য কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব করতে চাই: রেমিট্যান্স উত্তোলনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের অভিযোগগুলোর দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে হেল্পলাইন বা অনলাইন ফোরাম চালু করা, ব্যাংকিং সেবাগুলোর মান নিয়মিত পর্যালোচনা ও আপগ্রেড করার জন্য তদারকি বোর্ড গঠন করা, গ্রাহক অভিযোগ সেল তৈরি করা যেখানে গ্রাহকরা দ্রুত তাদের অভিযোগ জানাতে এবং সমাধান পেতে পারেন, প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বিশেষ ব্যাংকিং প্যাকেজ চালু করা যাতে তারা সহজে সঞ্চয় এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পান, গ্রামীণ এলাকার মানুষদের রেমিট্যান্স উত্তোলন সহজ করতে মোবাইল ব্যাংকিং-এজেন্ট ব্যাংকিং পয়েন্ট এবং স্থানীয় পরিষেবা কেন্দ্র বাড়ানো ইত্যাদি।
হুন্ডির বাজার নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া দরকার?
হুন্ডির বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈধ চ্যানেলের গুরুত্ব এবং হুন্ডির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে প্রবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। সরকারের উচিত ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা তুলে ধরা। এছাড়া বৈধ চ্যানেলে অর্থ প্রেরণের খরচ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসা যেতে পারে। রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা হলে হুন্ডি এমনিতেই কমে আসবে। হুন্ডিতে যেমন অর্থ তৎক্ষণাৎ বেনিফিশিয়ারিকে পৌঁছে দেয়া যায়, ঠিক সেভাবে বৈধ চ্যানেলে পাঠানো অর্থও ত্বরিতগতিতে পৌঁছে দেয়ার সব ধরনের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা দরকার। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে টপ রেমিটারদের পুরস্কার ও সম্মাননার ব্যবস্থা করা, সব ধরনের সরকারি পরিষেবা প্রদানে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীদের বিশেষ সুবিধা ও অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে।
প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের বিপরীতে আর্থিক প্রণোদনা অব্যাহত রাখতে হবে। বৈধ চ্যানেলে পাঠানো রেমিট্যান্সের রেট যাতে কোনোভাবেই বাজারমূল্য থেকে কম না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। হুন্ডি প্রতিরোধে এমএফএসের লেনদেন পর্যবেক্ষণে প্রতিটা মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ টিম থাকা বাধ্যতামূলক করতে হবে। উপযুক্ত মূল্য, সহজ ও দ্রুত সেবা ও আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ হুন্ডির বাজার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।










