অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আপনাদের কার্ডের স্বাতন্ত্র্য কোথায়?
আমাদের কার্ডের প্রধান শক্তি হলো গ্রাহককেন্দ্রিক সুবিধা। প্রতিযোগিতামূলক ক্যাশব্যাক, আকর্ষণীয় রিওয়ার্ড পয়েন্ট, শূন্য শতাংশ সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (ওটিপি ও থ্রিডি সিকিউর), আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজ কার্ড ব্যবস্থাপনা—এসব বৈশিষ্ট্যই আমাদের কার্ডকে আলাদা করেছে। পাশাপাশি লাইফস্টাইল বেনিফিট যেমন এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ও ডাইনিং অফারও রয়েছে।
রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ অফার কী থাকছে?
রমজান ও ঈদ উপলক্ষে আমরা ফ্যাশন, লাইফস্টাইল, ইলেকট্রনিকস ও সুপারশপে বিশেষ ছাড় (১০-৫০ শতাংশ), নির্দিষ্ট মার্চেন্টে ক্যাশব্যাক, অনলাইন শপিংয়ে অতিরিক্ত ক্যাশব্যাক এবং শূন্য শতাংশ ইএমআই সুবিধা চালু করেছি। এছাড়া নির্দিষ্ট পরিমাণ লেনদেনে ক্যাশব্যাক রিওয়ার্ড দেয়া হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকদের নিরাপদ ও ক্যাশলেস কেনাকাটায় উৎসাহিত করা।
দেশে কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট সম্প্রসারণে অন্তরায় কী কী?
কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর পস মেশিন না থাকা, এমডিআর-সংক্রান্ত উদ্বেগ, নগদ লেনদেনের প্রতি ঐতিহ্যগত নির্ভরতা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে ভীতি, এসব বিষয় এখনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। তবে এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নতি হয়েছে এবং সচেতনতা বাড়ছে।
কার্ড ব্যবহার জনপ্রিয় করতে আপনাদের উদ্যোগ কী?
আমরা সারা দেশে নতুন মার্চেন্ট অনবোর্ডিং, বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধা চালু করেছি। উৎসব মৌসুমে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কার্ড ব্যবহার আরো বাড়ানো হচ্ছে।
ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধিতে সরকার কী উদ্যোগ নিতে পারে?
সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলা কিউআর স্থাপনে প্রণোদনা, এমডিআর যৌক্তিকীকরণ, ডিজিটাল লেনদেনে কর সুবিধা এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নিতে পারে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করবে।










