কোন কোন বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে আপনাদের কার্ড অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্ডের তুলনায় আলাদা?
আমাদের কার্ডের বেশকিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা গ্রাহকদের লেনদেনকে সহজ ও নিরাপদ করে। এর মধ্যে একটি হলো উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে এনএফসি, চিপ ও পিন প্রযুক্তির মাধ্যমে লেনদেনে অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। আবার এমএফএস কানেক্টিভিটিও একটি বৈশিষ্ট্য। আমাদের ক্রেডিট কার্ড থেকে বিকাশ বা নগদে অ্যাড মানি এবং সরাসরি কার্ডের বিল পেমেন্ট সুবিধা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে বলাকা লাউঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রিমিয়াম কার্ডে লাউঞ্জ কি ও প্রায়োরিটি পাস লাউঞ্জ অ্যাকসেস পাওয়া যাচ্ছে। ‘ক্রেডিট শিল্ড’ জীবন বীমা পরিকল্পনার মাধ্যমে মৃত্যু বা দুর্ঘটনায় দ্বিগুণ বীমা কভারেজ দেয়া হচ্ছে। আর সিগনেচার ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য রয়েছে কেনাকাটায় দ্বিগুণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট।
এবারের রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কার্ডভিত্তিক কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য আপনাদের বিশেষ অফারগুলো কী কী?
এবারের রমজান ও ঈদকে আরো আনন্দময় করতে যমুনা ব্যাংক আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। আমাদের অফারগুলোর বিস্তারিত জানতে গ্রাহকরা https://eidoffer.jamunabank.com.bd/ লিংকে ভিজিট করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিশেষ অফারগুলোর মধ্যে একটি হলো দেশের নামকরা হোটেলগুলোয় ইফতার ও ডিনারে বাই ওয়ান গেট ওয়ান/টু/থ্রি বুফে খাওয়ার সুবিধা। কেনাকাটার ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল, জুয়েলারি ও রিটেইল শপসহ ৩০টিরও বেশি আউটলেটে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা। স্থানীয় এয়ারলাইনসের টিকিট, হোটেল বুকিং এবং রিসোর্টগুলোয় বিশেষ ডিসকাউন্ট ও ইএমআই সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিকস ও মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনাকাটায় ৩৬ মাস পর্যন্ত শূন্য শতাংশ সুদে ইএমআই সুবিধাও দেয়া হচ্ছে।
কোন কোন বিষয় কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পথে অন্তরায় বলে মনে করেন?
ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে কার্ডভিত্তিক লেনদেন সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো তৃণমূল পর্যায়ে পিওএস ও ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা। কার্ডের বার্ষিক ফি এবং চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতার অভাবও একটি বাধা। ছোট মার্চেন্ট বা বিক্রেতাদের ডিজিটাল লেনদেনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে বাড়তি খরচ বা ফির একটি প্রভাব দেখা যায়। ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধের কারণে অনেকেই ক্রেডিট কার্ড নেয়া থেকে বিরত থাকেন।
বাংলাদেশে জনসাধারণের মধ্যে কেনাকাটায় কার্ড ব্যবহারকে আরো জনপ্রিয় করতে আপনাদের উদ্যোগগুলো কী কী?
আমরা কার্ড ব্যবহারকে আরো সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করতে কাজ করছি। বছরে মাত্র ১৮টি লেনদেন করলে বার্ষিক নবায়ন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করার সুবিধা দিচ্ছি আমরা। গ্রাহকের জন্য অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই কার্ডের বিল পরিশোধ ও লেনদেন নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলোয় আমাদের কার্ডধারীরা ডিসকাউন্ট এবং হেলথ চেকআপ সুবিধা পাচ্ছেন। জরুরি নগদ অর্থের প্রয়োজনে গ্রাহকের ক্রেডিট লিমিটের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ উত্তোলনের সুবিধা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে বিশেষ ফেস্টিভ্যাল ক্যাম্পেইন, ডিসকাউন্ট এবং ক্যাশব্যাক সুবিধা, প্রিমিয়াম কার্ডে লাউঞ্জ কি ও প্রায়োরিটি পাস লাউঞ্জ অ্যাকসেস। ‘ক্রেডিট শিল্ড’ জীবন বীমা পরিকল্পনার মাধ্যমে মৃত্যু বা দুর্ঘটনায় দেয়া হচ্ছে দ্বিগুণ বীমা কভারেজ।
ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধিতে সরকার কী ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে?
ডিজিটাল লেনদেন উৎসাহিত করতে সরকার কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় ভ্যাট ছাড় বা সরাসরি ক্যাশব্যাক প্রদানের নীতি গ্রহণ করতে পারে। এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য করছাড় বা বিশেষ প্রণোদনা দিলে দেশে দ্রুত ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে উঠবে।










