আর দশটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানের মতো এক বুক স্বপ্ন নিয়ে রাজধানী ঢাকায় আসেন গাজী ইফতেখার হোসেন। বাবার মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ির স্টেশনারির দোকানে বসা শুরু করেন তার বড় ভাই। পরিবারের এই দুইজনই কর্মক্ষম ব্যক্তি; তিন ভাই, দুই বোন, অসুস্থ মা সহ পুরো পরিবারের দায়িত্ব তাই ইফতেখারের কাঁধেই ছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি দেশের টেলিকম খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রবি’র ফাইন্যান্স বিভাগের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগ দেন তিনি। কিন্তু, চাকরিতে যোগ দেয়ার ১ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনায় জীবনের চাকা থেমে যায় তার।

মাত্র কয়েকমাস আগেই বিয়ে হয় ইফতেখারের। একদিকে তার মৃত্যুতে শোকে হতবিহ্বল পুরো পরিবার; অন্যদিকে পরিবারের ওপর কালো ছায়ার মতো জেঁকে বসে থাকা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা! দেখা যায়, একজনের জীবনহানির কারণে পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎই হুমকির মুখে পড়ে। তবে,এ ধরনের অকালমৃত্যুতে পরিবারগুলোর যেরকম সর্বহারা হওয়ার উপক্রম হয়, ইফতেখারের পরিবারের ক্ষেত্রে হয়েছে ঠিক ব্যতিক্রম ।

কারণ, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে কর্মীদের মুক্ত রাখতে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সঙ্গে রবির গ্রুপ ইনস্যুরেন্স চুক্তি ছিলো। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দ্রুততম সময়ের মধ্যে বীমা দাবি নিষ্পত্তি করে গার্ডিয়ান। সেই অনুযায়ী, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর কারণে বেতনের ৫০ গুণ অর্থ লাভ করে ইফতেখারের পরিবার।

অনিশ্চিত এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে অনেকে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠানের চুক্তি। দেশ-বিদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান আজকাল কর্মী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা করতে ইন্স্যুরেন্স পলিসি গ্রহণ করছে। পরিবারের কর্মক্ষম ব্যক্তির অকালমৃত্যুর পর যেন পরিবারটি হুট করে পথে না বসে, তা নিশ্চিত করতে অনেক প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতি অনুসরণ করছে।

বীমা এখন আর শুধু প্রয়োজন নয়, বিপদের মুহূর্তে পরিবারকে আর্থিকভাবে নিশ্চিন্ত রাখার একটি অন্যতম উপায়ও। আর তাই, রবি তার দেড় হাজার কর্মী ও তাদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গার্ডিয়ানের ইন্স্যুরেন্স পলিসি গ্রহণ করেছে। বিজ্ঞপ্তি।