স্বাস্থ্যসেবা ও সৌন্দর্যচর্চার সমন্বয়ে নতুন মাত্রা যোগ করে প্রাভা হেলথ তাদের বনানী শাখায় পুনরায় চালু করল ‘বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার’। নতুনভাবে পুনর্গঠিত ও সজ্জিত এই ফ্লোরে এক ছাদের নিচে ডার্মাটোলজি, ডেন্টাল সার্ভিস, ফিজিওথেরাপি ও নিউট্রিশন কাউন্সেলিংয়ের মতো আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও সৌন্দর্যসেবা একত্রিত করা হয়েছে।
রিলঞ্চ প্রগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয় বনানীতে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতনামা সেলিব্রিটি, ইনফ্লুয়েন্সার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হৃদি শেখ এবং নাতাশা হায়াত।
রিবন কেটে নতুনভাবে সজ্জিত এই সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাভা হেলথের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন ইমন এবং চিফ অপারেটিং অফিসার ডা. সিমীন এম. আখতার।
নতুন এই সেন্টারে ক্লিনিক্যাল উৎকর্ষের পাশাপাশি নান্দনিক অভিজ্ঞতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একটি নিরিবিলি ও আরামদায়ক পরিবেশে এখানে রয়েছে পার্সোনালাইজড কনসালটেশন স্যুট, মৃদু আলো, বাছাই করা ওয়েলনেস প্লেলিস্ট এবং প্রাভার নিজস্ব স্বাক্ষর সুবাস, যা একজন রোগীর চিকিৎসা অভিজ্ঞতাকে আরও পরিপূর্ণ করে তোলে।
প্রাভা হেলথ কর্তৃপক্ষ জানায়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের যত্নই নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পথকেই সুগম করতে চায়। এস্থেটিক শাখার বিশেষজ্ঞরা এখানে সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন, যাতে রোগী বা ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজড ওয়েলনেস সল্যুশন প্রদান করা যায়।
প্রাভা হেলথ
প্রাভা হেলথ বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্য সেবা প্ল্যাটরম, যা দেশের মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য উচ্চ মানের সেবা প্রদান করে। প্রাভা ক্লিনিক সেবা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্রযুক্তির মিশ্রণে স্বাস্থ্যসেবা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করে পরিবারিক চিকিৎসকের মাধ্যমে।
প্রাভা হেলথ বাংলাদেশের কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানের ডায়াগনস্টিক ল্যাবের একটি, যা দেশের প্রথম রোগী অ্যাপ এবং মলিকুলার ক্যান্সার ডায়াগনস্টিকস পিসিআর ল্যাব চালু করেছে এবং সারা দেশে ল্যাব সেবা প্রদান করছে।
বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী কাজের জন্য, প্রাভা ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম থেকে গ্লোবাল ইনোভেটর, ২০২১ সালে টেকনোলজি পায়নিয়র, এবং ২০২০ সালে ফাস্ট কম্পানি ওয়ার্ল্ড চেঞ্জিং আইডিয়া পুরস্কার পেয়েছে। হার্ভার্ড এবং কলম্বিয়া বিজনেস স্কুলও প্রাভাকে তাদের কেস স্টাডিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ২০২৩ সালে এটি EY এবং হোগান লভেলস থেকে টপ ১০০ মিনিংফুল বিজনেস তালিকায় এসেছে, এবং ২০২৪ সালে TEAMFund থেকে গ্লোবাল হেলথ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। - বিজ্ঞপ্তি










