যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে গত ১৫ জুলাই ‘বাংলাদেশ ২.০: গণতন্ত্র, সংস্কার ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা’ শীর্ষক এক কংগ্রেশনাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বাংলাদেশ আমেরিকা অ্যালায়েন্স, রাইট টু ফ্রিডম এবং বাংলাদেশ রিসার্চ, অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভায় মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও বিশ্লেষকেরা অংশ নেন।
রাইট টু ফ্রিডম-এর প্রেসিডেন্ট জন ড্যানিলোভিচ সূচনা বক্তব্যে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্য তুলে ধরেন। প্রধান বক্তা কংগ্রেসম্যান লয়েড ডগেট (ডেমোক্র্যাট–টেক্সাস) আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমালোচনা করেন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্র জোরদারে মার্কিন সমর্থনের আহ্বান জানান। কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভার্ন (ডেমোক্র্যাট–ম্যাসাচুসেটস) মানবাধিকার ও আঞ্চলিক সম্পৃক্ততায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার ওপর জোর দেন। বাংলাদেশ আমেরিকা অ্যালায়েন্সের কো-চেয়ার ফারহানা সুলতানা আয়োজনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন এবং বিপ্লব-পরবর্তী প্রভাব নিয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে দুটি পৃথক প্যানেল আলোচনায় গণতান্ত্রিক সংস্কার ও ভূরাজনৈতিক কৌশলের বিষয়গুলো ঘিরে বিশদ আলোচনা হয়। প্রথম প্যানেলে (সভাপতিত্ব করেন ফারহানা সুলতানা) অংশ নেন আরএফকে হিউম্যান রাইটসের ক্যাথরিন কুপার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অরনী সেমন্তি খান এবং নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির দিনা সিদ্দিকী। দ্বিতীয় প্যানেলে (সভাপতিত্ব করেন শামারুখ মহিউদ্দিন) অংশ নেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল মোজেনা, ফরেন পলিসির বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান, দ্য এশিয়া গ্রুপের মৌসুমি খান এবং আমেরিকান ইউনিভার্সিটির এহতেশামুল হক। প্রায় ৬০ জন অতিথি—যার মধ্যে কংগ্রেস কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারক, থিংক ট্যাঙ্ক, প্রবাসী বাংলাদেশী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও বেসরকারি খাতের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন—এ আয়োজনে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য গবেষণা, কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।- বিজ্ঞপ্তি










