আয়োডিন অভাবজনিত সমস্যা একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এ সমস্যা নিরসন এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব আয়োডিন দিবস। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিক ভবন দিবসটি উদযাপন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিসিক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. নাজমুল হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গেইন বাংলাদেশের লার্জ স্কেল ফুড ফর্টিফিকেশনের পোর্টফোলিও লিড ড. আশেক মাহফুজ।
সেমিনারে আলোচনা করেন বিসিকের পরিচালক (শিল্প উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) মুহ. খায়রুজ্জামান, বিসিক ঢাকার লবণ সেল প্রধান সরোয়ার হোসেন, টেকনো সার্ভ, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. গুলজার আহম্মেদ ও বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের (এনআই) ও গেইনের প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, লবণ মিল মালিক, সাধারণ ভোক্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে আশেক মাহফুজ বলেন, আয়োডিন শরীরে স্টোর হয় না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন শেষ হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন আয়োডিন প্রয়োজন। প্রধান সমস্যা হিসেবে গলগণ্ড রোগের কথা বলা হলেও আয়োডিন সঠিকভাবে না পেলে বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতি হবে না।
মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, আয়োডিন একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। আয়োডিন মানুষের স্বাভাবিক, মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। দেশে অনুপুষ্টির অভাবজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে আয়োডিন ঘাটতিজনিত সমস্যা অন্যতম। এ সমস্যা মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সচেতনতাই পারে আয়োডিনজনিত সব রোগ নির্মূল করতে।
সেমিনারের আগে অতিথিরা বিসিক ভবনে লবণ সেলের উদ্বোধন করেন। এ সময় সাংবাদিকসহ উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সেলটি ঘুরে দেখেন।










