ভারতীয় ও পারসিক সভ্যতার মানুষের মধ্যে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই যোগাযোগ ছিল। তাদের এ যোগাযোগ প্রাচীন ও মধ্য যুগে আরো দৃঢ় হয়। এ ধারাবাহিকতায় পারস্য মোগল সাম্রাজ্য ও দাক্ষিণাত্যের সালতানাতগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এসেছে। দাক্ষিণাত্য ও পারস্য উভয় অঞ্চলেই অভিবাসন ছিল সহজ। কোনো ভূরাজনৈতিক বিধিনিষেধ ছিল না। ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি হওয়া, দাক্ষিণাত্যের শাসকদের রাজ্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষা এবং শিল্প, স্থাপত্য ও সাহিত্যের প্রতি তাদের অনুরাগ ছিল এ দুই অঞ্চলের সম্পর্কের প্রধান কারণ।

চতুর্দশ শতাব্দীতে পারসিকদের আগমনের কারণে দাক্ষিণাত্যে ইসলামের উত্থান ঘটছিল। এটা ছিল ইন্দো-পারসিক সংস্কৃতির উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পুরো দাক্ষিণাত্য ১৬০০ থেকে ১৭০০ শতাব্দী পর্যন্ত পারসিক সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত ছিল। পারসিক সংস্কৃতি চরিত্রগতভাবে মর্যাদাপূর্ণ এবং বিশ্বজনীন হিসেবে বিবেচিত হতো, যা দাক্ষিণাত্যের আঞ্চলিক শাসকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছিল। কয়েক শতাব্দী ধরে এ ধরনের সাংস্কৃতিক অভিযোজন দাক্ষিণাত্যকে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর মঞ্চ হিসেবে তৈরি করেছিল। এর মধ্যে পারসিক-দাক্ষিণাত্য সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর মাধ্যমেই পারস্য এবং দাক্ষিণাত্যের সংস্কৃতির মিলন ঘটেছিল। পারস্যের অধিবাসীরা দাক্ষিণাত্যে অভিবাসী হয়ে এসেছিল। সেখানে তারা তাদের নানা সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়। ভারতীয় উপমহাদেশের বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিম ঘাটের মাঝে অবস্থিত এ অঞ্চলের সংস্কৃতিকে দক্ষিণী সংস্কৃতি বলা হয়।

দাক্ষিণাত্যের রাজ্যগুলো পাঁচটি সালতানাতে বিভক্ত ছিল। সেগুলো হলো আহমেদ নগর (নিজাম শাহী রাজবংশ), বেরার (ইমাদ শাহী রাজবংশ), বিদার (বারিদ শাহী রাজবংশ), বিজাপুর (আদিল শাহী রাজবংশ) এবং গোলকোন্ডা (কুতুব শাহী রাজবংশ)। এগুলো কৃষ্ণা নদী ও বিন্ধ্যা পর্বতমালার মাঝে অবস্থিত ছিল। বাহমানী সাম্রাজ্যের পতনের পর এ রাজ্যগুলো আলাদা হয়ে গিয়েছিল। শুরুতে সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক তার সাম্রাজ্যের রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে স্থানান্তর করলে অল্প কিছু সংখ্যক পারসিক অধিবাসী উত্তর ভারত থেকে দাক্ষিণাত্যে আসে। এরপর অনেক মানুষ সরাসরি পারস্য থেকে দাক্ষিণাত্যে আসে। পারস্যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা (মোঙ্গল হুমকি) এবং দাক্ষিণাত্যের সালতানাতগুলোর সঙ্গে পারস্যের শাসকদের সরাসরি যোগাযোগ থাকার কারণে দাক্ষিণাত্যে পার্সিয়ানদের অভিবাসনকে ত্বরান্বিত করেছিল। অভিবাসনকামী এসব মানুষের মধ্যে ছিল ওলামা, কবি, লেখক, স্থপতি, কারিগর, নির্মাতা, ক্যালিগ্রাফার ও ব্যবসায়ী। দাক্ষিণাত্যে ফারসি ভাষার ব্যাপক প্রভাব ছিল এবং সব সালতানাতই ফারসিকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।

বাহমানী সালতানাত

বাহমানী সালতানাতের প্রথম শাসক আলাউদ্দীন হাসান বাহমান শাহ পারস্যের বিখ্যাত কবি ও আলেমদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ইসামী, ফুতুহুস সালাতিন, শাইখ আইনুদ্দীন, মুফতি আহমেদ হারভী, সাইফুদ্দীন ঘোরী ও হাকিম তাবরেজী। তিনি তার সাম্রাজ্যে ফারসি ভাষা ও পারসিক সংস্কৃতিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। তিনি দাক্ষিণাত্যের ইলিচপুর, গুলবার্গা এবং দৌলতাবাদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করেছিলেন। বাহমানী ও পারসিক শাসকরা বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে বন্ধুত্ব কায়েম করেছিলেন। পারস্যের শাসক শাহ সাহিবের দৌহিত্র নূরুল্লাহ বাহমানী সুলতান শাহাবুদ্দীনের কন্যাকে বিয়ে করেছিলেন। পারস্যের আরেক অভিজাত ব্যক্তি খাজা মাহমুদ গাওয়ান গিলানীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ওয়াকিলুস সালতানাত, সামরিক কমান্ডার এবং মজলিসে বিলায়েতের সদস্য পদে।  তাকে বাহমানী সুলতান তৃতীয় মুহাম্মদ তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। বাহমানী সুলতান তৃতীয় মুহাম্মদ তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। মাহমুদ গাওয়ান সাম্রাজ্যকে গোয়া থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন এবং গোদাবরী ও কৃষ্ণা নদী সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। তিনি সাম্রাজ্যকে সহজে শাসন করার সুবিধার্থে আটটি অঞ্চলে বিভক্ত করেন। পারস্য থেকে তিনি বহু আলেম ও পণ্ডিত নিয়ে এসেছিলেন। খালাফ হাসান বসরী, খাজা হাসান আরদাস্তানী, শরফুদ্দীন শুস্তারী তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন। তাদের সেনাবাহিনী, তিরন্দাজী ও বেসামরিক প্রশাসনে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

 পারস্যের স্থপতি, কারিগর, নির্মাতা, ক্যালিগ্রাফার বাহমানী সালতানাতে এসেছিলেন এবং তারা বাহমানী সাম্রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অনেক কিছু নির্মাণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল সমাধি সৌধ, প্রাসাদ, দুর্গের মিনার, মসজিদ, মাদ্রাসা, দরগা ইত্যাদি। রঙিন মহল, তখত মহল, সোলাহ কাম্বা মসজিদ, মাহমুদ গাওয়ানের মাদ্রাসা; বাহমানী শাসকদের সমাধি সৌধ, যেমন ফিরোজ শাহ, আলাউদ্দীন আহমেদ, খলিলুল্লাহর দরগা, দৌলতাবাদ দুর্গের মিনার, চাঁদ মিনার, তখতে কিরমানী ইত্যাদি পারস্য, হিন্দু ও দিল্লি সালতানাতের স্থপত্যশৈলীর সংমিশ্রণের চমত্কার নিদর্শন।

পারসিক অভিবাসীরা শুধু শিল্প ও স্থাপত্যকলাতেই অবদান রাখেনি, প্রশাসন ও সামরিক বিষয়েও তাদের অবদান ছিল। পারসিক অভিজাত ব্যক্তিরা বাহমানী রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদেও নিয়োগ পেতেন। ফজলুল্লাহ ইনজু ছিলেন বিখ্যাত পারসিক ব্যক্তিত্ব, যিনি দ্বিতীয় মুহাম্মদের যুগে দাক্ষিণাত্যে এসেছিলেন। ইনজু সাহিত্য ও সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় মুহাম্মদ তাকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন; যেমন, সদর, আলিম, আতালাক, ওয়াকিলুস সালতানাত ইত্যাদি। ইনজুর কৌশল বিজয়নগর সাম্রাজ্যের প্রথম দেবরাজ ও কেরালার নার্সিং রায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাহমানী সালতানাতকে সাহায্য করেছিল। এমনকি তার পুত্র ও দৌহিত্রকেও বাহমানী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

বিজাপুর সালতানাত ও শিয়া প্রভাব

বাহমানী সালতানাত থেকে বিজাপুর আলাদা হয়ে গেলে পারসিকরা সেখানে আসে। এখানে একটি নতুন রাজ্য স্থাপিত হয়। এ সময় অনেক পারসিক ব্যবসায়ী ও অভিজাত ব্যক্তিরা বিজাপুরে হাজির হন। বিজাপুর রাজ্যের প্রথম শাসক ইউসুফ আদিল খানের (ইউসুফ আদিল শাহ) সঙ্গে পারস্যের শাসক ইসমাঈল সাফাভীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। সালমা আহমেদ ফারুকীর মতে, মধ্যযুগের ভারতীয় ঐতিহাসিকরা বলেছেন, বিজাপুর ১৬০০ শতাব্দীতে পারস্যের প্রভাবাধীনে এসেছিল, যখন পারস্যের বণিকরা পারস্য থেকে ঘোড়ার বাণিজ্য করার জন্য বিজাপুর এসেছিল। ইউসুফ আদিল শাহ শিয়া মতবাদকে রাষ্ট্রধর্ম করলে পারস্যের লোকজন বিজাপুরে আসতে উৎসাহিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, ইসমাঈল সাফাভী শিয়া মতবাদকে তার সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্ম করেছিলেন। বিজাপুরের সুলতান শিয়া মতবাদকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দিলে তিনি সুন্নি ও অভিজাত ব্যক্তিদের বাধার মুখে পড়েছিলেন। আদিল শাহ মসজিদে শিয়া খুত্বা প্রদান নিয়ে তেমন কঠোরতা না দেখালেও তার ছেলে আলী আদিল শাহ পিতার মতো উদার ছিলেন না।

শিয়া মতবাদের প্রভাব বাড়ায় বিজাপুর ও পারস্যের ধর্মীয় ব্যবধান ভেঙে যায় এবং একই সঙ্গে তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পর্ক বজায় রাখে। ঐতিহাসিক টিএন ডেভার তার ‘আ শর্ট হিস্ট্রি অব পার্সিয়ান লিটারেচার ১৯৬১’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, বিজাপুর ছিল মূলত পারস্য সাম্রাজ্যের একটি সম্প্রসারিত রূপ। বিজাপুরের সুলতান তার রাজ্যকে পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত মনে করে পুলক অনুভব করতেন। সুসম্পর্কের জন্য উভয় রাজ্যই দূত ও চিঠি আদান-প্রদান করত এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে একে- অন্যের পরামর্শ ও সাহায্য গ্রহণ করত। বিজাপুরের ইবরাহীম আদিল শাহ মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের হুমকি মোকাবেলায় পারস্যের শাসক প্রথম আব্বাসের সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। আদিল শাহ আব্বাসের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সাহায্যে তার রাজ্যকে জাহাঙ্গীরের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

গোলকোন্ডা সালতানাত

কুতুব শাহের গোলকোন্ডা রাজ্য ছিল দাক্ষিণাত্য মালভূমির আরেকটি উল্লেখযোগ্য সালতানাত। পারস্যের সঙ্গে এর গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিল। শিয়া মতবাদই এ রাজ্যকে কাছাকাছি এনেছিল। মুহাম্মদ কুলি কুতুব শাহ ছিলেন হায়দরাবাদ শহরের প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি তার রাজ্যে শিয়া মতবাদ পরিপালনে কঠোর ছিলেন। দাক্ষিণাত্যের অন্য শাসকরা ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়ে কোনো কঠোরতা আরোপ করেননি। তারা মানুষকে তার নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। গোলকোন্ডায় বিপুলসংখ্যক পারসিক আলেম, কবি, ক্যালিগ্রাফার, পণ্ডিত ও স্থপতি এসেছিলেন। সুলতানরা সম্ভাবনাময়ী পারসিক ব্যক্তিদের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছিলেন। আল্লামা মীর মুহাম্মদ মোমিন আস্ত্রাবাদী, আল্লামা ইবনে খাতুন, মির্জা রাজা কুলি বেগ, নাইক নাম খান এবং হযরত মীর মাহমুদ ছিলেন গোলকোন্ডা সালতানাতের বিখ্যাত পণ্ডিত। এদের মধ্যে প্রথম দুজনকে পেশওয়া-ই-সালতানাত (প্রধান প্রশাসক) পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। মীর মোমিন ছিলেন মুহাম্মদ কুলি কুতুব শাহের যুগের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

তেলেঙ্গানা স্টেট আর্কাইভসের পরিচালক ড. জারিনা পারভিন বলেন, আস্ত্রাবাদী একজন হাওলাদার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন এরপর তাকে ইন্দারকোন্ডা দুর্গে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত সৈয়দ বংশীয়। পরবর্তী সময় তিনি একজন বিশ্বস্ত প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনিই ছিলেন সেই ব্যক্তি, যিনি চারমিনার মসজিদসহ একটি শহরের মানচিত্র এঁকেছিলেন, যা ছিল হায়দরাবাদের প্রধান আকর্ষণ। হায়দরাবাদ শহর নির্মাণেও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ভালো শিক্ষক। অনেক সুলতানকে তিনি শিক্ষাদান করেছেন, যেমন সুলতান মুহাম্মদ। তিনি স্থাপত্যকলা, প্রশাসন, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় শিক্ষা দিতেন। তিনি গোলকোন্ডা ও পারস্যের মধ্যে কূটনীতিকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। পারস্যে তিনি অনেক দূত পাঠিয়েছেন বিশেষত আব্বাস সাফাভীর সময়ে। মীর মাহমুদ ছিলেন একজন বিখ্যাত পারসিক স্থপতি। তিনি গোলকোন্ডায় পারস্যের স্থাপত্যশৈলীতে অনেক সমাধি সৌধ ও ভবন নির্মাণ করেছেন। নায়েক নাম খান ছিলেন সুলতান আব্দুল্লাহ কুতুব শাহের বিখ্যাত সেনাপতি। বিজাপুরের শাসক আদিল শাহ গোলকোন্ডার শাসক আব্দুল্লাহর কাছে নাম খানকে তার সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য চেয়েছিলেন। এছাড়া আব্দুল্লাহ নায়েক নাম খানের নেতৃত্বে বিজাপুরে সৈন্য পাঠিয়েছিলেন মোগলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য।

এখনো গুরুত্বপূর্ণ পারসিক সংস্কৃতির প্রভাব দেখা যায় পুরো দাক্ষিণাত্য অঞ্চলে, বিশেষত হায়দরাবাদ শহরে। এখানে বর্তমানে শিয়া-সুন্নির সহাবস্থান দেখা যায়। শিয়া জনগোষ্ঠী তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। হায়দরাবাদের উন্মুক্ত স্থানে তারা আশুরার মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে। হায়দরাবাদের সালার জং জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে পারসিক সাহিত্য, পাণ্ডুলিপি, ফারসিতে অনূদিত বিরল ভারতীয় গ্রন্থ এবং পারসিক ডিজাইনের যুদ্ধাস্ত্র ও রাজকীয় পোশাকের বিরাট এক সংগ্রহ। এক কথায় পারস্য-দাক্ষিণাত্যের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধন খুঁজে পাওয়া যাবে হায়দরাবাদের প্রতিটি কোনায়।

 

সূত্র: এশিয়ান জার্নাল অব মাল্টিডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ