তবে বাড়ি ফেরার আগে আসরটি স্মরণীয় করে রাখার মতো পারফর‍ম্যান্স প্রদর্শন করল টমাস টুখেলের দল। শনিবার রাতে মায়ামিতে ১০ গোলের থ্রিলার লিখে তারা ৬-৪ গোলে হারাল ফ্রান্সকে। এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন আর্সেনাল ফরওয়ার্ড বুকায়ো সাকা। হ্যারি কেইন, গ্যারি লিনেকার ও জিওফ হার্স্টের পর চতুর্থ ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। ১৯৬৬ আসরে হার্স্ট, তার ২০ বছর পর লিনেকার এবং ২০১৮ সালে রাশিয়ায় হ্যারি কেইন হ্যাটট্রিক করেন।

মায়ামিতে রেকর্ড গড়ার পর আনন্দিত সাকা বলেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য। অবশ্যই উপভোগ্য আর অভাবনীয় অর্জন। আমি কেবলই জানলাম, ইংল্যান্ডের মাত্র চারজন খেলোয়াড় বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছেন এবং তারা কারা সেটা নিশ্চয়ই আপনারা জানেন। এলিটদের কাতারে নাম লিখিয়েছি আমি। এটা আমাকে গর্বিত করেছে।’

১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয় করে ইংল্যান্ড। এবার বিদেশের মাঠে ইংল্যান্ডের সফল বিশ্বকাপ আসর নিয়ে সাকা বলেন, ‘এর চেয়ে আরো ভালোভাবে টুর্নামেন্টটি শেষ করতে পারতাম আমরা, কেননা এই গ্রুপটি আরো ভালো কিছুর দাবি রাখে। এটা পরিষ্কার যে এই দলটি আজ নয় আগামীকাল (ফাইনাল) খেলতে পারত। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমরা আজই খেললাম। এ ম্যাচে আমরা ভালো করতে চেয়েছিলাম এবং সেটি আমরা করতে পেরেছি বলে অনেক খুশি।’

ব্রোঞ্জ ম্যাচে মূল একাদশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনেন কোচ টুখেল। তিনি নিশ্চয়ই নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি হবেন। ফ্রান্সের সমান ২০টি গোল করেছে তার দল। ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার গোল ছিল ১৯টি। কোচের কথায় উদ্দীপ্ত হওয়ার কথা জানিয়ে সাকা বলেন, ‘তিনি কেবলই আমাদের বলেছেন যে তিনি আমাদের নিয়ে কতটা গর্বিত এবং তিনি আমাদের অভাব অনুভব করবেন। আমরাও তার অভাব অনুভব করব। আপনারা জানেন, ছয়, সাত সপ্তাহ আমরা কতটা গভীর বন্ধনে আবদ্ধ ছিলাম। তার বার্তাটা আমরা গ্রহণ করেছি এবং একটি দল হিসেবে আজ যা করেছি তাতে আমরা গর্বিত। এখন আমরা পরবর্তী সময়ে জয়ের দিকে মনোযোগ দিতে চাই।’ ফিফা