আমাদের ছোটবেলায় টেলিভিশন এত সহজলভ্য ছিল না। এ কারণে এখনকার মতো ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাও ছিল না। তবে তখন খেলা বলতে আমরা মূলত ফুটবলই বুঝতাম। স্কুল ছুটি হলেই মনটা ছুটে যেত মাঠের দিকে। কখন বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল নিয়ে মাঠে নামব, সেই উৎকণ্ঠায় থাকতাম।

আমাদের বাড়িতে তখন ব্যাপক সবজি চাষ হতো। বিকালে মাঠে গিয়ে ফুটবল খেলতে হলে আগে একটা শর্ত পূরণ করতে হতো—সবজিখেতে পানি দিতে হবে। তাই স্কুল থেকে ফিরে যত দ্রুত সম্ভব সেই কাজ শেষ করতাম। আজও মনে পড়ে, কাজ শেষ করে বল হাতে মাঠের দিকে দৌড়ে যাওয়ার সেই আনন্দ, বন্ধুদের সঙ্গে বিকেলভর খেলা আর সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত মাঠে পড়ে থাকার স্মৃতি। ফুটবল তখন শুধু একটি খেলা ছিল না, ছিল আমাদের শৈশবের সবচেয়ে বড় আবেগ, আনন্দ আর বন্ধুত্বের এক অমূল্য বন্ধন।

আমি বরাবরই আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। তবে এ মুহূর্তে প্রিয় খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপ্পে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর উপস্থিতির কারণে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ পর্তুগাল জিততে পারে।