কভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকা না নেয়ার কারণে চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে পারেননি নোভাক জোকোভিচ। মেলবোর্নে তাকে আটকের পর ভিসা বাতিল করা হয়। পরে আদালত পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি। শেষ পর্যন্ত তাকে খেলতে না দিয়ে দেশে ফেরত পাঠায় অস্ট্রেলিয়া সরকার। মাঝে ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডনে ছাড় পেলেও ফের সমস্যায় পড়ছেন ইউএস ওপেনে। কভিড-১৯ টিকা না নেয়ায় তিনি খেলতে পারছেন না বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম আসরে।

নিউইয়র্কে আগামী ২৯ আগস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার ১৪২তম আসর।

টুর্নামেন্টের আয়োজকরা জানিয়েছেন, কভিড-১৯ টিকা না নেয়া খেলোয়াড়দের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়ে সরকারের নিয়মকে ‘সম্মান’ করবে তারা।

এক বিবৃতিতে আয়োজকরা জানান, গ্র্যান্ড স্ল্যামের নিয়ম অনুসারে, টুর্নামেন্টের প্রথম সোমবারের ৪২ দিন আগে র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে যোগ্যতা অর্জনকারী সব খেলোয়াড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরুষ ও নারী এককের মূল ড্রয়ে প্রবেশ করেছে। সে হিসেবে ইউএস ওপেনে খেলতে শীর্ষ বাছাই জোকোভিচের কোনো বাধাই ছিল না। কিন্তু টিকা না নেয়ায় তার খেলা হচ্ছে না ফ্লাশিং মিডোতে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইউএস ওপেনে খেলোয়াড়দের জন্য টিকা নেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই, তবে টিকাবিহীন নন-মার্কিন নাগরিকদের দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থানকে সম্মান করা হবে। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশী নাগরিকদের ঢুকতে হলে কভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকা দিতে হবে। এ নিয়মেই মূলত আটকে যাবেন তিনবারের ইউএস ওপেনের চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা না থাকলেও সরকারের নিয়মের কারণে টিকা দেয়া ছাড়া নন-আমেরিকানরা সেখানে ঢুকতে পারবেন না।

অথচ কদিন আগেই উইম্বলডন জিতে ক্যারিয়ারের ২১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি হাতে তুলেছেন জোকোভিচ। আরেকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতলেই শীর্ষে থাকা রাফায়েল নাদালকে (২২) ছুঁয়ে ফেলবেন তিনি।

এদিকে, ইউক্রেনের ওপরে আগ্রাসনের কারণে রাশিয়া ও তাদের সমর্থন করায় বেলারুশের টেনিস খেলোয়াড়দের উইম্বলডন থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এজন্য বিশ্ব টেনিস র্যাংকিংয়ের দুই নম্বর তারকা দানিল মেদভেদেভ, বেলারুশিয়ান আরিনা সাবালেঙ্কা ও সাবেক নাম্বার ওয়ান তারকা ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কার কপাল পুড়েছিল। তারা এবার ইউএস ওপেনে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।