মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে ১৭৯ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় পাকিস্তান। শেষ ১০ ওভারের বোলিং সাফল্যে পাকিস্তানকে দুশর আগে আটকে দিতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ এখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এ রান তাড়া করতে নেমে শোচনীয় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ১০৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অতিথিরা জিতেছে ৭৪ রানের ব্যবধানে। এ জয়ে তারা ৩-০তে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সমর্থ হয়। সালমান মির্জা ১৯ রানে ৩টি উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মাদ নওয়াজ ও ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

এর আগে ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন অনবদ্য বোলিং করে পাকিস্তানের স্কোরটা দুশর কাছাকাছি যেতে দেননি। ২০তম ওভারের প্রথম বলে মোহাম্মাদ নওয়াজকে ও তৃতীয় বলে ফাহিম আশরাফকে আউট করেন তিনি। শেষ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়েছেন অভিজ্ঞ এ পেসার। ২০ ওভারশেষে পাকিস্তানের স্কোর ১৭৮/৭।

টানা দুই ম্যাচ হেরে যাওয়া পাকিস্তান হোয়াইটওয়াশ এড়াতে মরিয়া। তাইতো আজ ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্ক সূচনা করে দলটি। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৭ রান ও ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৮৬ রান তুলতে সমর্থ হয় তারা। যদিও নাসুম আহমেদ ও তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিং ম্যাচে রাখে বাংলাদেশকে। শেষ ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ৯২ রান যোগ করে অতিথিরা। একটি পর্যায়ে তাদের স্কোরটা দুশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান ৪১ বলে ৬৩, হাসান নওয়াজ ১৭ বলে ২৩ ও মোহাম্মাদ নওয়াজ ১৬ বলে ২৭ রান করেন। তাসকিন ৩৮ রানে তিনটি, নাসুম ২২ রানে ২টি উইকেট নেন।

বাংলাদেশের একাদশে আজ আনা হয় পাঁচটি পরিবর্তন। বিশ্রাম দেয়া হয় ওপেনার পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানকে। যদিও এ পরিবর্তনের ফল নেতিবাচকই হলো। বড় হার দিয়ে সিরিজ শেষ করল স্বাগতিকরা।