আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হচ্ছে টি২০ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। এরই মধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। অপেক্ষা শুধু সময় ও সূচির। ছয় দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে লিগের প্রথম আসর। দক্ষিণ আফ্রিকার বড় ছয়টি শহরের নামে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। চমকপ্রদ বিষয় হলো, দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সবগুলো দলই কিনে নিয়েছে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। লিগটি আয়োজনের দায়িত্বে থাকবে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ)। তাদের সঙ্গে পার্টনারশিপ হয়ে কাজ করবে টেলিভিশন ব্রডকাস্টার সুপার স্পোর্ট।

প্রতিযোগিতার সম্ভাব্য নাম ‘দক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ লিগ’। প্রথম আসর শুরু হতে পারে ২০২৩ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, এই লিগে ভারতীয় ক্রিকেটাররাও অংশ নিতে পারেন। এমন সিদ্ধান্তই নাকি নিতে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

শুধু আইপিএল ছাড়া অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ভারতের ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি নেই। দ্য হিন্দু বলেছে, এ বিষয়ে এবার হয়তো কিছুটা নমনীয় হতে পারে দেশটির বোর্ড।

দক্ষিণ আফ্রিকার এ প্রতিযোগিতায় ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হলো জোহানেসবার্গ, কেপটাউন, পোর্ট এলিজাবেথ, প্রিটোরিয়া, পার্ল ও ডারবান।

এর মধ্যে চেন্নাই সুপার কিংসের মূল প্রতিষ্ঠান চেন্নাই সুপার কিংস স্পোর্টস লিমিটেড সবচেয়ে বেশি অর্থ দিয়ে কিনেছে জোহানেসবার্গ ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের মালিক রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ কিনেছে কেপটাউন ফ্র্যাঞ্চাইজি। পোর্ট এলিজাবেথের দলটি কিনেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক সান টিভি গ্রুপ। দিল্লি ক্যাপিটালসের অন্যতম মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার গ্রুপ কিনেছে ডারবান ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এছাড়া রাজস্থান রয়্যালসের মালিকরা কিনেছেন পার্ল ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রিটোরিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কিনেছে দিল্লি ক্যাপিটালসের সহস্বত্বাধিকারী জিন্দাল গ্রুপের জিন্দাল সাউথ ওয়েস্ট স্পোর্টস নামের প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিযোগিতার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন সিএসএর পরিচালক ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ।

দলের মালিকানা নিয়ে সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার বলেন, যারা দলগুলোর মালিকানা নিয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে টি২০ লিগে দল চালানোর। স্বাগত জানাই সবাইকে।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ লিগে ভারতীয় ক্রিকেটাররা খেলতে পারেন। ভারতীয় মালিকেরা দলগুলো কেনাতেই বিসিসিআই নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসার কথা ভাবছে। এক্ষেত্রে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিরা হয়তো অনুমতি পাবেন না।