নেপালের মাঠে ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পরই বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের নিয়ে বিদেশের লিগে আগ্রহ তৈরি হয়। মেসিডোনিয়ার লিগ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করলেও পরে সেটি আর সামনে এগোয়নি। এরপর বাংলাদেশের প্রায় এক ডজন খেলোয়াড় ভুটানের লিগে খেলার ডাক পান এবং তারা বর্তমানে সেখানে খেলছেন। সাফের সেরা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা খেলেন পারো এফসিতে। সেখানে প্রতি ম্যাচেই তিনি আলো ছড়ান। এবার ডাক পেলেন অস্ট্রেলিয়ার লিগে খেলার!

দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশনকে এ তথ্য জানান করেছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম। তবে তিনি জানিয়েছেন, ঋতুপর্ণার অস্ট্রেলিয়ায় খেলা নির্ভর করছে অনেক ‘যদি-কিন্তু’র উপর। কিন্তু কী সেই ‘যদি-কিন্তু’ সেটি তিনি খোলাসা করেননি। অবশ্য বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কিরণের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, এ ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই।

ফাহাদ করিম জানান, এশিয়া ও ইউরোপের বেশ কটি দেশের ক্লাবের সঙ্গে বাংলাদেশের নারীদের খেলা নিয়েও আলোচনা করছে ফুটবল ফেডারেশন।

ফাহাদ করিম বলেন, অস্ট্রেলিয়ার লিগের এজেন্ট ঋতুপর্ণাকে তাদের লিগে খেলানোর বিষয়ে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু এটা সফল হতে অনেক যদি-কিন্তু আছে। ইউরোপ ও এশিয়ার অনেক ক্লাবে আমাদের দেশের মেয়েদের আগামী বছর দেখা যাবে।

525397787_770748532181219_596547220610580086_n

অস্ট্রেলিয়ার যে ক্লাব থেকে খেলার প্রস্তাব পেয়েছেন ঋতুপর্ণা, সেটির নাম গোপন রেখেছে বাফুফে। তবে সেটি অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল প্রিমিয়ার লিগ উইমেনসের একটি ক্লাব, যারা খেলে সে দেশের নারী ফুটবলের তৃতীয় টায়ারে। এশিয়ান কাপ আগামী বছর মার্চে হবে অস্ট্রেলিয়ায়। কাজেই সেখানে খেলার সুযোগ নিতে পারেন ঋতুপর্ণা।

বাফুফের পরিকল্পনা হয়তো ভিন্ন। এশিয়া কাপ সামনে রেখে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে হাই ইন্টেনসিভ ট্রেনিং শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে বাফুফে এবং আগামী বছর এশিয়া কাপের আগে খেলবে কমপক্ষে ৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ডিসেম্বরে ঘরের মাটিতে নারী ফুটবল লিগ তো আছেই। তাই এ সময় ঋতুপর্ণাকে বাফুফে ছাড়তে নাও চাইতে পারে।

আগামী বছর মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় বসছে এশিয়া কাপ আসর। এ আসরে খেলবে ১২টি দল। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চীন, উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান।