তিনি বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে তারা পুরো ঐক্যবদ্ধ আছেন।’

মায়ামির প্রচণ্ড গরমে লড়াই করে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যাম জোড়া গোল করে জিতিয়েছেন ইংল্যান্ডকে। ওই ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, তার দল ভালো খেলেনি এবং পারফরম্যান্সে তিনি খুশি নন। তার এ কথার জবাবে বেলিংহ্যাম বলেছেন, ‘তিনি (টুখেল) বরং জানেন না, এমন কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয়।’

এরপর ইংল্যান্ডের ক্যাম্পে কোনো বিবাদের কথা উড়িয়ে দিয়ে কেইন বলেছেন, ‘এ রকম একটি ম্যাচ খেলার পর এবং শেষ বাঁশি বাজার মিনিট পাঁচেক পর তাকে প্রশ্ন করা হলো, কোচ আসলে কী বলেছেন, তা সে নিজেও ঠিক জানত না, তখন আপনি জুডের কাছে কী শুনতে চাইবেন? মাত্রই কঠিন এক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এসেছি আমরা। মাঠের পরিস্থিতি খুব কঠিন ছিল। দেখেন, বিভেদ তৈরির চেষ্টা করাটা সহজ—এটিকে বলে ইংরেজ মানসিকতা, এ ধরনের বড় টুর্নামেন্টে ইংরেজদের করার মতো একটা ব্যাপার বলে মনে হয় এটিকে। কিন্তু ব্যাপারটা সম্পূর্ণ উল্টো। আমরা আজ যেখানে আছি, তা আমাদের একতার কারণেই—শুধু ফুটবলার, কোচ এবং স্টাফদের কারণে নয়। মাঝে মাঝে বিষয়গুলোকে যতটা বড় করে দেখানো হয়, আসলে তা ততটা নয়।’

কোচের কণ্ঠে যে দলের অনেক স্তুতিও ছিল, তা মনে করিয়ে দেন অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটা বুঝি। মাঠে থাকা ফুটবলারই সবচেয়ে ভালো জানে, কখন তারা ভালো খেলছে, আর কখন ভালো খেলছে না; এটাই ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বস কী বোঝাতে চেয়েছেন, সেটাও আমরা বুঝতে পেরেছি, তিনি তো দলের অনেক প্রশংসাও করেছেন। তিনি বলেছেন যে দলের মানসিকতা, যা কখনো কখনো সবচেয়ে কঠিন অংশ, তা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই এমন আছি।’

কেইন আরো বলেন, ‘তিনি (টুখেল) মনের কথা অকপটে বলেন এবং লোকে তা পছন্দ করে। তিনি যখন কথা বলেন, কখনই তা পূর্বপরিকল্পিত থাকে না। এটাই তাকে তার মতো করে তুলেছে। যখন তিনি সহজাতভাবে কথা বলেন, তখন তা বিশ্বাস করতে হয়, তার কথা ও তার ধরনকে বিশ্বাস করতে হয়। তিনি যে বিশ্বের অন্যতম সেরা ম্যানেজার, সেটির তো কারণ আছে। আমরা তা বুঝি। গত দুই বছরে আমরা তাকে চিনেছি এবং খুব ভালো করেই জেনেছি কোন জিনিসে তিনি খুশি হন।’