ফিফা বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের জাপান ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচের প্রথমার্ধে ছিল ধীরগতির ও নিষ্প্রাণ। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শেষ পর্যন্ত দাইচি কামাদার গায়ে লেগে আসা এক গোলে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ ড্র করে জাপান।
আজ ভোরে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু ডনিয়েল মালেনের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর দীর্ঘ সময় দুই দলই আক্রমণে তেমন ধার দেখাতে পারেনি। বলের দখল বেশি ছিল নেদারল্যান্ডসের কাছে, তবে গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয় তারা। জাপানের গোলরক্ষক জিয়ন সুজুকি কয়েকটি প্রচেষ্টা রুখে দেন।
প্রথমার্ধে জাপানকে চেনাই যাচ্ছিল না। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইংল্যান্ড, ব্রাজিল ও জার্মানির মতো শক্তিশালী দলকে হারানো দলটির কাছ থেকে আরো আগ্রাসী ফুটবল প্রত্যাশা করেছিলেন সমর্থকরা। চোটের কারণে তাকুমি মিনামিনো ও কাওরু মিতোমাকে না পাওয়ায় দলটি কিছুটা দুর্বল দেখায়।
বিরতির পর ম্যাচে প্রাণ ফিরে আসে। ৫২তম মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে হেড করে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক। জাপানের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নেন তিনি।
তবে সাত মিনিট পরই সমতা ফেরায় জাপান। তাকেফুসা কুবোর পাস থেকে কিতো নাকামুরার শট দলে ফেরায় ম্যাচে। বলটি এক সতীর্থের গায়ে সামান্য ছোঁয়া লাগলেও রেফারি গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
এর কিছুক্ষণ পর আবারো এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। বক্সের ভেতরে ঢুকে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোল করেন ক্রিসেন্সিয়ো সামারভিল। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শেষ দিকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে নেদারল্যান্ডস—এমনটাই মনে হচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে কোকি ওগাওয়ার শট দাইচি কামাদার গায়ে লেগে জালে জড়ায়। সেই গোলে ২-২ সমতা ফেরায় জাপান।
ডালাসে শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।














