খাঁটি স্বর্ণ চিনতে ভুল করেননি পেপ গার্দিওলা। জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ৫১ মিলিয়ন পাউন্ডে এর্লিং ব্রট হালান্ডকে এবং ১৪ মিলিয়ন পাউন্ডে রিভার প্লেট থেকে জুলিয়ান আলভারেজকে এক জোয়ালে বাঁধলেন স্প্যানিশ কোচ। গোল নেশায় মত্ত হালান্ড ছুটছেন পাগলা ঘোড়ার মতো। এরই মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে দুই হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ ম্যাচে ৯ গোল করেছেন। মাঠে সময় কম পেলেও আলভারেজও চেনাচ্ছেন নিজের জাত।

তাদের মধ্যে অভূতপূর্ব মিলও রয়েছে। দুজনের জন্ম ২০০০ সালে। তারা খেলেনও একই পজিশনে অর্থাৎ সেন্টার ফরোয়ার্ড। তাদের জার্সি নম্বরও দারুণ মিল ‘নাইন’ ও ‘নাইনটিন’। একই পজিশনের খেলোয়াড় হওয়ায় কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলেন, আলভারেজকে হয়তো বেঞ্চে বসেই সময় কাটাতে হবে। কিন্তু ডাগআউটের পাকা খেলোয়াড় গার্দিওলার কৌশল বোঝা দায়। প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ ম্যাচে নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে ১-৩-২-৪ ফরমেশনে খেলিয়ে সবার ধারণা পাল্টে দিয়েছেন তিনি। টপ ফরওয়ার্ডে হালান্ড ও সেন্টার ফরোয়ার্ডে খেলালেন আলভারেজকে। হালান্ড তুলে নিলেন হ্যাটট্রিক আর আলভারেজ করলেন জোড়া গোল। এর আগে বার্সেলোনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচেও গোল করেন আর্জেন্টাইন ইয়াংস্টার। সব মিলিয়ে ১৪৭ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছেন।

ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন বলেন, আমি আবার বলছি, এ বন্ধুটি কার্যত গোলের সব রেকর্ড ভাঙতে চলেছে। সে খুব বড়, খুব দ্রুত, পরিষ্কার কোনো লক্ষ্যের দিকে যাচ্ছে। সে এমন একটি দলে খেলছে, যারা কয়েক ডজন গোলের সুযোগ তৈরি করে প্রতি ম্যাচে। তাকে (হালান্ড) যা করতে হবে, তা হলো ফিট থাকা।

এমন পারফরম্যান্সে শিষ্যর প্রশংসা করতে দ্বিধা করেননি কোচ পেপ গার্দিওলাও। ম্যানসিটি কোচ বলেছেন, আমি জোর দিয়ে হালান্ডকে বলেছি সার্জিও আগুয়েরোর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে।