ম্যাচের পরে তিনি বলেন, আমি সত্যিই বিধ্বস্ত; সতীর্থদের জন্য, আমাদের পুরো দল, কর্মকর্তা এবং কোটি ভক্ত-সমর্থক—সবার জন্যই আমার বুকটা ভেঙে যাচ্ছে। ম্যাচের অধিকাংশ সময়জুড়েই আমরা দারুণ ফুটবল খেলেছি। একবার ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আমরা স্রেফ সেই ব্যবধানটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করছিলাম; যা এই উচ্চমানের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। এই পরাজয়ে আমি সত্যিই বিধ্বস্ত।
কেইন বলেন, ছেলেরা এখানে আসার জন্য তাদের শেষ রক্তবিন্দু, ঘাম আর অশ্রু ঢেলে দিয়েছে। তাই আজ জয়ের এত কাছাকাছি এসেও ছিটকে যাওয়াটা হৃদয়বিদারক।
ম্যাচে আর্জেন্টিনার চাপ ও নিজেদের রক্ষণভাগ সামলানোর মুহূর্তগুলো স্মরণ করে তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার প্রথম গোলের পর তাদের ওপর চাপ বজায় রাখা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাদের একেকজন আক্রমণে আসছিল, বিপরীতে আমরা রক্ষণভাগ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছিলাম। আক্রমণগুলো রুখে দিয়ে টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির শেষ মুহূর্তের দুটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা। শিরোপার লড়াইয়ে এবার তাদের সামনে স্পেন। আগামী রোববার নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত এ মেগা ফাইনাল









