এ নিয়ে টানা দুটি টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জিতল জিম্বাবুয়ে। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে একই ভেন্যুতে আফগানিস্তানকে ইনিংস ও ৭৩ রানে হারিয়েছিল দলটি। গতকালের আগপর্যন্ত সেটাই ছিল তাদের বৃহত্তম টেস্ট জয়।

২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করেছিল বাংলাদেশ, যারা প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় ১৪০ রানে। সোমবার দিনের শেষ ভাগে ৯ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় তারা। সে সময়েই হারায় ওপেনার সাদমান ইসলামকে। গতকাল এক উইকেটে ৪০ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় দিন বিকালের সেশনে ১৮৫ রানে অলআউট অতিথি দল। এর মাধ্যমে ২৫ বছর পর টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারের এক লজ্জাজনক রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারেই হারাতে হয় দ্বিতীয় উইকেট। আগের দিনের সংগ্রহে মাত্র এক রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ইনিংসের একাদশ ওভারে ব্যাকফুটে থাকা জয় বলের লাইনে ব্যাট আনতে ব্যর্থ হন।

এরপর মুমিনুল হককে ফেরান ব্লেসিং মুজারাবানি। স্লিপে ব্র্যাড ইভান্সের দুর্দান্ত এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল (১৩)। সফরকারীরা ৪৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায়।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (৩০) ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম (৩৪) হাল ধরে ৬০ রানের জুটি গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১১৭ রানের মধ্যে এ দুজনের বিদায় ঘটার পর শেষ ৫ উইকেটের পতন ঘটে ৬৮ রানের মধ্যে।

একমাত্র টেস্ট শেষে এবার তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুটি দল। ৬ জুলাই শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ, টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১৫ জুলাই থেকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ১৪০ ও ১৮৫। জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস: ৪১০/১০। ফল: জিম্বাবুয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানে জয়ী। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: ইনোসেন্ট কাইয়া।