বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১০০-এর নিচে নামিয়ে আনতে চান দলটির ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার। বাংলাদেশের কিশোরীদের অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে নেয়ার পর আজ সোমবার লাওস থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় তিনি সামনের দিনের লক্ষ্য তুলে ধরেন।

রোববার শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এরপরও আটটি রানার্সআপ দলের মধ্যে সেরা তিনে থাকায় বাংলাদেশের মেয়েরাও পেয়েছে মূল পর্বের টিকিট। গত মাসেই মেয়েদের সিনিয়র এশিয়ান কাপেও প্রথমবারের মতো খেলার টিকিট পেয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। বাটলার এবার এশিয়ান কাপে তুললেন অনূর্ধ্ব-২০ দলকেও। স্বভাবতই দলটির কোচ বাটলার ভীষণ উচ্ছ্বসিত।

বাটলারের মূল ভাবনা মূলত সিনিয়র টিম নিয়ে। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে দারুণ করার সুবাদে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ২৪ ধাপ উন্নতি করে ১০৪তম স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজ জার্সিধারীদের এখন ১০০-এর মধ্যে নিয়ে আসার লক্ষ্য বাটলারের। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা যেটা অর্জন করেছি। সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের দিকে ফিরে তাকালে, আমার মনে হয়, এটি গত বছর চায়নিজ তাইপে থেকে শুরু হয়েছিল। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে ফিফা র‍্যাংকিংয়ে আমাদের উত্থান আসলেই বাস্তবায়িত হয়েছে। একটি প্রতিযোগিতামূলক ও আরো স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ তৈরি করার ক্ষমতা আমাদের আছে এবং মেয়েরা অত্যন্ত ভালো করেছে।’

saff

তিনি আরো বলেন, ‘তারা যা অর্জন করেছে, স্বীকৃতি, প্রশংসা তাদের প্রাপ্য। আমি মনে করি, (র‍্যাংকিং) এটি খুব দ্রুত নেমে আসতে পারে, খুব দ্রুত উপরেও যেতে পারে। তাই আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং আবারো চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। অধ্যাবসয়ের সঙ্গে চেষ্টা করতে হবে যাতে ফিফা র‍্যাংকিং ধরে রাখা যায় এবং এটিকে ১০০-এর নিচে নামিয়ে আনা যায়।’

অনূর্ধ্ব-২০ উইমেনস এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-১ গোলে হার নিয়ে তিনি বলেন, ‘কারো জ্বর হয়েছিল, চোট ছিল এবং আমাদের সমস্যা হয়েছিল, কিন্তু তারা যেভাবে খেলে সেটার প্রশংসা আমি করি। আমার মনে হয়, আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা যা অর্জন করতে চেয়েছিলাম, তা করেছি, কেকের উপরের পনিরটুকু খেতে পারিনি, তবে গতকাল (রোববার) বিশ্বের অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলের সেরা দলগুলোর মধ্যে একটির বিপক্ষে খেলেছি। (এগিয়ে যাওয়ার পর) আমরা রক্ষণাত্মক হতে পারতাম, নিচে নেমে খেলতে পারতাম, জীবন দিয়ে গোলটি আগলে রাখার চেষ্টা করতে পারতাম, কিন্তু আমি এর সঙ্গে একমত নই। আমি এভাবে কাজ করি না। তবে হ্যাঁ, সামগ্রিকভাবে মেয়েদের জন্য আনন্দিত এবং সত্যিই গর্বিত।’