আগামী জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি২০-এর (আইএলটি২০) প্রথম আসর। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার কথা ছিল আসরটি। কিন্তু সবকিছু গোছাতে না পারায় এক বছর পিছিয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসকে পুনর্নির্ধারণ করেছে এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

এ টুর্নামেন্টে থাকছে পেট্রোডলারের ঝংকার। এ লিগে শীর্ষ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের মৌসুমপ্রতি সাড়ে ৪ লাখ ডলার পারিশ্রমিক দেয়া হবে। খেলোয়াড় কেনা বাবদ প্রতিটি দলের জন্য ২৫ লাখ ডলার নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

৬ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে আইএলটি২০-এর প্রথম আসর। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি থাকবে এ আসরে। লিগ পর্বে প্রত্যেক দল একে অন্যের বিপক্ষে দুবার করে মুখোমুখি হবে। চারটি প্লে-অফসহ মোট ৩৪ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ১৮ জন করে খেলোয়াড় কিনতে পারবে। ১৮ খেলোয়াড়কে ৯ ক্যাটাগরিতে বেতন দেয়া হবে। সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন ৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সঙ্গে যুক্ত হবে ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের লয়্যালিটি বোনাস। তাতে প্রায় সাড়ে চার লাখ ডলার পাবেন তারা। ছয় দলের ছয় ক্রিকেটার এ ক্যাটাগরিতে থাকবেন। সর্বনিম্ন ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে ১০ হাজার ডলার।

আর্থিক বিবেচনায় আইপিএলের পর এটাই হতে যাচ্ছে খেলোয়াড়দের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় লিগ। আইপিএলে সর্বোচ্চ বেতনভুক্ত খেলোয়াড় পান ২০ লাখ ডলারের বেশি, পিএসএলে পান ২ লাখ ডলার, দ্য হান্ড্রেডে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৪ হাজার ডলার এবং বিগ ব্যাশে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়কে দেয়া হয় ২ লাখ ৩৮ হাজার ডলার।

আইএলটি২০ লিগে দ্বিতীয় ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন ২ লাখ ৬০ হাজার ডলার, তৃতীয় ক্যাটাগরিতে ২ লাখ ২০ হাজার ডলার, চতুর্থ ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার, পঞ্চম ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ডলার, ষষ্ঠ ক্যাটাগরিতে ৬০ হাজার ডলার, সপ্তম ক্যাটাগরিতে ৪০ হাজার ডলার, অষ্টম ক্যাটাগরিতে ২০ হাজার ডলার ও নবম ক্যাটাগরিতে ১০ হাজার ডলার।

এদিকে, জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজিভত্তিক টি২০ লিগের প্রথম আসর ও বিগ ব্যাশ লিগ। তিনটি লিগ একসঙ্গে শুরু হলেও ডলারকে প্রাধান্য দিয়ে আইএলটি২০তে ঝুঁকতে পারেন ক্রিকেটাররা। কারণ এরই মধ্যে দুবাই ক্যাপিটালস নামের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ডেভিড ওয়ার্নারকে চুক্তিবদ্ধ করেছে।