বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে তৃতীয় বিভাগ বাছাই ক্রিকেট থেকে উঠে আসা ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা স্থগিত করা হয়েছে।
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে নাখালপাড়া ক্রিকেটার্সের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আজ রোববার এ আদেশ দেন। ফলে ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরা আগামীকালের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরের নাম রেখে গত ২৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে বিসিবির নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরের নাম অন্তর্ভুক্তির বৈধতা নিয়ে বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলর বা প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম স্থগিত করেন। আজ সেই রায় স্থগিত হলো।
রিট আবেদন থেকে জানা যায়, ১৫টি ক্লাব হলো এক্সিউম ক্রিকেটার্স, ঢাকা ক্রিকেট একাডেমি, পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব, নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমি, ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্স, প্যাসিফিক ক্রিকেট একাডেমি, স্যাফায়ার স্পোর্টিং ক্লাব, মোহাম্মদপুর ক্রিকেট ক্লাব, গুলশান ক্রিকেট ক্লাব, ভাইকিংস ক্রিকেট একাডেমি, নাখালপাড়া ক্রিকেটার্স, বনানী ক্রিকেট ক্লাব, মহাখালী ক্রিকেট একাডেমি, ধানমন্ডি ক্রিকেট ক্লাব ও আলফা স্পোর্টিং ক্লাব।
তবে ১৫টি ক্লাবের জন্য ভোটদানের সুযোগ তৈরি হলেও ভোটের মাঠের পরিবেশটা এখন বিষন্ন। কারণ, সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ বিএনপিপন্থী ১৫-১৬ জন পরিচালক প্রার্থী এরই মধ্যে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আগামীকালের ভোটে তারা থাকছেন না। শুক্রবার মোহামেডান ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে আলটিমেটাম দেয়া হয়, নির্বাচন পেছানোসহ তিন দফা না মানলে ঢাকার সব ধরণের ক্রিকেট বর্জন করবে ৪৮টি ক্লাব। এমন পরিস্থিতিতেই কিনা ১৫টি ক্লাবের ভোটদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হলো আদালতের রায়ে।
এদিকে, আজ ছিল বিসিবি সভাপতি হিসেবে আমিনুল ইসলামের শেষ দিন। দ্বিতীয় মেয়াদে তার নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচনে সরকারি সমর্থন পাওয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি আজ বিসিবিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে আমার কাছে সরকারের প্রভাব কিছু মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার (বিসিবিতে) চালিয়ে যাওয়া দরকার। আমাকে যারা ভোট দিচ্ছেন বা ভোট দেবেন না অথবা আপনারা (সাংবাদিক) যারা আছেন যদি মনে করেন আমি যথেষ্ট ভালো না, আমি চলে যেতে আগ্রহী আছি যেকোনো সময়।’
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিসিবির সহ সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম।









