ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। আজ বৃহস্পতিবার বিজয়ী হওয়ার পর তিনি বলেছেন, ক্রিকেটারদের স্বার্থে ও দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ক্রিকেট বোর্ডের মুখোমুখি হতে পিছপা হবেন না তিনি।

গতকাল কোয়াবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১১টি পদের মধ্যে ১০টিতেই একক প্রার্থী থাকায় তারা নির্বাচিত হয়ে যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। কেবল সভাপতি পদেই ছিল নির্বাচন। সেখানে মিঠুনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার সেলিম শাহেদ। ২১৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৯০ জন। মিঠুন পেয়েছেন ১৫৪ ভোট, সেলিম ৩৪টি। বাকি দুটি ভোট বাতিল হয়েছে।

গত বছরের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও দেবব্রত পাল সরে দাঁড়ান। তখন সেলিম শাহেদকে প্রধান করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। গত কিছুদিনে সেলিম শাহেদ, তামিম ইকবাল, মিঠুনদের চেষ্টায় বর্তমান-সাবেক ক্রিকেটারদের আবার উজ্জীবিত করে একাট্টা করে তোলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এখন দায়িত্ব নেবে নতুন নির্বাচিত কমিটি।

নতুন সভাপতি মিঠুনের ক্যারিয়ার এখনো চলছে পুরোদমে। বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের চুক্তিতে আছেন ৩৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার। আজ জয় শেষে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলেই একটি পরিবারের মতো। এখানে কোনো দূরত্ব, বিভেদ থাকার কথা নয়। বিসিবি আমাদের অভিভাবক। আমরা আমাদের যে কোনো প্রয়োজন, যে কোনো দাবি তাদের কাছে জানাতেই পারি। আশা করি, বিসিবি সেটা ইতিবাচকভাবেই নেবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দাবি আদায়ের দুটি পথ আছে। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব সমঝোতার মাধ্যমে যতটা সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সম্ভব সবকিছু করতে। কিন্তু যদি কখনো অন্যরকম কিছুর প্রয়োজন হয়, যেহেতু আমি ক্রিকেটারদের প্রতিনিধি, ক্রিকেটারদের স্বার্থই আমাকে দেখতে হবে। প্রয়োজন পড়লে ক্রিকেটারদের জন্য কঠিন পথও বেছে নিতে হতে পারে।’

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সিনিয়র সহসভাপতি পদে সাবেক জাতীয় ওপেনার শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ ও সহসভাপতি পদে কিপার-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান। এবার নির্বাচনের আগে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে সাধারণ সম্পাদকের পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন খালেদ মাসুম পাইলট, শামসুর রহমান শুভ, ইমরুল কায়েস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুমানা আহমেদ, ইরফান শুক্কুর ও আকবর আলী।