বিলিয়ন ডলার আয় করা লাইভ-অ্যাকশন ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও আলাদিনের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাইডব্যাক প্রযোজনা করবে সিনেমাটি।
রাইডব্যাক এরই মধ্যে সিসেমি স্ট্রিটের নেপথ্য প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপের সঙ্গে একটি অ্যানিমেশন প্রকল্পে কাজ করছিল। সিসেমি স্ট্রিট মূলত বিগ বার্ড, বার্ট ও আর্নি, গ্রোভার, অস্কার দ্য গ্রাউচ, কুকি মনস্টার ও এলমোর মতো জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর জন্য পরিচিত। এর আগে সিরিজটি থেকে দুটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে—১৯৮৫ সালে ‘ফলো দ্যাট বার্ড’ ও ১৯৯৯ সালে দি অ্যাডভেঞ্চারস অব এলমো ইন গ্রউচল্যান্ড। ফলো দ্যাট বার্ড চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন জন ক্যান্ডি, চেভি চেজ ও ডেভ থমাস। ছবিটি বিতরণ করেছিল ওয়ার্নার ব্রাদার্স।
নেটফ্লিক্সের এ স্বত্ব পাওয়ার খবরটি প্রথম প্রকাশ করে দি ইনসাইডার নিউজলেটার। এ বিষয়ে নেটফ্লিক্স কোনো মন্তব্য করেনি।
তবে এ চুক্তির মাধ্যমে সিসেমি স্ট্রিট এখন পুরোপুরি নেটফ্লিক্সের আওতায় চলে এল। কারণ ২০২৫ সালের মে মাসে স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠানটি সিরিজটির টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্বও অর্জন করেছিল।
চলচ্চিত্র স্বত্ব নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে প্রতিযোগিতা চলছিল। গত শরতে সিসেমি ওয়ার্কশপ ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট’ম এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়।
ওয়ার্নার ব্রাদার্স প্রায় এক দশক ধরে সিসেমি স্ট্রিটের চলচ্চিত্র স্বত্ব নিজেদের কাছে রেখেছিল। কিন্তু কখনই ছবিটি নির্মাণের পর্যায়ে পৌঁছতে পারেনি। পরে প্রথমে নেটফ্লিক্স এবং এর পর প্যারামাউন্ট পিকচার্সের অধিগ্রহণসংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে ইউনিভার্সাল ছিল শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। কারণ তাদের সঙ্গে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত ছিলেন ড্যানিয়েল কন ও ড্যানিয়েল সিনার্চ। সবশেষে নেটফ্লিক্সই জয়ী হয়। এক্ষেত্রে সিসেমি ওয়ার্কশপ রাইডব্যাকের উপস্থাপিত পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছিল, যা নেটফ্লিক্সের পক্ষে বড় ভূমিকা রাখে।
সূত্র: দ্য হলিউড রিপোর্টার










