হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপের ই-অডিশন মিউজিক সিজন ১ ব্যাচ ‘এ’- এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৪ জুন এক অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দেশবরেণ্য শিল্পীরা অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা যাচাই করেছেন এবং জুরিদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেরা ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী ৫ জন হলেন:
১ম স্থান - বিদ্যুৎ ব্যানার্জী
২য় স্থান - চন্দন বাপুলি
৩য় স্থান - মৌমিতা চক্রবর্তী
৪র্থ স্থান - অলকা সূত্রধর
৫ম স্থান - মশিউর রহমান
উপরোক্ত ৫ জন সরাসরি গ্র্যান্ড ফিনালে রাউন্ডে চলে যাবে। এছাড়াও অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের জন্য গ্র্যান্ড ফিনালে রাউন্ডে যাওয়ার জন্য হ্যালো সুপারস্টারস দিচ্ছে আরেকটি চমৎকার সুযোগ। আজ থেকে আগামী ৩১ জুলাই এ সময়সীমার মধ্যে হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপের ক্লিপজ অংশে লাভ রিঅ্যাকশন অর্থাৎ পাবলিক ভোটের ভিত্তিতে হ্যালো সুপারস্টারস আরো তিনজনকে গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য মনোনীত হওয়ার সুযোগ দেবে এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য থাকবে নগদ অর্থ পুরস্কার।
উল্লেখ্য যে বিচারকদের রায়ে সেরা পাঁচ (৫) আর পাবলিক ভোটের ভিত্তিতে সেরা তিন (৩) , ই অডিশন মিউজিক সিজন ১ ব্যাচ ‘এ’ থেকে সর্বমোট আট (৮) জন সুযোগ পাচ্ছেন গ্র্যান্ড ফিনালে রাউন্ডে। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। বর্তমানে হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপের ই-অডিশন মিউজিক সিজন ১ এবং ই-ট্যালেন্ট হান্ট ফুটবল সিজন ১ সহ এ বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য লা-লিগা ইয়ুথ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল গঠনের বাছাই প্রক্রিয়াও চলছে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভা প্রদর্শন করছেন। এছাড়াও ভবিষ্যতে অভিনয়, নৃত্য, আবৃত্তিসহ অন্যান্য সৃজনশীল অডিশনও অনুষ্ঠিত হবে।
হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপটি সুপারস্টারদের সঙ্গে তাদের ভক্তদের সম্পর্ক আরো নিবিড় করে তুলছে। অ্যাপটির মাধ্যমে সুপারস্টার এবং তাদের ভক্তরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেন এবং এটি প্রমাণ করছে যে সামাজিক যোগাযোগের এ নতুন মাধ্যমটি তারকাদের ভক্তদের আরো কাছে নিয়ে আসছে। অ্যাপটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একটি সম্পূর্ণ বিনোদনমূলক প্লাটফর্ম, যেখানে রয়েছে লাইভ চ্যাট, মিট আপ, ই-লার্নিং সেশন, গ্রিটিংস, ই-অডিশন, ই-শোকেস এবং আরো অনেক আকর্ষণীয় মডিউল।
হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান বলেন, ‘আমার স্বপ্ন হচ্ছে, হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপ শুধুমাত্র পৃথিবী নয়, একদিন মানুষ যখন অন্য গ্রহে বাস করবে, তখনো যেন তারা এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারে। এজন্য আমি বলি না ড্রিম বিগ, আমি বলি ড্রিম জায়ান্ট।’
তিনি বলেন, এভাবে হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং দ্রুতই এটি একটি গ্লোবাল সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে নিজেকে আর্বিভুত করবে। - বিজ্ঞপ্তি










