করোনাজনিত নিষেধাজ্ঞা শেষে দুই বছর পর কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহর আখড়াবাড়ি আবার জেগে উঠেছে। বাউলদের আগমনে সরগরম হয়ে উঠেছে সমগ্র এলাকা। গতকাল সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে তিনদিনের লালন স্মরণোৎসব। দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এ উৎসবকে ঘিরে আবার প্রাণ ফিরেছে হাজার বছরের বাউল সংস্কৃতির জনপদের এ তীর্থভূমিতে। ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখতে পাওয়া গিয়েছে বাউল-ফকিরদের মধ্যে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনদিনের লালন স্মরণোৎসবের আয়োজন করেছে লালন একাডেমি। গতকাল শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে আগামীকাল পর্যন্ত। কথিত রয়েছে, ফকির লালন শাহ তার জীবদ্দশায়ই তার আখড়াবাড়িতে প্রতি বছর চৈত্রের পূর্ণিমা রাতে বাউলদের নিয়ে সাধুসঙ্গ উৎসব করতেন। এটিই দোল উসব। তার মৃত্যুর পরও এ উৎসব চলে আসছে।
এরই মধ্যে এ উৎসবকে ঘিরে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার কালী নদীর তীরে লালন আখড়াবাড়িতে চলছে উৎসব ও গ্রামীণ মেলার প্রস্তুতি। তিনদিনের এ আয়োজনে সাধুদের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে। উদ্বোধনী দিনের আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন, এনডিসি। আজ দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি। আগামীকাল শেষ দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনদিনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও লালন একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।










