৪ মিনিটের বেশি দৈর্ঘ্যের এ ট্রেলার ঘিরে মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। কেউ একে ভারতীয় সিনেমার নতুন মাইলফলক বলছেন, আবার অনেকেই এর চরিত্র নির্মাণ, সংলাপ কিংবা ভিজুয়াল উপস্থাপনা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ট্রেলারের শুরুতে দর্শকের সামনে হাজির হন রাবণ চরিত্রে যশ। এরপর ধীরে ধীরে সামনে আসে রণবীর কাপুরের রাম, সাই পল্লবীর সীতা, লারা দত্তের কৈকেয়ী, রাভি দুবের লক্ষ্মণ ও রাকুল প্রীত সিংয়ের শূর্পণখা। সীতার স্বয়ংবর,

কৈকেয়ীর বরদানের ফলে ১৪ বছরের বনবাস, লক্ষ্মণের হাতে শূর্পণখার নাক কাটা, সীতাহরণ ও যুদ্ধের প্রস্তুতি সবই জায়গা পেয়েছে ট্রেলারে। তবে ট্রেলারে হনুমান চরিত্রে সানি দেওলের অনুপস্থিতি অনেক দর্শকের নজর কেড়েছে।

ট্রেলার প্রকাশের পর অধিকাংশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যশ। অনেক দর্শকের মতে, পুরো ট্রেলারে সবচেয়ে শক্তিশালী উপস্থিতি তারই। বলিউড হাঙ্গামার পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, অতীতে অনেক অভিনেতা রাবণের চরিত্রে অভিনয় করলেও যশের উপস্থাপনা আলাদা। তার উপস্থিতি ও অ্যাকশন দৃশ্য ট্রেলারের অন্যতম শক্তি।

অন্যদিকে রাম চরিত্রে রণবীর কাপুরকে সংযত, শান্ত ও ঐশ্বরিক উপস্থিতিতে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সীতা চরিত্রে সাই পল্লবীর অভিনয়ও দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি ইতিবাচক নয়। অনেক দর্শকের মতে, রণবীরের সংলাপ বলার ধরনে এখনো তার আগের রোমান্টিক চরিত্রগুলোর ছাপ রয়ে গেছে। এছাড়া রাবণ চরিত্রে যশের কণ্ঠ পছন্দ করছেন না অনেকেই। তাদের মতে, আরো ভারী কণ্ঠ প্রয়োজন ছিল। ভিএফএক্স নিয়েও নেতিবাচক মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। আদিপুরুষের (২০২৩, ওম রাউত পরিচালিত) তুলনায় ভালো হলেও অনেক দৃশ্যেই ভিজুয়ালের মেকিভাব চোখে ধরা পড়ে সহজেই। লক্ষ্মণ রেখা আঁকার কিংবা সীতাহরণের দৃশ্য ভিজুয়াল দিক থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছে।