জনপ্রিয় ধারায় তাকে নিয়ে আলোচনা হয় কম। কিন্তু লোকসংগীতে তার অবদান কম নয়। অনেকটা নিভৃতেই চলে গেলেন লোকশিল্পী সুষমা দাশ। গতকাল (২৬ মার্চ) সিলেট শহরে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, সুষমা দাস বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। গত ১৩ মার্চ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তাকে বাড়িতে নেয়া হয়। যেখানে বুধবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বুধবার রাত ৮টার দিকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পরে তার মরদেহ সুনামগঞ্জের শাল্লা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তিনি চার ছেলে, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
লোকসংগীতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী হিসেবে সুষমা দাশ শাহ আবদুল করিম, দুর্বিন শাহ, আলী হোসেন সরকার এবং কামাল পাশার মতো কিংবদন্তী শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন।
লোকসংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২০১৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন, যা তাঁর বহু পুরস্কারের মধ্যে অন্যতম। তার ছোট ভাই পণ্ডিত রামকানাই দাসও শাস্ত্রীয় সংগীতে একুশে পদকপ্রাপ্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে শেষ হলো লোকগানের একটি অধ্যায়।










